admin
প্রকাশিত: ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২৮, ২০২০
শ্রীকান্ত বিশস
আমি শ্রীকান্ত। ছোট বেলায় যখন আমার খেলাধুলা নিয়ে ব্যস্থ থাকার কথা। সেখানে আমাকে বেড়ে ওঠতে হয়েছে খুব কষ্ট ও দুঃখে। জীবনের পিচঢালা পথে কখন যে কোন ‘সময়’ এসে দাঁড়ায় তা কখনো বলা যায় না। সেটি মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার নামই জীবন। তা আমি জীবনের পরতে পরতে বুঝতে পেরেছি। আমার বাড়ি ওসমানীনগর উপজেলার লামাতাজপুর গ্রামে। ছোট বেলায় মা-বাবাকে হারাই। মা-বাবাকে হারানোর পর জীবনে নেমে আসলো আঁধার কালো অমাবস্যা। পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে নিয়ে দিন চলতে লাগলো। পরিবারের ছোট ছেলে আমি। তবুও মধ্যবিত্ত পরিবারের যে সমস্যা থাকে আর কি?
পারিবারিক নানা সমস্যার কারণে বন্ধ হয়ে গেল পড়াশোনার চ্যাপ্টার। ২০১৫ সালে চাকরির খোঁজে গ্রাম থেকে চলো আসি অচেনা শহর সিলেটে। সিলেটের অচেনা অলিগলি চক্কর দিয়ে কোনোরকম একটি চাকুরি জোটে কপালে। তা-ও হোমিও ফার্মেসীতে। আমার খুব ইচ্ছে ছিলো উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সমাজ ও দেশের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেব। কিন্তু সেই স্বপ্ন দিবাস্বপ্ন হিসেবে আমার কাছে ধরা দিলো। চাকুরিতে ঢোকার পর বলা হলো যথ দিন পড়ালেখা চালিয়ে যাবো তত দিন কোনো বেতন দেওয়া পাব না। কি-আর করব। পড়ালেখাতো চালাতে হবে। ফার্মেসীর মালিকের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী পড়ালেখা চালাতে লাগলাম কিন্ত তিনি পড়ালেখার খরচ দিতেন তবে আর কোনো টাকা-পয়সা দিতেন না। এভাবে দিন চলতে লাগলো। সরাদিন চাকুরির কাজ শেষ করে রাতের বেলায় গিয়ে ক্লাশ করতাম ভোলানন্দ নৈশ উচ্চবিদ্যালয়ে । সেখানে ৬যষ্ঠ শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেুী পর্যনÍ নিয়মিত উত্তীর্ণ হই। তরাপর নবম শ্রেণিতে ভর্তি হই সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে। তখন পড়ালেখা ও চাকুরি এক সঙ্গে চালানো আমার জন্য হয়ে ওঠে কষ্টের। চাকুরিদাতা মালিক বলে দিলেন যে, হয় চাকুরি করতে হবে, নইলে চাকুরি ছেড়ে দিতে হবে। আমি সিদ্ধান্ত নিলাম পড়ালেখাটা চালিয়ে যাবো। আমি জানি এতে আমার এবং পরিবারের জন্য খুব কঠিন একটি সিদ্ধান্ত ছিলো। আমি চাকুরি ছেড়ে অসহায় হয়ে পড়লাম।
অচেনা সিলেটে কোনো আত্নীয়-স্বজন না থাকায় আরো অসহায় হয়ে পড়ি। জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। তবুও আমি হাল ছেড়ে দেই নি। কারণ আমাকে পড়ালেখাটা চালিয়ে যেতে হবে। এই অবস্থায় আমার থাকা-খাওয়া ও পড়ালেখা কোনো কিছুর খরচ যখন চালানো সম্ভব হচ্ছিল না। তখন খরচ চালাতে শুরু করি ফার্মেসিতে (শর্ট ঔষধ) মাল বিক্রি করা। এভাবে আমি পড়ালেখা ও নিজের খরচ পাশাপাশি পরিবারকেও একটা সময় সাহায্য করতে থাকি। জীবন সংগ্রামে আমি নির্ভীক হয়ে কাজ করে গিয়েছি। এজন্য আমার কারো কাছে হাত পাততে হয়নি। কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যাবস্যায় আমাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছে।
কঠোর পরিশ্রম আমার কাছে জিয়ন কাটি হিসেবে কাজ করেছে। সৎ পথে থেকে কাজ করে গেলে আপনি আপনার নিজের অভিষ্ট লক্ষ্য অবশ্যই পৌঁছাকে পারবেন। আমিও আমার কঠোর পরিশ্রম ও সংগ্রামের মাধ্যমে খুঁজে নিতে চাই আমার স্বপ্নকে। এখনো আমার পড়ালেখা চলছে এবং চাকুরিও করছি। ‘আমি আমার স্বপ্নকে আকড়ে ধওে বেঁছে আছি’। কারণ স্বপ্নটাকে বাস্তাবে পূরণ করতে আমাকে পৌঁছাতে হবে যে, আমার সেই লক্ষে।
7 বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার কথা বিবেচনা করে বাজার দর
8 সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন, বিয়ানীবাজারের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে আমাদের সবাইকে দলমত নির্বিশেষে
1 স্টাফ রিপোর্টার: যুক্তরাষ্ট্রে এক প্রবাসী বাংলাদেশির পরিচয় চুরি (Identity Theft), স্বাক্ষর জালিয়াতি এবং প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি
7 বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সিলেট ইউনিটের যুগ্ম আহ্বায়ক, সিলেট জেলা বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা), সিলেট
7 পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র সিএসআর তহবিল থেকে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থী পরিবহনে মোট ১ কোটি ৭
1 সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হাজী মুজাহিদ আহমদের উদ্যোগে এক ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪
3 সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ যুব রেড ক্রিসেন্ট দল গঠন উপলক্ষে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি ও থ্যালাসেমিয়া বিষয়ক সচেতনতামূলক আলোচনা সভা
1 দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম অনীক চৌধুরী বলেছেন, দক্ষিণ সুরমা একটি সম্ভাবনাময় উপজেলা এখানের মানুষের কর্মস্পৃহা হৃদ্যতাপূর্ণ। নির্বাচনকালীন