editor
প্রকাশিত: 6:14 PM, November 18, 2020
ওসমানীনগর প্রতিনিধি
ফারুক মিয়া। যিনি আওয়ামী পরিবারে একজন নিবেদিত প্রাঁণ। নিজ এলাকা ও দলের প্রতি অগাদ ভালোবাসা থাকায় সুযোগ থাকা সত্ত্বেও পাড়ি দেননি প্রবাসে। সেই কৈশর থেকে ছুটে চলা আওয়ামী রাজনীতির পতাকা তলে। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচন। তখন সিলেট-২ আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী হন মরহুম লুৎফুর রহমান। যিনি তাঁর সম্পর্কে মামা হওয়ার সুবাদে (মায়ের চাচাতো ভাই) ঐ নির্বাচনেই নৌকার কর্মী হয়ে রাজনীতির সূচনা করেন তিনি। তখনকার সময়ে দয়ামীর সেন্টারসহ সিলেট-২ আসনে জাতীয় পার্টির অবস্থান ছিলো খুবই শক্তিশালী। যার ফলে একে বারে অল্প ভোটে হেরে যান মরহুম লুৎফুর রহমান। কারণ এই অঞ্চলে তখন হাতেগুনা কয়েকজন আওয়ামী রাজনীতি করতেন। তবে মরহুম লুৎফুর রহমান হাল না ছেড়ে এই এলাকায় আওয়ামীলীগের শক্তিশালী ঘাঁটি তৈরি করতে কাজ করেন। এই সুবাদে ফারুক মিয়ার কাঁধে দায়িত্ব পড়ে শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ দয়ামীর ইউনিয়নের। নিজের বিচক্ষণ বুদ্ধিৃমত্তা আর কঠোর শ্রম দিয়ে সুসংগঠিত করেন যুব সমাজকে।
যার ফলে তিনি শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। সংগঠনের প্রতি দায়িত্বশীল কর্মের জন্য তখনকার সময়ে নজর কাড়েন ইউনিয়ন ও উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের। এভাবেই চলতে থাকে তাঁর রাজনৈতিক কাজকর্ম। নিজের আচরণ আর ভালোবাসা দিয়ে সুসম্পর্ক তৈরি করেন দলীয় নেতাকর্মীর সাথে। এমতাবস্থায় ১৯৯৮ সালে বালাগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সম্মেলনে তিনি নির্বাচিত হন সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে। সেখানেও রাখেন নিজের শীয় কর্মের পরিচয়। দলের প্রতি এমন সক্রিয়তা দেখে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বিশেষ দায়িত্ব দিতে চেয়েছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রদ্ধেয় মরহুম মাষ্টার নেছাওর আহমেদ , দয়ামীর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রবীণ নেতা মরহুম আব্দুল মালিক ও গেদা মিয়া সহ অনেকেই,তবে নিজ থেকেই বয়সের দিকে তাকিয়েই এমন দায়িত্ব যেতে চাননি তিনি। আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠনেই রাজনৈতিক কাজ করেই যাচ্ছেন তিনি। এই অবস্থায় ২০০৭ সালে অনুষ্ঠিত হয় দয়ামীর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলন।
এই সম্মেলনে তৃণমূলের ভোটে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। ২০০৮ সালের ২৯ শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে সিলেট-২ আসনে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হন শফিকুর রহমান চৌধুরী এম.পি। এই সুবাদে ইউনিয়নে নানান উন্নয়ন মূলক কাজ করাতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি। তবে পিতা মৃতঃআব্দুল ওয়াব ও নানা ময়না মিয়া তালুকদার দয়ামীর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হওয়ার সুবাদে তিনিও নিজ পেশা হিসেবে পিতার রেখে যাওয়া ব্যবসাতেই জড়িয়ে পড়েন। যুবক বয়স থেকেই এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বিশেষ করে ১৯৯৪ সালে দয়ামীর কলেজ প্রতিষ্ঠালগ্নে তখনকার সময়ে স্থানীয় মুরব্বীদের সাথে দিয়েছেন নিজের শ্রম ও মেধা।
ফলে নির্বাচিত হন কলজে উন্নয়ন কমিটির সদস্য। সময়ের ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠিত হয় দয়ামীর মহিলা মাদ্রাসা সেখানেও রাখেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। সেজন্যে আজো তাঁকে রাখা হয়েছে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে। এছাড়াও দয়ামীর আব্দুস সোবহান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন,দয়ামীর সদরুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দয়ামীর বায়তুন নূর জামে মসজিদের বর্তমান পরিচালনা কমিটির সদস্য পদে নিযুক্ত আছেন। দয়ামীর শাহী ঈদগাহর সাবেক পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন,এবং দয়ামীর বাজার বণিক সমিতির একাধিক বার সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। এছাড়াও রয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক ও ক্রীড়া সংস্থার সাথে যুক্ত। দলের এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আর শিক্ষা ও সামাজিক ক্ষেত্রে সময় দিতে গিয়ে কি কখনো নিজের পারিবারিক ক্ষতি হয়েছে ?
এমন প্রশ্নে আমাদের প্রতিনিধিকে তিনি বলেন, অব্যশই দলীয় কাজকর্ম অথবা সমাজের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্ম কান্ডে সময় দিতে গিয়ে নিজের ব্যবসার অনেক ক্ষতি হয়েছে এবং বহুলাংশে দিয়েছে অর্থ। যার মূল্য হিসেবে আমি কখনো মানুষ কিংবা দলের কাছে কখনো কিছু চাইনি যার প্রমাণ হিসেবে আমাদের এলাকার লোকজনই ভালো বলতে পারবেন। আমি আল্লাহর প্রতি আত্মবিশ্বাস রেখে সমাজের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি নিশ্চই আল্লাহ একদিন এর প্রতিদান দিবেন। আসছে আগামী ইউ/পি নির্বাচনে আপনি কি দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করতে চান ? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দেখুন এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য কাউকে বিশেষ কোনো জায়গায় যেতে হয়। আমি মনে করি যদি তৃণমূলের ভোটে নৌকার প্রার্থী নির্বাচিত করা হয় তাহলে আমি পুরোপুরি আশাবাদী আমাদের ৭নং দয়ামীর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতৃবৃন্দ আমাকে সমর্থন করবেন এবং আমি আশাবাদী নৌকা প্রতিক নিয়ে এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমি নির্বাচন করলে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নৌকা বিজয়ী বেশে উপহার দিতে পারবো। তবে যদি অন্য কাউকে নৌকা দেওয়া হয় তাহলে আপনি কি নৌকার পক্ষে কাজ করবেন ? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দেখুন আজ থেকে ত্রিশ বছর আগে রাজ পথে নৌকার স্লোগান ধরে আওয়ামীলীগের রাজনীতি শুরু এজন্য আমার উপর হামলা ও ৯৬ এর প্রহসনের নির্বাচন প্রতিহত করতে গিয়ে হয়রানি মূলক মামলারর আসামী হয়েছি, তবে নৌকার স্লোগান আজোবদি দলের দুঃসময়ে-সুসময়ে দিয়ে যাচ্ছি।
আমৃত্যু দিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ, এবং দলীয় মনোনয়ন যাকেই দেওয়া হোক তার পক্ষেই কাজ করবো এবং করে আসছি যা বিগত নির্বাচনেও আমি দলের কাছে মনোননয়ন চেয়ে ছিলাম তবে দেওয়া হয়েছিলো আব্দুল হামিদ কে। আমরা তাঁর পক্ষে কাজ করি কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্য যে তিনি একাবারে অল্প ভোটে হেরে যান। আগামী নির্বাচনে কি এই ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকের জয় হবে বলে আপনি মনে করেন ? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিগত সময়ের চেয়ে বর্তমানে আমাদের ৭নং দয়ামীর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভোট ও দলীয় নেতাকর্মী অনেক ঐক্যবদ্ধ। যার ফলে আমি আশাবাদী আগামী নির্বাচনে নৌকার জয় হবে-ইনশাআল্লাহ ।
‘আর নয় বিদ্বেষ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে অরাজনৈতিক ও অসাম্প্রদায়িক সামাজিক সংগঠন ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে সিলেটে এক
প্রবাসীদের ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা ও মানবকল্যাণের প্রত্যয় নিয়ে ওমানে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে ‘গোয়াইনঘাট প্রবাসী সমাজ কল্যাণ পরিষদ’
সিলেটের গোলাপগঞ্জের মছলম উদ্দিন একাডেমির প্রধান শিক্ষক মো. এনামুল হককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বাশিস) সিলেট জেলা ও
বিশ্বনাথের ২নং খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আশিকুর রহমান রানা বলেছেন, দল যাকেই মনোনয়ন দেবে, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে সেই
ছাতকে সাজানো মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি ও ছাতক সদর ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা রেবুল কুমার দাসের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি ও
দলের জন্য কর্মী, আর কর্মীর জন্যও দল এই পারস্পরিক আস্থা ও ঐক্যের চর্চাটাই আমাদের মূল শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট
শারদীয় দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে সিলেট মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়, সড়ক ও অলিগলিতে শোভা পাচ্ছে নানা রঙের শুভেচ্ছা ব্যানার ও ফেস্টুন।
সিলেট শাহী ঈদগাহ যার প্রতিটি ধূলিকণায় মিশে আছে সিলেটের শত বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর আভিজাত্য। আজ সেই ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণে বাণিজ্য