fbpx

Daily Sylheter Somoy

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০

সংকটে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ : ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়নের অভিযোগ

সংকটে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ : ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়নের অভিযোগ

‘পকেট কমিটিত’ অনুমোদন দেবে না আওয়ামী লীগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেট আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাদের একজন তপন মিত্র। সিলেটে গুলশান হোটেলে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় আহত হন তিনি। দেহে স্নিপ্লন্টার নিয়ে দলকে আঁকড়ে ধরেই বেঁচে আছেন। মহানগর আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ছিলেন তিনি। বিগত সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দলের পরীক্ষিত ত্যাগী নেতাদের একজন হলেও প্রস্তাবিত মহানগর পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তার নাম নেই!
কেবল তপন মিত্র নয়, বিগত দিনে জোট সরকার বিরোধী আন্দোলনে দমন পীড়নের শিকার ও গ্রেনেড হামলায় আহত ত্যাগী নেতাদের নাম নেই কমিটিতে। অনেকের নাম থাকলেও অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। তাদের বাদ দিয়েই পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বেশ কিছু নিষ্ক্রিয় নেতাদের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। সদ্য সাবেক যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাদের প্রমোশন দিয়ে কমিটিতে তাদের উপরে রাখা হয়েছে।
ত্যাগী নেতাদের অনেকে জানান, আওয়ামী লীগের সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ ও সাবেক নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মরহুম বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলয়ের নেতাদের কমিটিতে স্থান হয়নি। অথচ জীবদ্দশায় সাবেক মেয়র মরহুম বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের হাত ধরেই যাত্রা শুরু হয়েছিল নগর আওয়ামী লীগের।
দলীয় সূত্র জানায়, সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকদের দেওয়া কমিটি নিয়ে বঞ্চিত নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এ কারণে পাল্টা কমিটি গঠন করে কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মহানগরের পাল্টা কমিটি নিয়ে ক্ষুব্দ নেতারা গত শনিবার সন্ধ্যায় নগরের সুবহানিঘাট ইব্রাহিম স্মৃতি সংসদে বৈঠক আহ্বান করেন।
অন্যদিকে, জেলার পাল্টা কমিটির নেতারাও পৃথক বৈঠকে মিলিত হওয়ার কথা। ওই বৈঠক থেকে আরেকটি কমিটি করে ঢাকায় পাঠাবেন তারা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছেন, জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি থেকে বাদ পড়ছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ, অ্যাডভোকেট শেখ মখলু মিয়া, অ্যাডভোকেট ময়নুল হক, অধ্যক্ষ শামসুল হকসহ কয়েকজন নেতা।
মহানগর কমিটিতে বাদ পড়ার তালিকাটা আরো দীর্ঘ। প্রস্তাবিক পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে নাম নেই সিরাজুল ইসলাম, সিরাজ বক্স, অ্যাডভোকেট মফুর আলী, তপন মিত্র, তুহিন কুমার দাস, জগদীশ দাস, অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম, ফাহিম আনোয়ার চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন রানা, রাধিকা রঞ্জন হোম চৌধুরী, শাহানারা বেগম, প্রিন্স সদরুজ্জামান, মিছবাউল ইসলাম সুইট, আবরার আহমদসহ আরো কয়েকজন সদস্যের।
এদের মধ্যে রাজনীতিতে সক্রিয় থেকেও খসড়া কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন তপন মিত্র, জগদীশ দাস, অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম। এছাড়া সিরাজুল ইসলাম, সিরাজ বক্স, তুহিন কুমার দাস, ফাহিম আনোয়ার চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন রানা, মিফতাউল ইসলাম সুইট বিগত দিনে দলীয় কার্যক্রমে একেবারেই নিষ্ক্রিয় ছিলেন। আর রাধিকা রঞ্জন হোম চৌধুরী, আবরার আহমদ দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে।
সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কমিটির উপ দপ্তর সম্পাদক জগলু চৌধুরী বলেন, সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েছিলাম। সেই ক্ষোভ থেকে প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে আমাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। অনেক নিষ্ক্রিয় ও নতুনদের পদায়ন করা হয়েছে। মন্ত্রী ইমরান আহমদ সাবেক কমিটির সহ সভাপতি ছিলেন। এই কমিটিতে তার নামই দেওয়া হয়নি। অথচ মন্ত্রী-এমপিদের কমিটিতে রাখতেই হয়। মূলত; সাধারণ সম্পাদক তার সমমনাদের রাজনৈতিকভাবে হত্যা করতে চাচ্ছেন।
তিনি বলেন, আমরা কমিটিতে অবমূল্যায়নকারীরা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে এ সব কিছুর বৃত্তান্তসহ ফিরিস্তি জমা দিয়েছি। এছাড়া বিকল্প আরেকটি কমিটিও অচিরেই কেন্দ্রে জমা দেব।
সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী তপন মিত্র বলেন, রাজনীতিতে সক্রিয় থেকেও পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে নাম দেওয়া হয়নি। আমরা যারা দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছি তাদের অনেকের নাম বাদ, আর যাদের রাখা হয়েছে তাদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। এ জন্য বিকল্প কমিটি করে কেন্দ্রে পাঠানো হবে।
এদিকে, কমিটি গঠন করা নেতাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ত্যাগীদের কমিটি থেকে অবমূল্যায়ন বা বাদ দেওয়া হলে কমিটি পুনরায় কাটাছেঁড়া হবে। তাই দলীয় সভানেত্রীর দিকে তাকিয়ে আছেন বঞ্চিত-অবমূল্যায়িত ক্ষুব্দ নেতারা।
সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনা যেভাবে ছিল। আমরা সেভাবেই পূর্ণাঙ্গ কমিটি করে প্রস্তাবনা দিয়েছি। এখানে অনেকে অনেক কথা বলছেন, কিন্তু আমরা কমিটিতে ইমেজ সম্পন্ন নেতাদের নাম প্রস্তাব করেছি।
গত বছরের ৫ ডিসেম্বর সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয় সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি। এতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক হন অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান। মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক হন অধ্যাপক জাকির হোসেন। মুজিববর্ষ এবং করোনা পরিস্থিতির কারণে থমকে যায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া।
অবশ্য সপ্তাহ আগে আ’লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শেষে সিলেটসহ পূর্ণাঙ্গ না হওয়া সকল ইউনিটের কমিটি ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এমন নির্দেশনার পর সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই কমিটি জমা দেয়।

‘পকেট কমিটিত’ অনুমোদন দেবে না আওয়ামী লীগ

‘স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলার প্রভাবশালী নেতাদের নিজস্ব বলয় ভাঙতে চায় আওয়ামী লীগ’ তৃণমূলের কমিটিতে ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের জায়গা দিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলার প্রভাবশালী নেতাদের নিজস্ব বলয় ভাঙতে চায় আওয়ামী লীগ। বিগত সময়ের মতো এবার যাতে ‘পকেট কমিটি’ গঠন না হয় তার জন্য সতর্ক ক্ষমতাসীন দলটি। এবার দলটির নীতিগত অবস্থান হলো, কমিটিতে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে পরীক্ষিতদের স্থান দিতে হবে। যার কারণে জমা পড়া জেলা কমিটিগুলো অতীতের মতো ঢালাওভাবে অনুমোদন না দিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তৃণমূলের কমিটির মতো দলের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মনোনয়নের ক্ষেত্রেও একই পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সভায় জেলা কমিটি অনুমোদন এবং কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। ওই সভায় দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্টই জানিয়ে দিয়েছিলেন, বিতর্কিতদের দলে স্থান দেওয়া যাবে না। দুঃসময়ের পরীক্ষিত ও ত্যাগীদের দলের নেতৃত্বে আনতে হবে। এ সময় তিনি জমা পড়া কমিটিগুলো যাচাই-বাছাইয়ের কথাও বলেন।
আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, অতীতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলার প্রভাবশালী নেতারা তাদের ‘মাইমেন’ বা অনুগতদের জেলা ও উপজেলাসহ তৃণমূলের কমিটিতে স্থান দিয়েছে। এই সুযোগে বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারীরা আওয়ামী লীগের অবস্থান পোক্ত করেছে। অনেক ক্ষেত্রেই স্ত্রী-সন্তান ভাই-বোনসহ আত্মীয়-স্বজনদের তৃণমূলের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাতে দেখা গেছে। এতে ক্ষোভে-দুঃখে-হতাশায় তৃণমূলের পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতারা সংগঠন বিমুখ হয়ে পড়েন। যার কারণে আওয়ামী লীগের ‘মাইটোকন্ড্রিয়া’ খ্যাত তৃণমূল সংগঠন ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে। অপরদিকে বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারীদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে দল ও সরকারকে বারবার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ তার একটি অন্যতম উদাহরণ বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।
অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে তৃণমূলের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ এবার সর্তকতা অবলম্বন করছে। যাচাই-বাছাই করছে কেন্দ্রের কাছে জমা পড়া তৃণমূলের কমিটিগুলো। পর্যালোচনা করছে কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য এবং সহযোগী সংগঠনের নতুন কমিটির তালিকাও।
জানা গেছে, দলের নিজস্ব ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় এসব কমিটি যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রতিটি বিভাগের জন্য বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, প্রতি দুটি বিভাগের জন্য একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং প্রতিটি বিভাগের জন্য সভাপতিমণ্ডলীর একজন সদস্য যাচাই-বাছাইয়ের কাজ করবেন। এছাড়া দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে যাদের বাড়ি যে এলাকায় তারা ওই এলাকার যাচাই-বাছাইয়ে সহযোগিতা করবেন।
আওয়ামী লীগ গত বছর ২০ ও ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আগে ২৬ অক্টোবর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩১ জেলায় সম্মেলন শেষ করে। একই সময় শেষ হয় ছয়টি সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মেলনও।

জেলা সম্মেলনগুলোতে বক্তব্যকালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের পকেট কমিটি গঠন না করতে তৃণমূল নেতাদের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেছিলেন, ‘ঘরের মধ্যে ঘর করে, মশারির মধ্যে মশারি, আত্মীয়করণ করে চৌদ্দপুরুষকে নিয়ে আওয়ামী লীগের পকেট কমিটি করে। পকেট কমিটি চলবে না। পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিতে চাই, কমিটি করতে গিয়ে দল ভারি করার জন্য খারাপ লোক টেনে আনবেন, এটা চলবে না। বসন্তের কোকিল আমরা চাই না, দুঃসময়ের ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে।’
যেসব জেলা সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে কেন্দ্রের নির্দেশে তার প্রায় সবগুলো পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা জমা পড়েছে। ইতোমধ্যে বেঁধে দেওয়া সময় ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বৃষ্টির মতো তালিকা জমা পড়ে বলে আওয়ামী লীগের দফতর সূত্রে জানা যায়। ওই তালিকা নিয়ে ১৬ সেপ্টেম্বর এর সভাপতিমণ্ডলীর সভায় পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে ওই সভায় বাকি কমিটির তালিকা জমা দেওয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়। গত কয়েক দিনে আরও কয়েকটি কমিটি জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।
গত শনিবার একটি অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কমিটি গঠন প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, ‘যেসব কমিটি জমা হয়েছে তা আমরা হঠাৎ করে দিয়ে দেবো না। যাচাই-বাছাই করে পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা আছেন কিনা সেটা দেখা হবে।’
জমা পড়া কমিটি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘অনেক জায়গায় দেখা গেছে স্বজনপ্রীতি করা হয়েছে। নিজস্ব লোকজন দিয়ে কমিটি ভর্তি করা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে দীর্ঘদিনের ত্যাগী কর্মীরা, পরীক্ষিত কর্মীরা কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন। এটা কোনও অবস্থাতেই হতে পারে না। সেটা আর খোঁজখবর নিয়ে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেবো।’
পরবর্তীতে ওয়ার্ড থেকে শুরু করে জেলা-মহানগর পর্যায়ে যেসব কমিটি হবে সেখানেও অবিতর্কিত, ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে বলে শনিবার তিনি আশ্বাস দেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান বলেন, ‘যোগ্য ও ত্যাগীরা যাতে কমিটিতে স্থান পায় এবং বিতর্কিতরা যাতে আসতে না পারে তার জন্য আমরা যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অতিথি কমিটি নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। কোনও কোনও কমিটিকে আপনারা সাংবাদিকরা পকেট কমিটি বলেছেন। আমি সেভাবে বলতে চাই না। তবে একক কোনও ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে কমিটি চলে যাবে, এমনটা যে না হয় আমরা সেটা চাইবো।’
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ বলেন, ‘যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে জেলা কমিটি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়েছে সভাপতিমণ্ডলীর সভায়। দলের মধ্যে যারা নিবেদিত তারা যাতে কমিটিতে আসতে পারে তার জন্য এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
যাচাই-বাছাই করে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে যোগ্যদের অন্তর্ভুক্তি কঠিন কাজ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় নেতাদের পক্ষে তৃণমূলে যাচাই-বাছাই করা সত্যিই কষ্টসাধ্য। এক্ষেত্রে আমাদের জেলা নেতাদের তালিকার ওপর ভর করতে হয়। তবে জেলা থেকে যে কেউ যদি অভিযোগ অনুযোগ করেন আমরা সেটা যাচাই করে দেখতে পারবো।’

Sharing is caring!


সর্বশেষ সংবাদ

তিন-চার দিনের মধ্যে বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর ল্যাব বসবে

তিন-চার দিনের মধ্যে বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর ল্যাব বসবে

অনলাইন ডেস্ক তিন-চার দিনের মধ্যে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর ল্যাব বসিয়ে করোনা পরীক্ষা সম্ভব হবে। সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার

কমলগঞ্জের মুন্সিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

কমলগঞ্জের মুন্সিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

কমলগঞ্জ(মৌলভীবাজার)প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ব্যবসায়ী সমিতি ও রহিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সভাপতি ও কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামিলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক

এসপিএল ২০২১ আয়োজক কমিটির সাথে ডা: শিপলুর মতবিনিময়

এসপিএল ২০২১ আয়োজক কমিটির সাথে ডা: শিপলুর মতবিনিময়

সিলেট প্রিমিয়ার লীগ ২০২১ ইং ১০০ বলের ক্রিকেট টূর্ণামেন্ট আয়োজনের লক্ষ্যে আয়োজক কমিটি ও উপদেষ্টামন্ডলীর সাথে সাবেক মেয়রপুত্র, রাগীব রাবেয়া

সিলেটের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদান অনুষ্ঠান

সিলেটের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদান অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ আকাশ, সমুদ্র জয় করে করোনা যুদ্ধে জয়ী হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার উৎসাহে সিলেটের

আবু দৌলত মডেল মাদরাসায় পুরস্কার বিতরণ ও সংবর্ধনা

আবু দৌলত মডেল মাদরাসায় পুরস্কার বিতরণ ও সংবর্ধনা

অনলাইন নিউজ পোর্টাল সিলেট দিগন্ত ডটকম এর উদ্যোগে ও সিলেট ট্যুরিস্ট গাইড এসোসিয়েশনের সহযোগিতায় সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে

সাহেবেরগাঁও যুব কল্যাণ পরিষদের কমিটি গঠিত

সাহেবেরগাঁও যুব কল্যাণ পরিষদের কমিটি গঠিত

সিলেট শহরতলীর টুকেরবাজার ইউনিয়নের সাহেবেরগাঁওয়ে সাহেবেরগাঁও যুব কল্যাণ পরিষদের কমিটি গঠন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা গত ১৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত

অন্তরের শুদ্ধতা মানুষের বাহ্যিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে গুনাহমুক্ত রাখে

অন্তরের শুদ্ধতা মানুষের বাহ্যিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে গুনাহমুক্ত রাখে

অনলাইন ডেস্ক মানুষ ভালো-মন্দে পরিচালিত হয় অন্তরের মাধ্যমে। যার অন্তর যত বেশি শুদ্ধ ও সুস্থ, তার চালচলন, আমল-আখলাক তত বেশি

বিদ্যুৎ ও সিটির পানি বিল প্রত্যাহারের দাবীতে মেয়র বরাবরে স্মারকলিপি পেশ

বিদ্যুৎ ও সিটির পানি বিল প্রত্যাহারের দাবীতে মেয়র বরাবরে স্মারকলিপি পেশ

বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির পায়তারা ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পানির অস্বাভাবিক বিল বাড়ানো, এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডারের মূল্যবৃদ্ধি সহনীয় এবং বিদ্যুৎ ও