editor
প্রকাশিত: 1:56 AM, November 21, 2020
নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। ধলাই নদীর বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত অবৈধ লিস্টার মেশিন থেকে প্রতিদিন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নাম ভাঙিয়ে ওই পুলিশ কনস্টেবল আদায় করছেন কয়েক লাখ টাকা। লিস্টার মেশিন দিয়ে চলছে বালু উত্তোলনের পাশাপাশি পাথর উত্তোলনেরও মহোৎসব। তাতে করে চার ধাপে চলছে পুলিশের নামে টাকা আদায়। আর এসব চাঁদাবাজির নেতৃত্ব দিচ্ছেন কনস্টেবল ইয়াহিয়া খান।
জানা যায়, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জসহ সিলেটের সবকয়টি পাথর কোয়ারী বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। যে কারণে পাথর কোয়ারী সংশ্লিষ্টরা রয়েছেন চরম বিপাকে। মানবেতর জীবন যাপন করছেন লক্ষাধিক শ্রমিকরা। দেনার দায়ে দেউলিয়া হয়ে আছেন মিল মালিক, ট্রাক মালিক ও ট্রাক্টর মালিকসহ পাথর ব্যবসায়ীরা। তবে বর্ষা মৌসুমের শুরুতে ইজারা দেয়া হয় ভাটরাই মৌজা এবং কালাসাদক মৌজার একাংশের বালুমহাল। তখন শুরু থেকেই বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত হতে থাকে অবৈধ লিস্টার মেশিন। শুধু বালু নয় বালুর সাথে নদীর তলদেশ থেকে লিস্টার মেশিন তুলে নিয়ে আসছে ছোট-বড়সহ অনেক ধরনের পাথর। আর তাতে করে কোম্পানীগঞ্জের ধলাই নদীসহ আশপাশ এলাকায় শুরু হয় চার ধাপে চাঁদাবাজি। চার ধাপের ওই চাঁদাবাজির নেতৃত্ব দিচ্ছেন পুলিশ কনস্টেবল ইয়াহিয়া। তার গর্জনে দিশেহারা অবৈধ লিস্টার মালিকরা। টাকা না দিলে ইয়াহিয়া খানের কাছে হতে হয় লাঞ্চিত।
স্থানীয়রা জানান, ধলাই নদীতে দিনে রাতে সমান তালে চলছে প্রায় দুই শতাধিক অবৈধ লিস্টার মেশিন দিয়ে বালু-পাথর উত্তোলনের মহোৎসব। লিস্টারের পাইপের মাথায় ফিটিং করা হয়েছে হ্যাঙ্গার। যে হ্যাঙ্গারে আটকা পড়ে নদী থেকে উত্তোলনকৃত পাথর। আর এই লিস্টার ও হ্যাঙ্গারকে পুঁজি করেই থানার ক্যাশিয়ার খ্যাত কনস্টেবল ইয়াহিয়া খান হাতিয়ে নিচ্ছেন প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা। প্রতিটি লিস্টার থেকে এক হাজার, প্রতিটি হ্যাঙ্গার থেকে দুই হাজার, ইঞ্জিন থেকে দুইশত ও টহল পুলিশের নামে আদায় হয় পাঁচশত থেকে এক হাজার টাকা। পুলিশের নামের টাকা না দিলে বন্ধ করে দেওয়া হয় সেসব মেশিন। নতুবা ভেঙে দেওয়া হয় ওইসব মেশিন। এমনকি কখনো কখনো টাকা দিতে কেউ কেউ অপারগতা স্বীকার করলে তাদের হাতকড়া পরিয়ে দেন কনস্টেবল ইয়াহিয়া। টাকা পরিশোধ করার পর খুলে দেওয়া হয় ওইসব লোকদের হাতকড়া।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কালাইরাগ ও ভোলাগঞ্জ গ্রামের দুই ব্যক্তি বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে কনস্টেবল ইয়াহিয়া তাঁর নিয়োজিত স্থানীয় কিছু ব্যক্তিদেরকে সাথে নিয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নামে অবৈধ লিস্টার মেশিনগুলো থেকে আদায় করছেন লাখ লাখ টাকা। শুধু তাই নয় ইয়াহিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন কোম্পানীগঞ্জের মাঝেরগাঁও এবং উৎমা কোয়ারী এলাকা। সেখানেও পুলিশ প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে পাথর লুটপাটকারীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন আরও লক্ষাধিক টাকা। সব মিলিয়ে প্রতিদিন তিনি গুনেন ৬/৭ লাখ টাকা।
এদিকে জানা যায়, উপজেলার কালাইরাগ সীমান্ত দিয়ে কালাইরাগ গ্রামের বাসিন্দা চোরাকারবারী রুফেজ মিয়ার নেতৃত্বে ভারত সীমান্ত থেকে রাতের অন্ধকারে নিয়ে আসা হচ্ছে পাথর। রুফেজ মিয়ার নেতৃত্বে চলছে ভারত থেকে পাথরের সাথে নিয়ে আসা মাদকেরও রমরমা বানিজ্য। আর সেখান থেকেও কমিশন আদায় করছেন ইয়াহিয়া।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর ও মিডিয়া ) লুৎফুর রহমান জানান, অবৈধভাবে লিস্টার মেশিনের বিরুদ্ধে সিলেট জেলা পুলিশের রয়েছে কঠোরতা। লিস্টার মেশিন চলছে বা তা থেকে টাকা আদায়ের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবুও আমি বিষয়টি পুলিশ সুপার মহোদয়কে অবগত করবো।
সিলেটের রাজনীতিতে আলোচিত জামায়াত নেতা লোকমান আহমদকে ঘিরে নানা জল্পনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভার্চ্যুয়াল মিডিয়ায় গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে যে,
রাজনীতিতে সুবিধাবাদ আর রাতারাতি দলবদলের এক চাক্ষুষ উদাহরণ হয়ে উঠেছেন সিলেটের এক বাবা ও ছেলে। পটপরিবর্তনের পর অতীতে বাংলাদেশ আওয়ামী
সিলেটের জালালাবাদ থানার ভাগারপাড় গ্রামে ১৪ বছরের কিশোর মহিন হাসান বাপ্পিকে নৃশংস হত্যাচেষ্টার পর উত্তাল হয়ে উঠেছিল এলাকা। মানববন্ধন, প্রতিবাদ
সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ, বর্ণাঢ্য র্যালি
মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করায় হাফেজ ইহতেশামুল হক হীরাকে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে
সিলেট বিভাগের শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নমূলক সংস্থা সাবাস এর আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) সিলেট নগরীর একটি
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তৎকালীন কমিটি এই বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যথাযথ তদন্ত কমিটির তদন্ত ও সুপারিশের ভিত্তিতে