admin
প্রকাশিত: 12:56 PM, December 1, 2020
ছাতক প্রতিনিধি
সুরমা নদীর সদর ও দোয়ারাবাজার উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এই ভাঙনের কারণে নদীর তীরবর্তী বাজারের দোকানপাট, ঘরবাড়ি ও গাছ-পালা, পাকা ও কাঁচা সড়ক, রেকর্ডীয় ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের। সদর উপজেলার হরিনাপাটী, বল্লবপুর, দোয়ারাবাজার উপজেলার আমবাড়ি, সোনাপুর, নুরপুরে প্রতিদিন ভাঙছে বসত বাড়ী ফসলি জমি।
আমবাড়ি বাজারের খেওয়াঘাট নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে। খেওয়াঘাটের একাংশ নদী ভাঙনে বিলীন হয়েছে। খেওয়াঘাট নদীগর্ভে বিলীন হবার আশংকা এপার ও ওপারের বাসিন্দাদের।
দীর্ঘ ৪০ বছরে হরিনাপাটী গ্রামের বাজার এলাকা, বাজার সংলগ্ন একটি হাটীর একাধিক ঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। হরিনাপাটী গ্রামের পূর্ব হাটীর একাধিক ঘর-বাড়ি, রাস্তাঘাট, গাছ-পালা ও ফসলি জমি নদীতে গেছে। ঘর-বাড়ি বিলীন হওয়ায় নি:স্ব হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবার।
বল্লবপুর গ্রামের ফসলি জমি ও গাছ-পালা নদী ভাঙনে বিলীন হয়েছে। সোনাপুর গ্রামের ঘর-বাড়ি, গাছপালা ও ফসলি জমি সুরমা নদীতে বিলীন হয়েছে। নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে আছে অসংখ্য ঘর-বাড়ি ও গাছ-পালা।
নুরপুর গ্রামের পুরো বাজার টানা ৩০ বছরের ভাঙনে নদীতে বিলীন হয়েছে। বাজার সংলগ্ন রেকর্ডীয় ভূমিতে থাকা ঘর-বাড়ি, দোকানপাট ও গাছ-পালা নদী ভাঙনে বিলীন হয়েছে। হরিনাপাটী মসজিদের মোতাওয়াল্লি এম. এ রউফ বলেন, আমাদের হরিনাপাটী গ্রামের অর্ধেক অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। সারা বছর এই নদী ভাঙন অব্যাহত থাকে। নদী ভাঙন প্রতিরোধ করা না হলে স্থানীয় বাসিন্দাগণ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক বলেন, ভাঙন প্রতিরোধে গ্রামবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদনও দিয়েছেন। সম্ভবত: এর প্রেক্ষিতে কয়েক বার ভাঙন এলাকা সার্ভে করা হয়েছে। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ডে ভাঙন প্রতিরোধে কাজ করে নি। সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল খালিক বলেন, নদী ভাঙনে এলাকার বাজার, ঘর-বাড়ি ও গাছ-পালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক মানুষ বাড়ি ছাড়া হয়েছে। প্রায় ৩০ বছর ধরে নদী ভাঙন চলমান রয়েছে। নদী ভাঙন প্রতিরোধে উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল কালাম বলেন, নদী ভাঙনে ঘর-বাড়িসহ ফসলি জমিও বিলীন হয়েছে। জরুরিভিত্তিতে নদী ভাঙন প্রতিরোধ দরকার। নুরপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. এহসানুল হক বলেন, নুরপুর বাজারে ভাঙন ধরেছে দেশ স্বাধীনের পর থেকে। এই বাজারের পাশে দুইটি বড় আকারের পাকা ভবন ছিল। সেটি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। নদী ভাঙন রোধে কোনো সময় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
নুরপুর গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আলী নুর বলেন, নদী ভাঙনের কবলে পড়ে স্থানীয় পুরো বাজার নদীতে বিলীন হয়েছে। গাছ-পালা বিলীন হয়েছে। মসজিদ বিলীন হয়েছে। নদী ভাঙনে ঝুলে আছে উসমান মিয়ার এবং রমজান মিয়ার বাড়ি। যে কোনো সময় বসতভিটা বিলীন হতে পারে নদী গর্ভে। বর্তমানে নদী ভাঙন প্রকট আকার ধারণ করেছে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সবিবুর রহমান বলেন, হরিনাপাটি, আমবাড়ীসহ সদর উপজেলার অচিন্তপুর, জগন্নাথপুরের কুশিয়ারা তীরের বাঘময়না ও শাল্লার প্রতাপপুরকে নদী ভাঙনের কবল থেকে রক্ষার জন্য প্রকল্প প্রণয়ন করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছিল। সেটি অনুমোদন না হওয়ায় ভাঙন প্রতিরোধে কাজ করা যাচ্ছে না।
সিলেট নগরীর সুবিদবাজার এলাকার প্রবাসী দুই ভাইয়ের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া আমমোক্তারনামা তৈরি, কোটি টাকার ভাড়া আত্মসাৎ, পৈতৃক সম্পত্তি জবরদখল
সিলেটের রাজনীতিতে আলোচিত জামায়াত নেতা লোকমান আহমদকে ঘিরে নানা জল্পনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভার্চ্যুয়াল মিডিয়ায় গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে যে,
রাজনীতিতে সুবিধাবাদ আর রাতারাতি দলবদলের এক চাক্ষুষ উদাহরণ হয়ে উঠেছেন সিলেটের এক বাবা ও ছেলে। পটপরিবর্তনের পর অতীতে বাংলাদেশ আওয়ামী
সিলেটের জালালাবাদ থানার ভাগারপাড় গ্রামে ১৪ বছরের কিশোর মহিন হাসান বাপ্পিকে নৃশংস হত্যাচেষ্টার পর উত্তাল হয়ে উঠেছিল এলাকা। মানববন্ধন, প্রতিবাদ
সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ, বর্ণাঢ্য র্যালি
মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করায় হাফেজ ইহতেশামুল হক হীরাকে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে
সিলেট বিভাগের শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নমূলক সংস্থা সাবাস এর আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) সিলেট নগরীর একটি