editor
প্রকাশিত: 10:44 AM, October 12, 2026
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় দীর্ঘ ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে টানা সেবা দিয়ে গেলেও চাকরির স্থায়িত্ব পাননি শত শত কর্মকর্তা-কর্মচারী। প্রকৌশল, রাজস্ব, স্বাস্থ্য, প্রশাসন, পরিচ্ছন্নতা, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবা সচল রাখলেও তাদের পরিচয় এখনও ‘মাস্টাররোল’।
উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায়, মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচক মতামত এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও ২৪১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি স্থায়ী না হওয়ায় নগরভবনে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। একই সঙ্গে সিসিকের আরও প্রায় দেড় হাজার অস্থায়ী কর্মচারীও এই সিদ্ধান্তের দিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছেন।
ভুক্তভোগী ও কর্মচারীদের অভিযোগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ এ বিষয়ে ইতিবাচক ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করলেও সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রেজাই রাফিন সরকারের অসহযোগিতার কারণে কাজের কোনো অগ্রগতি হচ্ছে না। দ্রুত সমস্যার সমাধান ও চাকরি স্থায়ীকরণ করা না হলে অচিরেই কঠোর আন্দোলনের পথে হাঁটার হুশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে ২০১৫ সালে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন (মামলা নম্বর ৯৯৪৩) করেন সিসিকের সহকারী প্রকৌশলী হাসিবুর রহমান। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ আদালত ২৪১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি স্থায়ী করার স্পষ্ট নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে সিসিক কর্তৃপক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (মামলা নম্বর ১৩০৪) দায়ের করলেও ২০২৩ সালের ২৩ জানুয়ারি উচ্চ আদালত কর্মচারীদের পক্ষে আগের রায় বহাল রাখেন।
আদালতের চূড়ান্ত রায়ের পর তৎকালীন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী স্থায়ীকরণের জন্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠালেও পরবর্তী মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর সময়ে এসে বিষয়টি স্থবির হয়ে পড়ে। গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেই স্থায়ীকরণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ থমকে যায়।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৮ জুলাই স্থায়ীকরণের দাবিতে কর্মচারীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মাহবুবা আইরিন সিসিক পরিদর্শনে আসেন। তিনি রায়প্রাপ্ত জনবল স্থায়ী করার পক্ষে ইতিবাচক মতামত প্রকাশ করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় ‘সিসিক অভিভাবকহীন’ এমন দোহাই দিয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পুরো প্রক্রিয়াটি চেপে রাখেন।
বছরের পর বছর পার হলেও চাকরি স্থায়ী না হওয়ায় ব্যাংক ঋণ, প্রভিডেন্ট ফান্ড, পেনশন, গ্র্যাচুয়াইটি, পদোন্নতি, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতার মতো মৌলিক সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এসব কর্মচারীরা। টানা দুই দশক ধরে সেবা দিয়ে আসা এক কর্মচারী আক্ষেপ করে বলেন, চাকরিতে যোগ দেওয়ার সময় অবিবাহিত ছিলাম, এখন সন্তানরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। জীবনের সবচেয়ে কর্মক্ষম সময়টা এই সিটি কর্পোরেশনকে দিয়েও নিজের ও পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে আজ অন্ধকারে আছি।
সিসিক কর্মচারীরা জানান, উচ্চ আদালতের রায়ের পরও চাকরি স্থায়ী না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি স্পষ্টতই প্রশাসনিক দুর্বলতার প্রতিফলন। ইউনিয়নের অন্যান্য নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করলেও সিইও কোনো প্রকার সহযোগিতা করছেন না। অচিরেই দাবি আদায় না হলে তারা কর্মবিরতিসহ কঠোর আন্দোলনের ডাক দেবেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিসিকের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী জানান, চাকরি স্থায়ী করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। জনবল কাঠামো অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পেলেই আদালতের রায়প্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২১শে জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৭শে মের
সিলেটের কানাইঘাট বাজারে ফার্মেসিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে সংবাদ সংগ্রহের সময় বাধার মুখে পড়েছেন স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মী। আজ গতকাল সোমবার বিকেল
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় দীর্ঘ ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে টানা সেবা দিয়ে গেলেও চাকরির স্থায়িত্ব পাননি
সিলেটের আম্বরখানা সুরমা সুপার মার্কেট ও মানি এক্সচেঞ্জ বিল্ডিং এলাকায় এক শ্রেণির সক্রিয় দালাল চক্রের অপতৎপরতা চরম রূপ ধারণ করেছে।
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল স্থলবন্দর ঘিরে মিথানল আমদানি, সীমান্তকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য, পাথর ডাম্পিং এবং কথিত সিন্ডিকেটের প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা
সিলেটের বিয়ানীবাজারের কুশিয়ারা এবং গোলাপগঞ্জ-গোবিন্দগঞ্জ সীমানাঘেঁষা সুরমা নদী থেকে ড্রেজার ও বলগেট বসিয়ে অবাধে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। দিন-রাত প্রকাশ্যে
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পাড়ুয়া এলাকায় পাথর বহনকারী ট্রাক ও ক্রাশার মিল মালিকদের রেহাই দিয়ে কেবল বৈধ ক্রেতার মালামাল আটকে
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ক্ষুদ্র ও ঋণবিষয়ক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক