admin
প্রকাশিত: 1:13 PM, October 31, 2026
স্টাফ রিপোর্টার:
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হৃদপিণ্ড হিসেবে খ্যাত আধ্যাত্মিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেট আজ এক নবজাগরণের দ্বারপ্রান্তে। হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং অর্জনের পিঠে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই অঞ্চলটিকে আধুনিক, নান্দনিক এবং স্বনির্ভর একটি মডেল নগরে রূপান্তর করার কাজ শুরু হয়েছে। সিলেট-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সিলেটে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে প্রায় ১০,০০০ কোটি টাকার এক সুবিশাল মেগা মাস্টারপ্ল্যান। স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, শিল্পায়ন, নদী রক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ বহুমুখী খাতে গ্রহণ করা এসব প্রকল্প পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হলে পুরো সিলেটের সামাজিক ও অর্থনৈতিক রূপরেখা চিরতরে বদলে যাবে।
সিলেটসহ পুরো বিভাগের চিকিৎসাসেবার মানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় অত্যাধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে স্বাস্থ্যখাতে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ ও ভৌত অবকাঠামো কাজ দ্রততম সময়ে সম্পন্ন করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা উচ্চতর গবেষণা ও বিশেষায়িত চিকিৎসার মূল কেন্দ্রে পরিণত হবে। এ অঞ্চলের প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানো এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজনের কাজ শুরু হচ্ছে। ক্যানসার, কিডনি ও হৃদরোগের মতো মরণব্যাধির চিকিৎসার জন্য সিলেটে আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসা ইউনিট গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে জটিল রোগীদের আর ঢাকা বা বিদেশমুখী হতে না হয়।
সিলেট নগরীর ধোপাদিঘীর পাড় এলাকার পুরোনো কারাগারের খালি পড়ে থাকা বিশাল পরিত্যক্ত জায়গাটিকে নাগরিক বিনোদনের প্রাণকেন্দ্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানে নির্মিত হবে একটি বিশ্বমানের ও অত্যাধুনিক বিনোদন পার্ক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ও সম্মানে পার্কটির নামকরণ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পার্কটি নির্মিত হলে যান্ত্রিক শহরের কোলাহল পেরিয়ে সিলেটবাসী একটি পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও সবুজ বিনোদনকেন্দ্র পাবে।
সিলেটকে শুধু পর্যটন নয়, বরং দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি হাব হিসেবে গড়ে তুলতে শুরু হয়েছে ব্যাপক শিল্পায়নের প্রস্তুতি। ১৮৮ একর জমির ওপর একটি নতুন ও সর্বাধুনিক বিসিক শিল্পনগরী প্রতিষ্ঠার প্রকল্প চূড়ান্ত করা হচ্ছে।
স্থানীয় কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে যুক্ত করে সিলেটের তৈরি পণ্য বিশ্ববাজারে পাঠানোর প্রক্রিয়া জোরদার করা হচ্ছে।
স্থানীয় তরুণদের আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে বিশেষায়িত আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ট্রেনিং সেন্টার এবং সিলেটের ঐতিহ্যের অংশ চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে বেশ কিছু বিশেষ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এই পুরো শিল্প উদ্যোগে সিলেট অঞ্চলে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
যোগাযোগ খাতকে টেকসই ও আধুনিক করতে ঢাকা-সিলেট সংযোগের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ সড়ক সম্প্রসারণে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বিমানবন্দর থেকে আম্বরখানা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিকে ৪-লেনে উন্নীত করা হচ্ছে, যা নগরীর প্রবেশপথের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন করবে। একইসাথে খাদিমনগরের সাহেবের বাজার থেকে কালাগুল বাজার হয়ে বাইপাস পর্যন্ত সড়কটি প্রশস্ত করার কাজ চলছে। আগামী ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বহুল কাঙ্ক্ষিত ঢাকা-সিলেট ৬-লেন মহাসড়কের সিলেট অংশের নির্মাণ কাজ শেষ করে এটি যোগাযোগের জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পুরো সিলেট বিভাগের যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের আওতায় ৫,৩২৬ কোটি টাকার একটি বিশাল পল্লী সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প একনেক অনুমোদনের জন্য চূড়ান্ত অবস্থায় রয়েছে।
সিলেট নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সুরমা, কুশিয়ারা ও চেঙ্গেরখাল নদী খননসহ প্রায় ৪,৭০০ কোটি টাকার বিশাল নদী পুনরুদ্ধার ও ড্রেনেজ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। নদীগুলো নাব্যতা ফিরে পেলে বর্ষার মৌসুমে সিলেটবাসীকে আর আকস্মিক বন্যা ও জলাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হবে না।
সিলেট মহানগর ও সদরের আপামর জনতার রায় নিয়ে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সিলেটের প্রতিটি মানুষের প্রাণের দাবিগুলোকে আন্তরিকতার সাথে প্রাধান্য দিয়েছেন। তার দূরদর্শিতা, সততা এবং সুদৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছার কারণেই একের পর এক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় গতি পেয়েছে।
১০ হাজার কোটি টাকার এসব প্রকল্প দৃশ্যমান হলে আজ যে সিলেটের স্বপ্ন দেখা হচ্ছে, তা বাস্তবায়িত হয়ে একটি নান্দনিক, স্বাবলম্বী এবং বাসযোগ্য ডিজিটাল গ্রিন সিটিতে পরিণত হবে সমগ্র সিলেট। উন্নয়নের এই সুবাতাস সিলেটের আপামর জনমানুষের জীবনে বয়ে নিয়ে আসবে সমৃদ্ধি ও অনাবিল স্বস্তি।
২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজ ৯৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ পাসের হার অর্জন করেছে। এ বছর প্রতিষ্ঠানটি
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মরহুমা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, মরহুম আরাফাত রহমান কোকার রুহের মাগফিরাত এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ৭নং মোগলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেটের সদর উপজেলার অন্তর্ভুক্ত এই ইউনিয়নটির সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বইছে
স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ড—কদমতলী, দক্ষিণ সুরমার প্রবেশদ্বার ও বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এক গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। দীর্ঘদিন
স্টাফ রিপোর্টার: উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হৃদপিণ্ড হিসেবে খ্যাত আধ্যাত্মিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেট আজ এক নবজাগরণের দ্বারপ্রান্তে। হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য
স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আগামী নেতৃত্ব ও মেয়র পদ ঘিরে জাতীয় রাজনীতি ও স্থানীয় অঙ্গনে এখন নানা সমীকরণ ও
রুবেল আহমেদ: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী গোলাপগঞ্জ উপজেলার ৩নং ফুলবাড়ী ইউনিয়ন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের
* যেভাবে গড়ে উঠল অন্ধকার সাম্রাজ্য, অন্তরালের মদদদাতা ও রমরমা নারী-মাদক বাণিজ্যের আদ্যোপান্ত, প্রভাবশালীদের ছায়াতলে চা বাগান থেকে ফাইভ স্টার