admin
প্রকাশিত: 3:18 PM, June 26, 2021

দক্ষিণ সুরমার বাস টার্মিনাল
নিজস্ব প্রতিবেদক
অদৃশ্য করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বাড়ছে প্রতিনিয়তই। এর মধ্যেও জীবন চালিয়ে নিতে ধাপে ধাপে নানা কর্মকৌশল নির্ধারণ করেন সংশ্লিষ্টরা। স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ আরোপ করা হয় নানা বিধিনিষেধ। তাতেও বছর ঘুরতেই আবারো ঊর্ধ্বমুখী করোনার সংক্রমণ।
আর এ করোনার সংক্রমণের সঙ্গে প্রথমেই বিধিনিষেধ নেমে আসে গণপরিবহন চলাচলে। গত দেড় বছরে কয়েক দফা বন্ধ করা হয় গণপরিবহন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে বেশ কিছুদিন চলাচল করলেও বর্তমানে আবারো বন্ধ রয়েছে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস।
গণপরিবহন কেন্দ্রিক বিপুল সংখ্যক চালক-শ্রমিক আবারো বেকার হয়ে পড়েছেন। টার্মিনালগুলোতে কিছু সংখ্যক শ্রমিক বাস পাহারা দিয়েই সময় কাটাচ্ছেন। আয় বন্ধ থাকায় সংসার চালানো দূরের হিসাব, প্রতিদিনকার নিজের খাওয়ার টাকাই যোগার অনিশ্চিত। বাসের চাকা ঘুরলে যাদের জীবন চলে, বাস বন্ধ থাকায় যেন তাদের জীবন চাকাই থমকে গেছে।
আজ শনিবার সকাল থেকে দক্ষিণ সুরমার বাস টার্মিনাল এলাকা ঘুরে চিরচেনা কোলাহল চোখে পড়েনি। যাত্রীদের উদ্দেশ্য করে হাঁকডাক নেই, সারি সারি থামিয়ে রাখা হয়েছে বাস। টার্মিনালের ভেতরে কিছু দোকান খোলা রয়েছে যেখানে গাড়ির শ্রমিকরা বসে আড্ডা দিয়ে সময় পার করছেন।
আড্ডার মধ্যেই তাদের কেমন আছেন প্রশ্ন করতেই ‘কাজ নাই, ইনকামও নাই। এবার বুইঝা নেন কেমন আছি’।
বাস দেখা-শোনার জন্য টার্মিনালে শুয়ে-বসেই দিন কাটছে জাহেদ। তিনি জানান, বন্ধ থাকলেও গাড়ি পাহারা দিতে কাউকে না কাউকে থাকতে হয়। গাড়ির চালক বাড়ি চলে গেছেন, মালিকরা যার যার জায়গাতেই আছেন। কিন্তু শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে গাড়ির সঙ্গেই থাকছেন।
জাহেদ বলেন, এ যে গাড়ি বন্ধ, তাই ইনকামও নাই। আমার সংসার কেমনে চলবে কেউ চিন্তা করছে? আমি না হয় খাইয়া-না খাইয়া দিন কাটায়ে দিলাম। কিন্তু বাড়িতে বাপ-মা আছে তারা কি খাইবো? এখন এমন একটা অবস্থায় আটকে আছি অন্য কোনো কাজ যে করমু তারও সুযোগ নাই।
আরেক বাস শ্রমিক সুমন মিয়া বলেন, গাড়ি পাহারা দিতাছি, মালিক ২-১শ’ কইরা টেকা দেয় মন চাইলে। ওই টেকা দিয়া তিনবেলা খাইতে পারি না। এমন দুই-এক দিন হইলে হয়, মাসের পর মাস এমনে বাইচা থাকা সম্ভব?
শ্রমিক মুন্না আহমদ বলেন, করোনায় কিছু পারুক আর না পারুক সরকার কথায় কথায় গাড়ি বন্ধ কইরা দেয়। শুনতেছি আগামী সোমবার (২৮ জুন) থেইকা ওই গাড়িও বন্ধ হইয়া যাইবো। গাড়ি বন্ধ কইরা কি করোনা আটকাইতে পারছে?
গত ঈদ গেল বইসা বইসা, আরেকটা ঈদ আইতাছে আবার ‘লকডাউন’ শুরু হইয়া গেল। আমার মতো মানুষের ঈদ না হয় না করলাম, তিনবেলা না খাইলাম। বউ-বাচ্চা নিয়া অন্তত একবেলা খাইয়া বাঁইচা থাকারই রাস্তা দেখতেছি না।
মালিক পক্ষ থেকে কোনো সহায়তা দেওয়া হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে শ্রমিকরা জানান, কিছু কিছু পরিবহনের শ্রমিককে নামমাত্র সহায়তা দিচ্ছে, তাও সেটা চাহিদার তুলনায় খুবই নগণ্য। বেশিরভাগ শ্রমিকরাই খেয়ে-না খেয়ে কোনোভাবে দিন কাটাচ্ছেন। চালকদের কেউ কেউ প্রয়োজন মেটাতে হয়তো মালবাহী যানবাহন চালাচ্ছেন, তবে প্রায় সব শ্রমিকরাই বেকার জীবন-যাপন করছেন।
করোনা পরিস্থিতির আরো অবনতি হলে বাড়ানো হবে লকডাউনও। সাত দিন বলা হলেও এটা বাড়তে বাড়তে মাসও পেরোতে পারে। এ অবস্থায় বাসচালক-শ্রমিকরা জানেন না আবার কবে গাড়ি পথে নামবে। অনিশ্চয়তাতেই আটকে রয়েছে তাদের স্বাভাবিক জীবন।
ডিএসএস/২৬ /জুন/২০২১/নুরুল
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
অসহায় ও দরিদ্রদের সহায়তায় মাসিক ভাতা চালু করেছে ‘আবদুল জব্বার জলিল কল্যাণ ট্রাস্ট’। শনিবার দুপুরে নগরের জেলরোডস্থ আনন্দ টাওয়ারে আনুষ্ঠানিকভাবে
অক্টোবর সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে লায়ন্স ক্লাব অব সিলেট হলি সিটির উদ্যোগে নগরীর কুশিঘাট এলাকার ‘ইমুর ইশকুল’-এর শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষাসামগ্রী ও
সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র হাজী আব্দুল কাইয়ুম জালালি পংকি
প্রতিবছরের ন্যায় এবারও শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাশ্বত ৯২ বন্ধু ফোরামের উদ্যোগে পাত্র সম্প্রদায়ের মাঝে ১ টাকায় পূজার বাজার ও ক্ষুদে
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সহনীয় মূল্য নির্ধারণ, ফ্যাসিবাদের নির্মূল এবং সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে জমিয়তে
সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠন (জিশিস) এর কেন্দ্রীয় সহ
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস সিলেট মহানগর, জেলা ও শাবিপ্রবি’র যৌথ উদ্যোগে সহযোগী সদস্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ৯ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১০টায়