admin
প্রকাশিত: 1:03 PM, December 2, 2020
জগন্নাথপুর প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের সালদিগা গ্রামে মুক্তিযোদ্ধের সময় শহিদ হওয়া পরিবারের সদস্য প্রায় ৫০ বছরের সরকারী সাহায্য পায় নাই। পাকহানাদার বাহিনির হাতে নিহত হওয়া স্বামী স্মৃতি নিয়ে ১১৫ বছর ধরে কষ্টে দিনপাত করছেন করফুল নেছা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের সালদিগা গ্রামে ১৯৭১ সালে ২ সেপ্টেম্বর স্থানীয় মুক্তিবাহিনির সাথে পাকহানাদার বাহিনির সালদিগা পশ্চিমপাঁড়া মুখোমুখি যুদ্ধ হয়। পাক হানাদার বাহিরি আক্রমনে মুক্তিযোদ্ধারা কৌশলে পিছু হটলেও মুক্তি বাহিনিকে না পেয়ে স্থানীয় সালদিগা গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দেওয়ায় হাজী কলমদর মিয়ার বাড়িতে গোয়াসপুর হতে মিশিনগান দ্বারা গুলি বর্ষন করে এতে কলমদর মিয়া বড় ভাই শহীদ উসমান উল্লা তিনির চাচা মনোহর উল্লা হাকহানাদারের গুলিতে মৃত্যু বরণ করেন। যুদ্ধকালিন সময়ে গোপরাপুর স্কুলে মুক্তিবাহিনির ক্যাম্প ছিল। মুক্তিবাহিরির আঞ্চলিক দায়িত্বে থাকা আব্দুল নুর মাস্টার স্বাধীনতা পক্ষে শক্তি হওয়ায় কলমদর মিয়ার বাড়িতে এসে মুক্তিবাহিনিদের নিয়ে প্রায় সময় খাওয়া দাওয়া করতেন। কলমদর মিয়া ভাগনা ফারুক মিয়া মুক্তিযোদ্ধে ছিলেন বিধায় তাহাদের প্রতি পাক বাহিনির আক্রশ ছিল। তাদের বাড়িতে হামলা চালায় পাক হানাদার বাহিনি, তাদের গুলিতে উসমান উল্লাহ ও মনহর উল্লাহ শহিদ হন। বেঁচে যান তার ছোট হাজী কলমদর মিয়া। পরে পাক হানাদার বাহিনি চলে গেলে শহিদ উসমান উল্লাহ ও শহিদ মনহর উল্লাকে গ্রামে দাপন করা হয়। প্রায় ৫০ বছর হয়ে যাচ্ছে এখনো স্মৃতি বিজড়িত স্থানে বসবাস করছেন তাঁর স্ত্রী করফুল নেছা, স্বামী পরিত্যেক্ত অসহায় মেয়ে গুলনেহার বেগম ও শহিদ মনফর উল্লাহ একমাত্র নাতিন পারভিন বেগম। প্রত্যেক দিন স্মৃতি বলে যান সবার কাছে কিন্তু এই অসহায় পরিবারের দিকে কেউ থাকায় না।
শহিদ ওসমান উল্লাহ স্ত্রী করফুল নেছা জানান, বাবারে দেশ স্বাধীন করতে মুক্তি বাহিনি আমাদের বাড়িতে এসেছিল আমরা তাদের আশ্রয় দান করায় আমার স্বামীকে তারা গুলি হত্যা করে। আমার ২ ছেলে ও ৪ মেয়ে নিয়ে অসহায় অবস্থায় দিনপাত করতেছি। আজ আমি বড় অসহায় বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধের সহ পক্ষে থাকার পরও এখনো আমাদের পরিবারের দিকে কেউ নজর দেওয়া। বতর্মান সরকারের মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী সহ জননেত্রী বঙ্গবন্ধু কণ্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা গোয়াসপুর গ্রামের বাসিন্দা শ্রী কৃষ্ণ জানান, সেই সময়ে গোপরাপুর স্কুলে মুক্তিবাহিরি ক্যাম্প আমিও ছিলাম। গোপরাপুরের পাশে সালদিগা গ্রাম থাকায় স্বাধীনতা পক্ষে কাজ করায় ও মুক্তিবাহিনিদের আশ্রয় দেওয়া তাদের উপর হামলা চালানো হয়। আজ করফুল নেছা পরিবার অসহায় তাদের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া সরকার সহ সকলের প্রতি আহবান জানান।##
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ক্ষুদ্র ও ঋণবিষয়ক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক
স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন
সিলেটের দক্ষিণ সুরমা সুইপার কলোনির প্রবেশমুখে অবস্থিত ‘খান বোর্ডিং’ নামক একটি আবাসিক হোটেল মাদকসেবী ও অপরাধীদের প্রধান ও নিরাপদ আশ্রয়ে
দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, এরশাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে রাজপথের প্রতিটি লড়াই-সংগ্রামের পরীক্ষিত সৈনিক এবং তৃণমূলের সুসংগঠিত সংগঠক
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় দীর্ঘ ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে টানা সেবা দিয়ে গেলেও চাকরির স্থায়িত্ব পাননি
সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) সংসদীয় আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এখন তৃণমূল নেতাকর্মীদের
আসন্ন উছমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন সিলেট জেলা যুবদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. রেদওয়ান
ফ্রান্সে বসবাসরত সিলেট বিভাগের প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং তাদের অধিকার ও ন্যায্য দাবি-দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে ‘সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদ ফ্রান্স