editor
প্রকাশিত: 7:44 PM, October 27, 2020
নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেট বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আকবরকে পালাতে সহায়তা করেন একই ফাঁড়ির টু-আইসি হাসান। এছাড়া সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) একাধিক কর্মকর্তার গাফিলতিও এজন্য দায়ী বলে প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ সদর দফতরের তদন্ত কমিটি।
তিনি বলেন, প্রতিবেদন কি আছে ঠিক এই মুহূর্তে বলতে পারব না। তবে তদন্ত কমিটির মত অনুযায়ী কারও দায় থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সিলেট বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবরকে ১২ অক্টোবর বরখাস্ত করা হয়। এরপর থেকেই সে পলাতক। এ ঘটনায় ৬ পুলিশ সদস্যকে নিরাপত্তা হেফাজতে নিলেও আকবরকে নেয়া হয়নি। কেন তাকে নেয়া হয়নি, কে তাকে পালানোর সুযোগ দিয়েছে তা চিহ্নিত করতে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে পুলিশ সদর দফতর।
হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি (ক্রাইম অ্যানালাইসিস) মোহাম্মদ আয়ুবকে প্রধান করে গঠিত কমিটির সদস্যরা ছিলেন- সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুল আলম, এসএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. মুনাদির ইসলাম চৌধুরী।
সূত্র জানায়, তদন্তে বেরিয়ে এসেছে আকবরকে পালাতে সরাসরি সহায়তা করেছেন বন্দর বাজার ফাঁড়ির টু-আইসি এসআই হাসান। ১২ অক্টোবর বিকাল ৪টার দিকে কোনো এক গোয়েন্দা সংস্থা থেকে এসএমপির সিটি এসবির এক সদস্যের কাছে জানতে চায় আকবরকে কখন গ্রেফতার করে রিজার্ভ অফিসে আনা হবে। এটা শোনার পরই সেই সদস্য ফোন করে এসআই হাসানকে।
হাসান সেই তথ্য আকবরকে সরবরাহ করে। ৩টা ৫৬ মিনিটে বন্দর ফাঁড়িতে হাসানের কাছে অস্ত্র, ওয়্যারলেস সেট ও মোবাইল সিম হস্তান্তর করে আকবর বেরিয়ে যায়। কিন্তু হাসান বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তাদের জানান সন্ধ্যা ৬টার দিকে।
এছাড়া এসআই হাসান যে বন্দর ফাঁড়ির সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক পাল্টানোর সঙ্গে জড়িত ছিল তা এসএমপির তদন্ত প্রতিবেদনে বেরিয়ে এসেছে। তবে পুলিশ সদর দফতরের তদন্ত কমিটি সিলেটে যাওয়ার আগে তার বিরুদ্ধেও কোনো ব্যবস্থা কেন নেয়া হয়নি। এ বিষয়টিকেও তদন্তে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হয়েছে বলে পুলিশ সদর দফতরের সূত্রটি জানায়।
পুলিশ সদরে দফতরের সূত্রটি জানায়, এর আগে তদন্তেও প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত এসআই আকবর নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত। এরপরও কেন তাকে পুলিশ লাইনে হেফাজতে নেয়া হয়নি এ বিষয়টি তদন্তের মূল ইস্যু ছিল। তাকে বরখাস্তের নির্দেশনার সঙ্গে কেন হেফাজতে নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়নি। পালিয়ে যাওয়ার আগে আকবর বন্দরবাজার ফাঁড়িতেই ছিল। কেন তার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়নি। এসব সিদ্ধান্ত নিতে যারা গড়িমসি করেছেন তাদেরকেই দায়ী করা হয়েছে।
এছাড়া মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বাতেন কেন আকবরকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক রাখেননি সে বিষয়েও প্রশ্ন আছে।
৫ নভেম্বরের মধ্যে আকবরকে গ্রেফতার না করলে কঠোর কর্মসূচি : আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে রায়হান হত্যার মূল আসামি এসআই আকবরকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন সিলেট জেলা ও মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নেতারা। অন্যথায় সিলেটবাসীসহ সারা দেশের মানুষকে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
মঙ্গলবার বিবৃতিতে নেতারা বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব যাদের, তারাই আইন লঙ্ঘন করে চলছে। আমরা জনগণের টাকায় বেতন দিয়ে কোনো খুনি পুলিশ পালতে চাই না। দুর্নীতিবাজ খুনি এসআই আকবর ও অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তারা বলেন, কিছু পুলিশ একের পর এক অপকর্ম করে চলছে।
বিনা বিচারে হত্যা, সাধারণ মানুষকে হয়রানি, মাদক ও অস্ত্র দিয়ে নিরীহ মানুষকে ফাঁসানো, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে পুলিশের বিরুদ্ধে। রায়হান হত্যার মূল আসামি এসআই আকবরকে দ্রুত গ্রেফতার না করা হলে লাগাতার কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন ব্যবসায়ী নেতারা।
বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান বলেছেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সুরক্ষায়
সিলেটের অভিজাতদের ক্লাব খ্যাত সিলেট স্টেশন ক্লাব ১৪০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে বন্দরবাজারে। পাশেই জেলা পরিষদ। একটু ঘুরলেই জেলা প্রশাসকের
সিলেটে সরকারি ও বেসরকারি এলপিজি গ্যাস নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি অসাধু সিন্ডিকেট। তাদের কারসাজিতে চরম ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির
২৫% কমিশন, জালিয়াতি ও দখলদারিত্বের অভিযোগ আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাকালিন সময় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের ক্ষমতার দাপট
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে আধ্যাত্মিক ও প্রবাসী অধ্যুষিত এই নগরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, দ্রুত বদলাতে শুরু
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগ। দলের রাজনীতিতে সক্রিয়তা ধরে রাখতে ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের মাঝে চাঙ্গা
যুব সমাজকে মোবাইল আসক্তি ও মাদকের কুফল থেকে দূরে সরিয়ে খেলাধুলায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার পারাইরচক এলাকায় যাত্রা
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আব্দুস সালামের নির্দেশনায় সিলেট মহানগরীতে ৫ দিনব্যাপী সুস্বাস্থ্য সেবামূলক কার্যক্রমের ৪র্থ দিন সম্পন্ন