editor
প্রকাশিত: 12:28 AM, November 22, 2020
নিজাম উদ্দিন টিপু
করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে দীর্ঘদিন ধরে স্কুল কলেজ বন্ধ রয়েছে। ফলে বেশির ভাগ সময় শিক্ষার্থীরা ফেসবুকে শেয়ারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের গেমস খেলে সময় কাটাচ্ছে। অন্য দিকে অনলাইনে স্কুল কলেজের ভিডিও ক্লাস করার প্রয়োজনে অভিভাবকরা কিনে দিচ্ছে টাচ ফোন। শিক্ষার্থীরা ক্লাসের চেয়ে সময় দিচ্ছে মোবাইল ফোনের ভিডিও গেমসে। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, অভিভাবকরা বলছেন, ভিডিও গেমসে আসক্ত ছেলেদের ভবিষ্যৎ কী হবে?।
নগরীর একাধিক সচেতন ব্যক্তি জানান, উঠতি বয়সী শিক্ষার্থী ও তরুণরা নেশার মতো মোবাইল গেমসের আসক্ত হয়ে পড়ছে। যে সময় তাদের ব্যস্ত থাকার কথা পড়ালেখা ও খেলার মাঠে ক্রীড়া চর্চার মধ্যে সেখানে তারা মোবাইল গেমসে আসক্ত হচ্ছে।
ফ্রি-ফায়ার গেমসে অনুরাগী ফাহিম জানায়, বন্ধুদের দেখাদেখি খেলতে গিয়ে এখন সে আসক্ত হয়ে গেছে। এখন খেলা ছেড়ে দেওয়া তার কাছে অসম্ভব বলে মনে হয়।
কলেজ শিক্ষার্থী মাসুম জানায়, ফ্রি-ফায়ার গেমস তার নেশার মতো। মাঝে মধ্যে নেট সমস্যায় এ গেমস খেলতে না পারলে মুঠোফোন ভেঙে ফেলার ইচ্ছা হয়।
একজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক নজরুল ইসলাম বাবুল বলেন, এই গেমস গুলো বাংলাদেশ থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হোক। পড়াশোনা তেমন না থাকায় গেমসে সারাক্ষণ ছেলেরা ব্যস্ত থাকে।
সিলেট এমসি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক তারেক আহমদ বলেন, যে গেমসে শিক্ষার্থীরা নেশার মতো আসক্ত হচ্ছে এই গেমস বন্ধ করে দেওয়া হোক।
সৈয়দ হামিত আলী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এলাইছ মিয়া জানান, দীর্ঘদিন স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় গেমসে আসক্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এই বদঅভ্যাসে মারাত্মক ক্ষতি হবে। সব শিক্ষার্থীদের এ গেমস থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
মদনমোহন কলেজের অধ্যক্ষ সর্ব্বাণী অর্জুণ বলেন, বর্তমানে এই ফ্রি-ফায়ার গেমস ছাড়া ও ইন্টারনেটে বিভিন্ন জিনিস নিয়ে শিক্ষার্থীরা সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকে। শিক্ষর্থীদের জন্য এটা মারাত্মক ক্ষতি করছে। তবে পরিবারের অভিভাবকদের উচিত এ গেমস থেকে শিক্ষার্থীদের দূরে রাখা। এবং অভিভাবকদের তাদের শিশুদের ওপর নজর রাখতে হবে যে ক্লাসের বাইরে যেন তারা অতিরিক্ত সময় মোবাইলে সময় না কাটায়। কারণ এখন এটা তাদের দায়িত্বর মধ্যে পড়ে।
এ ব্যাপারে সিলেট মনরোগ হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ডা. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সাঈদ বলেন, খেলার মাঠ কমে যাওয়া ও প্রযুক্তির উৎকর্ষতার সঙ্গে সঙ্গে একটি সমস্যাও সৃষ্টি হয়েছে, তা হলো ভিডিও গেমের নেশা। আজকাল শিশুরা কম্পিউটারে বা প্লে স্টেশনে গেম খেলতে পছন্দ করে। আমরা বড়রাও তাদের আদর করে গেমের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনে দিই। গেমের মাধ্যমে শিশুরা অনেক কিছু শিখতেও পারে আবার এই গেম যদি নেশার পর্যায়ে পড়ে তখন শিশুটির শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও লেখাপড়ার দিক থেকে ক্ষতিও হয়। তাই অভিভাবকদের লক্ষ্য রাখতে হবে শিশুর গেমটি যেন নেশার পর্যায়ে না পড়ে।
বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান বলেছেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সুরক্ষায়
সিলেটের অভিজাতদের ক্লাব খ্যাত সিলেট স্টেশন ক্লাব ১৪০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে বন্দরবাজারে। পাশেই জেলা পরিষদ। একটু ঘুরলেই জেলা প্রশাসকের
সিলেটে সরকারি ও বেসরকারি এলপিজি গ্যাস নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি অসাধু সিন্ডিকেট। তাদের কারসাজিতে চরম ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির
২৫% কমিশন, জালিয়াতি ও দখলদারিত্বের অভিযোগ আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাকালিন সময় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের ক্ষমতার দাপট
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে আধ্যাত্মিক ও প্রবাসী অধ্যুষিত এই নগরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, দ্রুত বদলাতে শুরু
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগ। দলের রাজনীতিতে সক্রিয়তা ধরে রাখতে ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের মাঝে চাঙ্গা
যুব সমাজকে মোবাইল আসক্তি ও মাদকের কুফল থেকে দূরে সরিয়ে খেলাধুলায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার পারাইরচক এলাকায় যাত্রা
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আব্দুস সালামের নির্দেশনায় সিলেট মহানগরীতে ৫ দিনব্যাপী সুস্বাস্থ্য সেবামূলক কার্যক্রমের ৪র্থ দিন সম্পন্ন