editor
প্রকাশিত: 11:41 AM, October 1, 2026
রাজনৈতিক রাজপথ কখনোই মসৃণ ছিল না তাঁর জন্য। মামলা, হামলা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আর বারবার কারাবাসÑএসব প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রতিটি ধাপে নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি। বলছিলাম সিলেট জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জুবের আহমদের কথা। বিগত ফ্যাসিবাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বছরের পর বছর আন্দোলনের মাঠে যিনি ছিলেন এক অকুতোভয় মুখ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নেতাকর্মীদের মতে, নেতৃত্ব কখনো হঠাৎ করে আসে না; ত্যাগ, আনুগত্য ও সততার নিরিখে তা অর্জিত হয়। জুবের আহমদের ক্ষেত্রেও ঘটেছে সেটিই। ২০২৩ সালের ১১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান ও সাধারণ সম্পাদক সাঈফ মাহমুদ জুয়েলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে তাঁকে সিলেট জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির গুরুদায়িত্ব অর্পণ করা হয়। কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানার পর সিলেটের তৃণমূল ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটে। তৃণমূলের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও ত্যাগের মূল্যায়নের প্রতীক হিসেবে দেখা হয় তাঁর এই দায়িত্বপ্রাপ্তিকে।
বিগত সরকারের আমলে বিরোধী রাজনীতির পতাকা তুলে ধরা যেখানে ছিল চরম ঝুঁকিপূর্ণ, সেখানে জুবের আহমদ ছিলেন রাজপথের প্রথম সারিতে। আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক রাজনৈতিক ও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। রাজপথের এই আন্দোলনকারীকে দমাতে একাধিকবার কারাগারে পাঠায় তৎকালীন প্রশাসন। তবে কারাগারের রুদ্ধদ্বার কিংবা প্রশাসনিক হুলিয়া তাঁর রাজনৈতিক মনোবল সামান্যতম দমাতে পারেনি; বরং প্রতিবার মুক্তির পর দ্বিগুণ উদ্যামে যুক্ত হয়েছেন সংগঠন পুনর্গঠনে ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানে সিলেট জেলা ছাত্রদলকে সুসংগঠিত রাখতে জুবের আহমদ যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা নেতাকর্মীদের মুখে মুখে। বিশেষ করে ৫ আগস্টের চূড়ান্ত বিজয়ের পূর্বে সার্বিক পরিস্থিতি যখন অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, তখন শাসকগোষ্ঠীর চরম দমন-পীড়নে নিজ বাড়িতে অবস্থান করা তাঁর পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।
নিরাপত্তার স্বার্থে নিজের বাড়িতে থাকার সুযোগ না থাকলেও তিনি মাঠ ছেড়ে যাননি। গ্রেপ্তার এড়াতে রাতের পর রাত সিলেটের এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। তবে একা ছিলেন নাÑছাত্রদলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত রেখে বিভিন্ন গোপন আশ্রয়ে দলবদ্ধভাবে অবস্থান করেছেন এবং দিকনির্দেশনা ও সাহস জুগিয়েছেন। চরম প্রতিকূল পরিবেশেও কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রেখে সিলেটের রাজপথে ছাত্রদলের শক্তিশালী উপস্থিতি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাঁর এই কৌশলগত নেতৃত্ব অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাধারণ কর্মী ও সমর্থকদের কাছে জুবের আহমদ কেবল একজন শীর্ষ নেতাই নন, তিনি রাজপথের একজন সহযোদ্ধা। আন্দোলন-সংগ্রামের উত্তাল দিনগুলোতে কর্মীদের পাশে থেকে যেভাবে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন, তা তাঁকে পৌঁছে দিয়েছে তৃণমূলের হৃদয়ে।
স্বার্থের হিসাব না কষে দলের সংকটকালে ঢাল হয়ে দাঁড়ানো এই নেতা প্রমাণ করেছেন, রাজনৈতিক আদর্শ ও সংগঠনের প্রতি গভীর ভালোবাসা থাকলে যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি অতিক্রম করা সম্ভব। একদফা আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত নতুন প্রেক্ষাপটে সিলেটে এক সুসংগঠিত, আদর্শিক ও সুশৃঙ্খল দল গড়ে তুলতে এখনো নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন জুবের আহমদ।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত দিনের দীর্ঘ ত্যাগ, নির্যাতন ও রাজপথের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে আসন্ন সিলেট স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটিতে জুবের আহমদকে যথাযোগ্য মূল্যায়ন করা হোক। ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বকে শীর্ষ দায়িত্বে রাখা হলে সিলেটে সংগঠন আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে বলে সাধারণ নেতাকর্মীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান বলেছেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সুরক্ষায়
সিলেটের অভিজাতদের ক্লাব খ্যাত সিলেট স্টেশন ক্লাব ১৪০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে বন্দরবাজারে। পাশেই জেলা পরিষদ। একটু ঘুরলেই জেলা প্রশাসকের
সিলেটে সরকারি ও বেসরকারি এলপিজি গ্যাস নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি অসাধু সিন্ডিকেট। তাদের কারসাজিতে চরম ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির
২৫% কমিশন, জালিয়াতি ও দখলদারিত্বের অভিযোগ আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাকালিন সময় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের ক্ষমতার দাপট
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে আধ্যাত্মিক ও প্রবাসী অধ্যুষিত এই নগরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, দ্রুত বদলাতে শুরু
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগ। দলের রাজনীতিতে সক্রিয়তা ধরে রাখতে ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের মাঝে চাঙ্গা
যুব সমাজকে মোবাইল আসক্তি ও মাদকের কুফল থেকে দূরে সরিয়ে খেলাধুলায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার পারাইরচক এলাকায় যাত্রা
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আব্দুস সালামের নির্দেশনায় সিলেট মহানগরীতে ৫ দিনব্যাপী সুস্বাস্থ্য সেবামূলক কার্যক্রমের ৪র্থ দিন সম্পন্ন