editor
প্রকাশিত: 11:56 AM, November 5, 2026
সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) এবং সিলেট ক্রীড়াঙ্গনের নিয়ন্ত্রণ নতুন এক সমীকরণে গড়িয়েছে। ক্ষমতার পালাবদলে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের প্রভাবশালী দুই নেতা যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী এবং সাবেক এমপি শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল দৃশ্যপট থেকে সরে গেলেও, তাদের অনুসারী ও নিয়োগপ্রাপ্ত লোকজন দিয়েই এখন সবকিছু চালাচ্ছেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি, সিসিক প্রশাসক এবং বিসিবি পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। প্রশাসনিক দায়িত্ব ও ক্রীড়াঙ্গনে তার এই কৌশলগত অবস্থান এবং টেস্ট ম্যাচের মিডিয়া কার্ড বিতরণ নিয়ে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মী ও সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সিসিক প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর কাইয়ুম চৌধুরী আওয়ামী আমলের আনোয়ারুজ্জামানের লোকদের দিয়েই সিটির কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। নিজের দলের নেতাকর্মীদের উন্নয়ন কর্মকা- থেকে দূরে রাখতে তিনি বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছেন। দলীয় কেউ দেখা করতে গেলে তাকে বলা হয়, তুমি দলের লোক, কাজ এমনিতেই হয়ে যাবে; দেখা করার প্রয়োজন নেই। এ ধরনের আচরণে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে।
একই চিত্র ক্রীড়াঙ্গনেও। নাদেলের অনুসারী ও তার আমলের কর্মীদের দিয়েই কাইয়ুম চৌধুরী ক্রীড়াঙ্গন চালাচ্ছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক বোদ্ধাদের মতে, আনোয়ার ও নাদেলের লোকজনই এখন কাইয়ুম চৌধুরীর প্রধান আস্থাভাজন।
এদিকে সিলেটে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচ কাভার করতে সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বা মিডিয়া কার্ড বিতরণ প্রক্রিয়া নিয়েও চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিসিবির মিডিয়া বিভাগ থেকে সরাসরি আবেদন না নিয়ে, কাইয়ুম চৌধুরীর মাধ্যমে সিলেটের চারটি প্রধান সাংবাদিক ক্লাবে মাত্র ১০টি করে মোট ৪০টি আবেদন ফরম পাঠানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিসিবি পরিচালক কাইয়ুম চৌধুরীর মাধ্যমে এই সীমিত ফরম পাঠানোর ফলে স্থানীয় ক্লাবগুলো চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে। একটি ক্লাবের অধীনে যেখানে ৪৪টি এবং অন্যটিতে ৬৯টি গণমাধ্যম হাউস যুক্ত রয়েছে, সেখানে মাত্র ১০টি করে ফরম দেওয়ায় সিংহভাগ পেশাদার সাংবাদিক আবেদন করার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাকে ১০টি ফরম দেওয়া হয়েছে। এত গণমাধ্যমের মধ্যে কাকে দেব আর কাকে বাদ দেব, তা নিয়ে আমি চরম বিব্রত। উন্মুক্ত আবেদন গ্রহণ করে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে কার্ড দেওয়া উচিত ছিল।
বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ম্যাচের মিডিয়া কার্ড ইস্যু করার সম্পূর্ণ এখতিয়ার ‘মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স কমিটি’র। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে স্থানীয় সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও বিসিবি পরিচালকের মাধ্যমে সীমিত সংখ্যক ফরম বিতরণের সিদ্ধান্তকে অপেশাদার বলছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা। ক্রীড়া সাংবাদিক ইহাইয়া ফজল জানান, বিসিবির উচিত ছিল অনলাইনে সরাসরি উন্মুক্ত আবেদন আহ্বান করা, যেখানে পরিচয়পত্র দেখে কার্ড বরাদ্দ দেওয়া যেত।
যদিও বিসিবির মিডিয়া বিভাগের সহকারী ম্যানেজার আকবর হোসেন ভূঁইয়া রিমন দাবি করেছেন, সিলেট স্টেডিয়ামের প্রেসবক্সে ১০০ জনের ধারণক্ষমতা বিবেচনা করেই পরিচালকের মাধ্যমে প্রতি ক্লাবে ১০টি করে আবেদনপত্র বণ্টন করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে, সাবেক মেয়র আনোয়ার ও সাবেক এমপি নাদেলের বলয়কে সঙ্গে নিয়ে কাইয়ুম চৌধুরীর এমন একচ্ছত্র সিদ্ধান্ত এবং মিডিয়া কার্ড নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় সিলেটের সচেতন মহল ও সাংবাদিক সমাজে অসিন্তোষ দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে।
আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে সিলেট জেলা যুবদলের উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি একটি মহল সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নির্বাহী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্য্য রাকুর ব্যক্তিগত ও পেশাগত সম্মান ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় সম্পূর্ণ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল সিলেট মহানগর শাখার অন্তর্ভুক্ত তাঁতীদল কোতোয়ালী থানা শাখার ১০৩ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি ৩ (তিন) মাসের জন্য
সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছাবেদ আলী ও এসআই শংকর চন্দ্র দেবের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি, নিরীহ মানুষকে
সিলেটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা ও হত্যাচেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি কালা মিয়া প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও দীর্ঘ ২ বছরেও তাকে গ্রেপ্তার
স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি ও পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন উন্নত দেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে আন্তর্জাতিক মানবপাচার ও কোটি কোটি টাকার প্রতারণার জাল
সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) এবং সিলেট ক্রীড়াঙ্গনের নিয়ন্ত্রণ নতুন এক সমীকরণে গড়িয়েছে। ক্ষমতার পালাবদলে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের প্রভাবশালী দুই
সিলেটে বসবাসরত মৌলভীবাজার জেলাবাসীদের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন ‘মৌলভীবাজার সমিতি, সিলেট’-এর উদ্যোগে ২০২৬ সালে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের