admin

প্রকাশিত: 8:08 PM, December 15, 2020

ধর্মের নামে বিভেদ-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেব না

ধর্মের নামে বিভেদ-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেব না

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৭১’র পরাজিত শক্তির একটি অংশ মিথ্যা, বানোয়াট, মনগড়া বক্তব্য দিয়ে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বিভ্রান্ত করতে ইদানিং মাঠে নেমেছে। সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে। জাতির পিতা ১৯৭২ সালে বলেছিলেন ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার না করতে। কিন্তু পরাজিত শক্তির দোসররা দেশকে আবার ৫০ বছর আগের অবস্থায় ফিরে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। রাজনৈতিক মদতে সরকারকে ভ্রুকুটি দেখানোর পর্যন্ত ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে। তিনি বলেন, এ দেশে ধর্মের নামে আমরা কোন ধরনের বিভেদ-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেব না। ধর্মীয় মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে এ দেশের মানুষ প্রগতি, অগ্রগতি এবং উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এ বছর আমাদের বিজয় দিবস উদ্যাপন করতে হচ্ছে। করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে আমাদের দৈনন্দিন কার্যপ্রণালীতে পরিবর্তন আনতে হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে, জনসমাগম এড়িয়ে আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় কাজকর্ম সম্পন্ন করতে হচ্ছে। প্রতিটি মানুষের জীবনই মহা মূল্যবান। কোন অবহেলায় একজন মানুষেরও মৃত্যু কাম্য নয়। তাই, আমি সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিজয় দিবস উদ্যাপনসহ যাবতীয় কাজকর্ম সম্পন্ন করার অনুরোধ জানাচ্ছি। আপনারা ঘর থেকে বের হওয়ার সময় অবশ্যই মাস্ক পরিধান করবেন এবং মাঝেমধ্যে হাত সাবান অথবা স্যানিটাইজার দিয়ে পরিস্কার করবেন। আপনার সুরক্ষা, সকলের জন্য রক্ষাকবচ।

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বছরটি শুধু আমাদের জন্যই নয়, বিশ্ববাসীর জন্য এক দুর্যোগময় বছর। করোনাভাইরাসের মহামারি স্বাস্থ্য-ব্যবস্থার পাশাপাশি অর্থনীতির উপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিশ্ব অর্থনীতি এক কঠিন সময় অতিক্রম করছে। করোনাভাইরাসের মহামারির ফলে অনেক উন্নত এবং উদীয়মান অর্থনীতির দেশ ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশে আমরা সময়োচিত পদক্ষেপ এবং কর্মসূচি গ্রহণ করে এই নেতিবাচক অভিঘাত কিছুটা হলেও সামাল দিতে সক্ষম হয়েছি। আমরা প্রায় ১ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি যা জিডিপি’র ৪.৩ শতাংশ। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় ২.৫ কোটি প্রান্তিক মানুষকে নগদসহ নানা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ধাক্কা সামলিয়ে আমাদের প্রবাসী আয়, কৃষি উৎপাদন এবং রপ্তানি বাণিজ্য ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। গত অর্থবছরে ৫.২৪ শতাংশ হারে আমাদের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রক্ষেপণ বলছে ২০২০ সালে বাংলাদেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধি হবে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ।

উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সরকারের সফলতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের বৃহৎ প্রকল্পগুলোর কাজ পূর্ণ গতিতে এগিয়ে চলছে। আমাদের স্বপ্নের ও গর্বের পদ্মাসেতুর সবগুলো স্প্যান বসানো শেষ। ঢাকায় মেট্রোরেলের কাজ আবার পুর্ণদ্দোমে শুরু হয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ এই মহামারিতে একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি। কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং চট্টগ্রামের কর্ণফুলির নদীর তলদেশে ট্যানেল নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের মহাসড়কগুলো চার-লেনে উন্নয়নের কাজও পুরোদমে এগিয়ে চলছে।

দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে জাতির পিতা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা শুধু একজন খাঁটি মুসলমানই ছিলেন না, তিনি ধর্মীয় আচারাদি নিষ্ঠার সঙ্গে প্রতিপালন করতেন। তাঁর মতো আর কে বাংলার মানুষের মন-মনন-আকাঙ্ক্ষা বুঝতে পারতো! তাই তিনি যখন সংবিধান রচনা করেন, তখন মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র – এই চারটি মৌলিক বিষয়কে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, দুঃখের বিষয় ৭৫-পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের আদর্শবিরোধী সরকারগুলো মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত মূল্যবোধগুলোকে জলাঞ্জলি দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় নিজেদের আসন চিরস্থায়ী করার পদক্ষেপ করে। সামরিক জান্তা সঙ্গীনের খোঁচায় সংবিধানকে ক্ষতবিক্ষত করে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ধারাবাহিক অপপ্রচার চালিয়ে, ইতিহাস বিকৃত করে আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে কালিমা লেপনের চেষ্টা করে।

তিনি আরও বলেন, ধর্ম নিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী জাতির পিতা ইসলাম ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষা এবং প্রসারে যা করেছেন, ইসলামের নামে মুখোশধারী সরকারগুলো তা কখনই করেনি। আইন করে মদ-জুয়া-ঘোড়দৌঁড় নিষিদ্ধ করা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা, মাদ্রাসা বোর্ড স্থাপন, ওআইসি’র সদস্যপদ অর্জনের মত কাজগুলো বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই বাস্তবায়িত হয়েছিল স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী-শক্তির মদতদাতা জিয়াউর রহমানের সব ধরনের বাধা উপেক্ষা করে বাংলার মানুষের এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে  ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে এসে আমি দলের দায়িত্ব গ্রহণ করি। পিতার আদর্শকে ধারণ করে বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর ব্রত নিয়ে কাজ শুরু করি।

ইসলাম ও ইসলামী শিক্ষার প্রসারে আওয়ামী লীগ সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ, ধর্মান্ধ নয়। ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার করবেন না। প্রত্যেককে নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার রাখেন। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান – সকল ধর্মের-বর্ণের মানুষের রক্তের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে।

এ বাংলাদেশ লালন শাহ, রবীন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল, জীবনানন্দের বাংলাদেশ। এ বাংলাদেশ শাহজালাল, শাহ পরান, শাহ মকদুম, খানজাহান আলীর বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশ শেখ মুজিবের বাংলাদেশ; সাড়ে ষোল কোটি বাঙালির বাংলাদেশ। এ দেশ সকলের। এ দেশে ধর্মের নামে আমরা কোন ধরনের বিভেদ-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে আমরা দিব না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলতি বছর আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানমালা উদ্যাপন করছি। যদিও করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের কর্মসূচিতে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হয়েছে। আগামি বছর আমাদের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি। করেনাভাইরাসের এই মহামারি না থাকলে আমরা যথাযথ উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব উদযাপন করবো, ইনশাআল্লাহ। একইসঙ্গে চলবে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানমালা।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু বলতেন ভিক্ষুক জাতিকে কেউ সম্মান করে না। আমরা বাংলাদেশের সেই দুর্নাম ঘুচিয়েছি। আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশ আজ একটি সমীহের নাম। আজকের বাংলাদেশ আর অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর বাংলাদেশ নয়। আজকের বাংলাদেশ স্বাবলম্বী বাংলাদেশ। একটা সময় ছিল আমাদের উন্নয়ন বাজেটের সিংহভাগ আসতো বিদেশি অনুদান থেকে। আজ বাজেটের ৯৭ ভাগ মেটানো হয় নিজস্ব অর্থায়নে। বাংলাদেশ কারও দয়া বা করুণার উপর নির্ভরশীল নয়। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে সামিল হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছি। জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার। আমরা তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে। উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে। তবেই ২০৪১ সালের মধ্যে আমাদের উন্নত, সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে।

Sharing is caring!


আর্কাইভ

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031  

আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

এক্সেলসিওর দখলচেষ্টায় ‘শহীদ বাহিনী’কে শেল্টার ও কলকাঠি নাড়ার অভিযোগ বদরুল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

এক্সেলসিওর দখলচেষ্টায় ‘শহীদ বাহিনী’কে শেল্টার ও কলকাঠি নাড়ার অভিযোগ বদরুল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

খাদিমপাড়া এক্সেলসিওর সিলেটের মালিকানা ও পরিচালনা নিয়ে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের জেরে দফায় দফায় সংঘাত-সংঘর্ষের নেপথ্যে ইন্ধন ও সহায়তার অভিযোগ উঠেছে খাদিমপাড়া

সিলেটে স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লড়াকু সংগঠক আয়াত আলী প্রিন্স

সিলেটে স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লড়াকু সংগঠক আয়াত আলী প্রিন্স

ত্যাগে ও সংগ্রামে সিলেটের রাজপথের চেনা মুখ, পরীক্ষিত সৈনিক আয়াত আলী প্রিন্স জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি

ভালোবেসে বিয়ে অবশেষে শখের স্বামীর ভয়ংকর রূপে দিশেহারা এক গৃহবধূ

ভালোবেসে বিয়ে অবশেষে শখের স্বামীর ভয়ংকর রূপে দিশেহারা এক গৃহবধূ

সিলেটে যৌতুক, শারীরিক-মানসিক নির্যাতন এবং প্রতারণার বিরুদ্ধে সুবিচারের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রাহিমা তাসনিম নামের এক ভুক্তভোগী নারী। মঙ্গলবার

পৈতৃক সম্পত্তি দখল, জালিয়াতি ও প্রবাসীদের প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

পৈতৃক সম্পত্তি দখল, জালিয়াতি ও প্রবাসীদের প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সিলেটে প্রবাসীদের পৈতৃক সম্পত্তি অবৈধ জবরদখল, জাল আমমোক্তারনামা (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) তৈরি করে প্রায় এক কোটি বিশ লাখ টাকা ভাড়ার

অপপ্রচার ও হয়রানি বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি

অপপ্রচার ও হয়রানি বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি

সুরমা সুপার মার্কেট ব্যাংক ভবনে দীর্ঘ অর্ধশতাব্দী ধরে পরিচালিত মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসার সুনাম ক্ষুণ্ন করতে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে

বিএনপির আদর্শ ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতি তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে: সাহেদ আহমদ

বিএনপির আদর্শ ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতি তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে: সাহেদ আহমদ

জিয়া মঞ্চের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি বিএনপির আদর্শ, নীতি ও জনকল্যাণমূলক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর

জুয়েলারী সমিতির নির্বাচনে বিজয়ী চৈতালী সংঘ ও সনাতন যুব ফোরামের নেতৃবৃন্দকে সংবর্ধনা

জুয়েলারী সমিতির নির্বাচনে বিজয়ী চৈতালী সংঘ ও সনাতন যুব ফোরামের নেতৃবৃন্দকে সংবর্ধনা

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সিলেট জেলা শাখার ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন চৈতালী সংঘ ও সনাতন যুব ফোরামের একাধিক

প্রশাসকের আশ্বাসে সিলেটে সিএনজি মালিক-শ্রমিকদের মহাসমাবেশ স্থগিত

প্রশাসকের আশ্বাসে সিলেটে সিএনজি মালিক-শ্রমিকদের মহাসমাবেশ স্থগিত

সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ২১