editor

প্রকাশিত: 11:49 AM, August 26, 2026

নিরাপদ সিলেট এখন আতঙ্কের নগরী

এক মাসে তিন ঘটনায় পাঁচ খুন

নিরাপদ সিলেট এখন আতঙ্কের নগরী

মো: আল-আমিন মিয়া

সিলেট কি আর আগের সেই শান্ত-নিরাপদ নগরী? যে নগরীতে রাত গভীর হলেও মানুষ নিশ্চিন্তে বাড়ি ফিরত, আবাসিক এলাকার বাসায় পরিবার নিয়ে নিরাপদে থাকত, সন্তানকে খেলতে পাঠিয়ে অভিভাবকরা অপেক্ষা করতেন নির্বিঘ্নে সেই সিলেটেই এখন একের পর এক হত্যাকাণ্ডে আতঙ্ক বাড়ছে। ২৭ জুলাই থেকে ২৩ আগস্ট প্রায় এক মাসের ব্যবধানে নগরীতে তিনটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচজন।

একদিকে ফুটবল খেলে বাড়ি ফেরার পথে মাত্র ১৫ বছরের কিশোর রিফাত আহমদকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, অন্যদিকে রায়নগরের একটি আবাসিক ভবনে একই বাসায় স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা। এসব ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই সর্বশেষ শাহপরান এলাকার ইসলামাবাদে নিজ বাসার সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হলো ব্যবসায়ী শাহাব উদ্দিনকে। পরপর এসব ঘটনায় নগরবাসীর মনে এখন একটাই প্রশ্ন মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?

ফুটবল খেলে ফিরছিল রিফাত, বাড়ি ফেরা হলো না
গত ২৭ জুলাই। সন্ধ্যার পর ফুটবল খেলা শেষে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে বাড়ির পথে ফিরছিল নবম শ্রেণির ছাত্র রিফাত আহমদ। বয়স মাত্র ১৫ বছর। কিশোর বয়সের স্বাভাবিক আনন্দ বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা, হাসি-আড্ডা শেষে বাড়ি ফেরার কথা ছিল তার। কিন্তু কাজিরবাজার সেলফি ব্রিজের দক্ষিণ প্রান্তে সেই পথেই ওঁত পেতে ছিল মৃত্যু।

ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে একদল দুর্বৃত্ত রিফাত ও তার সঙ্গীদের ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয় রিফাতসহ কয়েকজন। পরে রিফাতের মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় আরও তিন কিশোর আহত হয়।

রিফাত ছিল পরিবারের একমাত্র ছেলে। দ্বীপশিখা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ছিল সামনে এগিয়ে যাওয়ার। অথচ মাত্র কয়েক মিনিটের সহিংসতা তার জীবনের সব স্বপ্ন থামিয়ে দিল। যে বয়সে তার হাতে থাকার কথা ছিল বই-খাতা, ফুটবল কিংবা ভবিষ্যতের স্বপ্ন সেই বয়সেই তাকে ফিরতে হলো নিথর দেহ হয়ে। একটি পরিবারের একমাত্র সন্তানের লাশ যখন ঘরে ফেরে, তখন সেই ঘরের নীরবতা কতটা ভারী হয় তা শুধু সেই পরিবারই জানে। রিফাত হত্যাকাণ্ডে পরে একজন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তারের খবরও প্রকাশিত হয়।

১৬ দিনের ব্যবধানে রায়নগরে ত্রিপল মার্ডার
রিফাত হত্যার শোক কাটতে না কাটতেই ১২ আগস্ট সকালে সিলেট নগরীর রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার একটি বাসায় ঘটে আরও ভয়াবহ ঘটনা। একটি ঘর। একটি পরিবার। অথচ সেখানে পাওয়া গেল তিনটি লাশ। বাসার মালিক প্রবীণ ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার, তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম এবং গৃহকর্মী তাহমিনার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একই বাসায় তিনজনের এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পুরো নগরী স্তব্ধ হয়ে যায়।

আব্দুস সাত্তার ছিলেন প্রবীণ ব্যবসায়ী এবং সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক পরিচালক। তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগমও ছিলেন দীর্ঘদিনের সংসারসঙ্গী। আর তাহমিনা একজন তরুণ গৃহকর্মী, যে পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে কাজ করছিল। একই ছাদের নিচে তিনটি জীবন এভাবে নিভে যাওয়ার ঘটনায় রায়নগরসহ পুরো নগরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয় এই হত্যাকাণ্ডের শিকার তিনজনেরই জীবন ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। একজন প্রবীণ ব্যবসায়ী, তাঁর জীবনসঙ্গী এবং পরিবারের সঙ্গে কাজের সূত্রে যুক্ত এক তরুণী। কিন্তু একটি নৃশংস ঘটনার পর তিনজনের জীবনই একইভাবে থেমে যায়। পুলিশ পরে এ ঘটনায় বাবুল মিয়া নামে একজনকে আটক করে এবং তদন্তে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সামনে আসে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তাহমিনার সঙ্গে কথিত সম্পর্কের সূত্র ধরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে তদন্তে উঠে আসে। ময়নাতদন্তসংক্রান্ত প্রতিবেদনে নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের তথ্যও প্রকাশিত হয়। এই হত্যাকাণ্ড শুধু তিনটি প্রাণ কেড়ে নেয়নি; নগরের আবাসিক এলাকার নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

রায়নগরের ঘটনার পর নগরবাসীর মনে সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটি তৈরি হয় তা হলো মানুষ যদি নিজের বাসার ভেতরেও নিরাপদ না থাকে, তাহলে নিরাপত্তা কোথায়?

সাধারণ মানুষের কাছে বাসা মানেই নিরাপদ আশ্রয়। দিনের শেষে মানুষ যেখানে ফিরে আসে, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যায় সেই ঘরেই যদি হত্যাকারীর প্রবেশ ঘটে, তাহলে আতঙ্কিত না হয়ে উপায় কী? রায়নগরের হত্যাকাণ্ড সেই নিরাপত্তাবোধেই আঘাত করেছে।

নিজ বাসার সামনে ব্যবসায়ীকে হত্যা
দুই ঘটনার শোক কাটতে না কাটতেই ২৩ আগস্ট দিবাগত রাতে নগরের শাহপরান থানাধীন ইসলামাবাদ আবাসিক এলাকা। নিজ বাসার সামনেই দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন ব্যবসায়ী শাহাব উদ্দিন (৬৫)। গুরুতর আহত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে ছিলেন তিনি। তাঁর ঘাড়ে একাধিক কোপের চিহ্ন ছিল। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

শাহাব উদ্দিন বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই এলাকার বাসিন্দা। পরিবার নিয়ে তিনি শাহপরান ইসলামাবাদ এলাকায় নিজস্ব বাসায় বসবাস করতেন। চারখাই বাজারে তাঁর ভোগ্যপণ্যের ব্যবসা ছিল। তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জনক ছিলেন।

রাতের নীরবতায় যখন নগরবাসী ঘুমিয়ে, তখন একজন মানুষকে নিজ বাসার সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে হলো। পরিবারের সদস্যদের চোখের সামনে প্রিয় মানুষটির জীবন বাঁচানোর শেষ চেষ্টা তারপর হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যু। একজন স্বামী, একজন বাবা, একজন ব্যবসায়ী এক নিমিষে হয়ে গেলেন শুধুই একটি লাশ।

এ ঘটনায় পুলিশ এখনো হত্যার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে। পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত হতে পারে বলে ধারণার কথা জানানো হয়েছে।

তিন ঘটনায় পাঁচ প্রাণ, এক মাসেই বদলে গেল নগরীর চিত্র
২৭ জুলাই থেকে ২৩ আগস্ট। সময়ের হিসাবে এক মাসও পূর্ণ হয়নি। কিন্তু এই অল্প সময়ের মধ্যে নগরবাসী দেখেছে হত্যার তিনটি ভয়াবহ চিত্র। কাজিরবাজারে খেলাধুলা শেষে বাড়ি ফেরার পথে কিশোর রিফাতের মৃত্যু। রায়নগরে একটি বাসার ভেতর স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মীসহ তিনজনের নৃশংস মৃত্যু। শাহপরানে নিজ বাসার সামনে ব্যবসায়ী শাহাব উদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা। তিনটি ঘটনা। পাঁচটি প্রাণ।

পাঁচটি পরিবারের জীবনে নেমে এসেছে অপূরণীয় শূন্যতা। কেউ হারিয়েছে সন্তান, কেউ স্বামী, কেউ বাবা-মা, কেউ পরিবারের উপার্জনক্ষম মানুষ। প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের পর কিছু অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছে, তদন্ত হয়েছে, মামলা হয়েছে; কিন্তু নিহত মানুষগুলো আর ফিরে আসবে না।

স্বজনদের কান্না, নগরবাসীর আতঙ্ক
একটি হত্যাকাণ্ডের পর হয়তো সময়ের সঙ্গে মানুষের আলোচনা কমে যায়। সংবাদপত্রের পাতায় নতুন খবর আসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন বিষয় সামনে আসে। কিন্তু যে পরিবারটি আপনজন হারায়, তাদের কাছে সেই দিনটি কখনো পুরোনো হয় না।

রিফাতের পরিবার হয়তো আজও অপেক্ষা করছে দরজা খুলে ছেলেটি ফুটবল হাতে ঘরে ঢুকবে। রায়নগরের সেই ঘরে হয়তো আর কখনো স্বামী-স্ত্রীর কণ্ঠ শোনা যাবে না। তাহমিনার পরিবার হয়তো ভাবছে কাজে যাওয়া মেয়েটি কেন আর বাড়ি ফিরল না। আর শাহাব উদ্দিনের পরিবার হয়তো এখনো বিশ্বাস করতে পারছে না নিজ বাসার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটিই আর ঘরে ফিরবেন না। এই কান্নার কোনো প্রতিকার নেই।

কিশোর অপরাধ থেকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, উদ্বেগ বাড়ছে
সিলেট নগরীতে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো অপরাধের ধরন নিয়েও নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। কিশোরদের মধ্যে সংঘাত, ধারালো অস্ত্রের ব্যবহার, আবাসিক এলাকায় ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড এবং রাতের বেলায় হামলা সবকিছু মিলিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

বিশেষ করে কিশোরদের হাতে ধারালো অস্ত্র পৌঁছানো, তুচ্ছ বিরোধের ভয়াবহ পরিণতি এবং অপরাধের সঙ্গে তরুণদের জড়িয়ে পড়া সমাজের জন্য বড় সতর্কবার্তা।

বিশেষজ্ঞ ও সচেতন নাগরিকদের মতে, শুধু অপরাধ সংঘটনের পর অভিযান চালালেই হবে না। অপরাধের উৎস চিহ্নিত করতে হবে। কিশোরদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা কেন বাড়ছে, মাদক ও অস্ত্র কীভাবে তাদের হাতে যাচ্ছে, সংঘবদ্ধ অপরাধীরা কীভাবে সক্রিয় হচ্ছে এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা জরুরি।

এখনই কঠোর পদক্ষেপের দাবি
নগরবাসীর দাবি, সাম্প্রতিক প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত দ্রুত শেষ করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধীদের পৃষ্ঠপোষকতা, কিশোর অপরাধ, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও সংঘবদ্ধ অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু হত্যাকাণ্ডের পর কয়েকদিন তৎপরতা নয় প্রয়োজন নিয়মিত নজরদারি, কার্যকর টহল, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা। কারণ একটি হত্যাকাণ্ড শুধু একজন মানুষের জীবন কেড়ে নেয় না; একটি পরিবারের স্বপ্ন ভেঙে দেয়, সন্তানকে এতিম করে, মা-বাবার বুক খালি করে এবং পুরো সমাজের নিরাপত্তাবোধকে নাড়িয়ে দেয়। সিলেটবাসী আর এমন কোনো সকাল দেখতে চায় না, যেদিন ঘুম থেকে উঠে আবার কোনো হত্যাকাণ্ডের খবর পড়তে হবে। সিলেট আবার নিরাপদ হোক এটাই এখন নগরবাসীর সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা। কারণ নিরাপদ নগরী শুধু একটি স্লোগান নয়। নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকার প্রতিটি সিলেটবাসীর।

Sharing is caring!


আর্কাইভ

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031  

আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

উত্তর হাটখোলা ও মালিনীছড়া চা বাগান পূজা মণ্ডপে পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগরের বস্ত্র বিতরণ

উত্তর হাটখোলা ও মালিনীছড়া চা বাগান পূজা মণ্ডপে পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগরের বস্ত্র বিতরণ

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগর শাখার উদ্যোগে নগরীর উত্তর হাটখোলা সনাতনী পূজা মণ্ডপ এবং মালিনীছড়া চা-বাগান

সিলেটে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা নিরসনে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে স্বেচ্ছাসেবক দলের লিফলেট বিতরণ

সিলেটে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা নিরসনে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে স্বেচ্ছাসেবক দলের লিফলেট বিতরণ

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে সরকারের গৃহীত তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপসমূহ জনগণের সামনে তুলে ধরতে সিলেট নগরীতে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের ৪২টি ওয়ার্ডের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের ৪২টি ওয়ার্ডের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের অন্তর্ভুক্ত ৪২টি ওয়ার্ডের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা

মরহুম তেরাব আলী লিটন এর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মরহুম তেরাব আলী লিটন এর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মরহুম তেরাব আলী লিটন এর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় এক দোয়া

দক্ষিণ সুরমায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা মনসুর আহমদ রুবেলের নগদ অর্থ সহায়তা

দক্ষিণ সুরমায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা মনসুর আহমদ রুবেলের নগদ অর্থ সহায়তা

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের গোয়ালগাঁও গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও জিশিস

মাতৃসেবা মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট কলেজের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

মাতৃসেবা মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট কলেজের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

স্বাস্থ্যসেবায় দক্ষ ও মানবিক স্বাস্থ্যকর্মী গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে মাতৃসেবা মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট (ম্যাটস) কলেজের উদ্যোগে নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

সারাদেশে আওয়ামী লীগের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সিলেটে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

সারাদেশে আওয়ামী লীগের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সিলেটে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

সারাদেশে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

রাজবাড়ী ফুটবল প্রিমিয়ার লীগ সিজন-৩ এর ট্রফি উন্মোচন

রাজবাড়ী ফুটবল প্রিমিয়ার লীগ সিজন-৩ এর ট্রফি উন্মোচন

জাঁকজমকপূর্ণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘রাজবাড়ী ফুটবল প্রিমিয়ার লীগ সিজন-৩’-এর অফিশিয়াল ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠান। শুক্রবার রাতে নগরীর বসুন্ধরা আবাসিক