editor
প্রকাশিত: 7:39 PM, July 23, 2023
বিএনপি নেতা তারেক রহমানকে আওয়ামী লীগ অপছন্দ করে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাকে একধরনের সুশীলরাও অপছন্দ করেন। তাদের কারো হৃদয়ে বাকশাল, কারো মনে লোভ বা ভীতি, কারো আছে তথ্যর ঘাটতি, কেউ বা আবার সত্যি তারেক রহমানের অতীত কাজের (সত্য/ মিথ্যে যাই হোক না কেন) সমালোচক।
আমি এদের কাছে বহুবার শুনেছি যে, তারেক রহমান বিএনপিকে শেষ করে দিলো! তাদের বক্তব্য হচ্ছে, তিনি নেতা হিসেবে অনুপযুক্ত, তিনি দলে বিভেদ সৃষ্টি করেছেন, দলে যোগ্যদের স্থান দেন না, তার চারপাশে খারাপ লোকজন ইত্যাদি, ইত্যাদি।
এসব আমার পুরোপুরি সত্যি মনে হতো না, এখন আরো মনে হয় না। পনের বছর লাগাতার নির্যাতন, অপবাদ, দমন-পীড়নের পর তার নেতৃত্বে বিএনপি’র এখনকার সুবিশাল সমাবেশগুলো দেখে মনে হওয়ার কথাও না। যেভাবে মানুষের ঢল নামছে বিএনপি ও তার সংগঠনগুলোর সমাবেশে, উস্কানি সত্ত্বেও যেভাবে তারা শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখছেন (উস্কানি আরো প্রবল হলে যা শেষপর্যন্ত বজায় রাখা হয়তো সম্ভব হবে না), যেভাবে বিএনপি তার ঐক্য ধরে রেখেছে-এগুলো বরং তারেক রহমানের নেতৃত্বগুণকেই প্রমাণিত করে।
আমার বহু ছাত্র বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন করতেন বা করেন। আমি পরিচিত মুখ বলে অনেকে আমার সাথে নিজে থেকে এসে কথা বলেন। বিএনপি’র/ছাত্রদলের যাদের সাথেই কথা হয়েছে তাদের প্রায় ৯৫ শতাংশ (মির্জা ফখরুল সহ) তারেক রহমানের নেতৃত্বগুণের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন আমার কাছে। কোনো কোনো জায়গায় শুনেছি, তিনি ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত নেতাদের সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগ রাখেন, দলকে তৃণমূল পর্যন্ত সংগঠিত রাখতে কাজ করেন।
কর্মসূচির নতুনত্ব নিয়ে ভাবেন এবং শত প্রতিকূলতার মধ্যেও সাহস ও আশা বজায় রাখেন।
আমি বিশ্বাস করি, তারেক রহমান এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতাদের একজন। এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করে কোনো লাভ নেই। বরং এর কারণ অনুসন্ধান করতে পারলে নিজের দেশ আর নিজের অবস্থানকে ভালোভাবে বুঝতে পারবেন তারেকের প্রতিপক্ষ বা সমালোচকরা।
ব্যক্তিগতভাবে বহুবছর আগে তার সাথে আমার দু’বার যোগাযোগ/দেখা হয়েছিল। একবারের কথা ফেসবুকে লিখেছি, আরেকবারেরটা লিখবো কখনো। আমি অবশ্যই উনার বহুকিছু পছন্দ করি। আমার শুধু প্রত্যাশা, উনি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যেন অবমাননাকর কিছু না বলেন কখনো। সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় যেন ফখরুল-রিজভীর মতো সিনিয়র নেতা বা ইশরাক, সোহেল, তাবিথের মতো তরুণ নেতাদের রাখেন এবং অন্যদলের হলেও মাহমুদুর রহমান মান্না বা আন্দালিব পার্থ- এর মতো নেতাদের পরামর্শ নেন। অতীতের গিয়াসউদ্দিন মামুনদের মতো নিন্দনীয় কাউকে না রাখেন নিজের আশেপাশে।
আমরা কেউ চাই বা না চাই আমাদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব এখন তারেক রহমান এবং সম্ভবত সায়মা ওয়াজেদ পুতুল-এর হাতে। আশা করি, তাদের কাছ থেকে আমরা বেটার রাজনীতি পাবো তাদের পূর্বসূরিদের তুলনায়।
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
অসহায় ও দরিদ্রদের সহায়তায় মাসিক ভাতা চালু করেছে ‘আবদুল জব্বার জলিল কল্যাণ ট্রাস্ট’। শনিবার দুপুরে নগরের জেলরোডস্থ আনন্দ টাওয়ারে আনুষ্ঠানিকভাবে
অক্টোবর সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে লায়ন্স ক্লাব অব সিলেট হলি সিটির উদ্যোগে নগরীর কুশিঘাট এলাকার ‘ইমুর ইশকুল’-এর শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষাসামগ্রী ও
সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র হাজী আব্দুল কাইয়ুম জালালি পংকি
প্রতিবছরের ন্যায় এবারও শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাশ্বত ৯২ বন্ধু ফোরামের উদ্যোগে পাত্র সম্প্রদায়ের মাঝে ১ টাকায় পূজার বাজার ও ক্ষুদে
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সহনীয় মূল্য নির্ধারণ, ফ্যাসিবাদের নির্মূল এবং সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে জমিয়তে
সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠন (জিশিস) এর কেন্দ্রীয় সহ
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস সিলেট মহানগর, জেলা ও শাবিপ্রবি’র যৌথ উদ্যোগে সহযোগী সদস্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ৯ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১০টায়