admin
প্রকাশিত: 8:53 AM, September 6, 2026
স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার ঘোষগাঁও (রাধাকোনা) এলাকায় একটি বসতবাড়িকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদকের অভয়ারণ্য নিয়ে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অধিবাসীরা। প্রবাসী অধ্যুষিত এই এলাকায় অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা এবং উঠতি বয়সের তরুণদের মাদকাসক্ত করে তোলার পেছনে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ও সামাজিক পরিবেশ রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত ও কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন গ্রামবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোষগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ও লন্ডন প্রবাসী লুৎফুর রহমানের বাড়িতে গত প্রায় তিন বছর ধরে কেয়ারটেকার পরিচয়ে বসবাস করছেন নরসিংদী এলাকার সাজনা বেগম ও তার স্বামী সালাম মিয়া। অভিযোগ রয়েছে, বাড়ির মালিক লুৎফুর রহমানের মদদে এবং স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীর সহযোগিতায় সেখানে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যক্রম ও মাদকের আস্তানা চালিয়ে আসছে এই দম্পতি। সালাম মিয়ার বিরুদ্ধে পূর্বেও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর দাবি, স্থানীয় সাবেল নামের এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীদের যোগসাজশে ওই বাড়িতে নিয়মিত ইয়াবা ও গাঁজার মতো মরণনেশা কেনাবেচা চলে। এর প্রভাবে এলাকার উঠতি বয়সের কিশোর ও যুবসমাজ মারাত্মকভাবে বিপথগামী হচ্ছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাবে গ্রামে চুরিসহ নানা অপরাধমূলক ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের নানাভাবে ভয়ভীতি ও মিথ্যা মামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রবাসী বাড়ির মালিককে একাধিকবার জানানো সত্ত্বেও তিনি কোনো পদক্ষেপ নেননি।
অনুসন্ধানে জানা যায়, স্থানীয় সাবেল মাদকসেবীদের ওই আস্তানায় নিয়ে আসতেন। স্থানীয় প্রভাব ও পারিবারিক লোকবলের সুযোগ নিয়ে সাবেলকে কব্জায় রাখতে সাজনা বেগম তার অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যান। সম্প্রতি সাজনা বেগমের নাবালিকা কন্যাকে নিয়ে সাবেল এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর সমগ্র এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় সামাজিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হওয়ায় স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং সামাজিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এলাকার সামাজিক ভাবমূর্তি উদ্ধার, অপরাধ দমন এবং যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে চিহ্নিত ওই আস্তানায় অবিলম্বে অভিযান পরিচালনার জন্য সিলেট জেলা পুলিশ সুপার ও ওসমানীনগর থানা প্রশাসনের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন সর্বস্তরের সচেতন এলাকাবাসী।
সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ, বর্ণাঢ্য র্যালি
মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করায় হাফেজ ইহতেশামুল হক হীরাকে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে
সিলেট বিভাগের শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নমূলক সংস্থা সাবাস এর আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) সিলেট নগরীর একটি
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তৎকালীন কমিটি এই বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যথাযথ তদন্ত কমিটির তদন্ত ও সুপারিশের ভিত্তিতে
বিশ্বনাথে গত ২০ অক্টোবর একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি মান্নান মিয়াকে আটক করতে গিয়ে স্থানীয় এক ইউপি
ফ্যান চালিয়ে, জানালার নেট আটকে কিংবা কয়েল ও স্প্রে জ্বালিয়েও রক্ষা মিলছে না। মশার উপদ্রবে সিলেট নগরজুড়ে তৈরি হয়েছে এক
বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান বলেছেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সুরক্ষায়