editor
প্রকাশিত: 11:08 AM, October 25, 2026
ফ্যান চালিয়ে, জানালার নেট আটকে কিংবা কয়েল ও স্প্রে জ্বালিয়েও রক্ষা মিলছে না। মশার উপদ্রবে সিলেট নগরজুড়ে তৈরি হয়েছে এক দুর্বিষহ পরিস্থিতি। মশক নিধনে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষুব্ধ ও অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন নগরবাসী। একই সাথে ডেঙ্গু ও হামের মতো সংক্রামক রোগের প্রকোপ বাড়তে থাকায় পুরো নগরজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ।
নগরবাসীর অভিযোগ, সম্প্রতি সিলেট নগরীতে মশার প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ড্রেন, নালা ও জমে থাকা পানিতে জন্ম নেওয়া অগণিত ক্ষুদে মশা এখন নগরের প্রতিটি বাসাবাড়িতে রাজত্ব করছে। সন্ধ্যার পর থেকে মশার উপদ্রব এতটাই বাড়ে যে, নিত্যদিনের স্বাভাবিক কাজকর্ম কিংবা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। একটি মশা মারলে যেন ১০টি এসে হামলা চালাচ্ছেÑনগরীর প্রতিটি ঘরের চিত্র এখন এমনই। ফ্যান কিংবা মশারি খাঁটিয়েও অদম্য এসব মশার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অথচ সিসিক কর্তৃপক্ষের মশক নিধনে দূরদর্শী কোনো পরিকল্পনা বা কার্যকর ওষুধের ছিটানো চোখে পড়ছে না।
নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে জানা গেছে, নিয়মিত ফগিং বা লার্ভিসাইড স্প্রে না করায় মশার প্রজননস্থলগুলো দিন দিন আরও বিস্তৃত হচ্ছে। সিসিকের তরফ থেকে লোকদেখানো দু-একটি পদক্ষেপ নেওয়া হলেও বাস্তবে তা মশা নিয়ন্ত্রণে কোনো কাজে আসছে না। সিসিকের এই অদক্ষতা ও ব্যর্থতায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সর্বস্তরের নাগরিকেরা।
সম্প্রতি সিসিকের মশক নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমের তীব্র সমালোচনা করে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ। গত ৮ অক্টোবর সিলেট নগরের আম্বরখানা পয়েন্ট এলাকায় বিমানবন্দর থানা জামায়াত আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধমূলক জনসচেতনতা ক্যাম্পেইনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, সিসিকের চরম ব্যর্থতার কারণে সিলেট নগরবাসী আজ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সিটি করপোরেশন মশার বিস্তার রোধে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না।
কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত ওই সচেতনতা ক্যাম্পেইনে স্থানীয় অধিবাসীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়। সেখানে মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো সিলেটেও উদ্বেগজনক হারে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। একই সঙ্গে হামে আক্রান্ত হওয়া ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে ও রোগ প্রতিরোধে সরকার এবং সিসিক সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, প্রশাসন ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় লোক বসিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ করে দেওয়া হলেও সাধারণ জনগণ কাক্সিক্ষত নাগরিক সেবা থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হচ্ছেন। ডেঙ্গু ও মশা নিয়ন্ত্রণে সিসিকের পাশাপাশি জনগণকে সচেতন হতে হবে এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্যকর মশক নিধন অভিযান না চালালে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত অন্যান্য রোগের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। সিলেট এমএজি ওসমানী গবফরপধষ ঈড়ষষবমব হাসপাতালে ডেঙ্গু ও জ্বর আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ড্রেন ও নালা নিয়মিত পরিষ্কার না করা এবং জমে থাকা পানি অপসারণে সিসিকের গাফিলতিই এই সংকটের মূল কারণ বলে মনে করছেন নগর বিশেষজ্ঞেরা।
নগরের আম্বরখানা, জিন্দাবাজার, উপশহর, টিলাগড় ও বন্দরবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা জানান, অবিলম্বে সিসিককে ঘুম ভাঙাতে হবে। শুধু কাগজে-কলমে বা সভা-সেমিনারে সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত প্রতিটি ওয়ার্ডে কার্যকর মশক নিধন ওষুধ ছিটানো এবং নালা-নর্দমা পরিষ্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা। অন্যথায় সামনের দিনগুলোতে ডেঙ্গুর সংক্রমণ আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সবাই।
বিশ্বনাথে গত ২০ অক্টোবর একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি মান্নান মিয়াকে আটক করতে গিয়ে স্থানীয় এক ইউপি
ফ্যান চালিয়ে, জানালার নেট আটকে কিংবা কয়েল ও স্প্রে জ্বালিয়েও রক্ষা মিলছে না। মশার উপদ্রবে সিলেট নগরজুড়ে তৈরি হয়েছে এক
বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান বলেছেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সুরক্ষায়
সিলেটের অভিজাতদের ক্লাব খ্যাত সিলেট স্টেশন ক্লাব ১৪০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে বন্দরবাজারে। পাশেই জেলা পরিষদ। একটু ঘুরলেই জেলা প্রশাসকের
সিলেটে সরকারি ও বেসরকারি এলপিজি গ্যাস নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি অসাধু সিন্ডিকেট। তাদের কারসাজিতে চরম ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির
২৫% কমিশন, জালিয়াতি ও দখলদারিত্বের অভিযোগ আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাকালিন সময় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের ক্ষমতার দাপট
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে আধ্যাত্মিক ও প্রবাসী অধ্যুষিত এই নগরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, দ্রুত বদলাতে শুরু
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগ। দলের রাজনীতিতে সক্রিয়তা ধরে রাখতে ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের মাঝে চাঙ্গা