editor
প্রকাশিত: 11:12 AM, September 21, 2026
দেশজুড়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেটের সর্বত্র বইতে শুরু করেছে আগাম নির্বাচনি হাওয়া। হাট-বাজার, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে গ্রাম-মহল্লায় এখন প্রধান আলোচনার বিষয় ইউপি নির্বাচন। বিশেষ করে এবার দলীয় প্রতীক না থাকায় স্থানীয় রাজনীতিতে তৈরি হচ্ছে একদমই নতুন সমীকরণ।
বিগত নির্বাচনগুলোতে দলীয় প্রতীকের জয়জয়কার থাকলেও এবার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। আসন্ন নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক না থাকায় প্রার্থীরা স্বতন্ত্রভাবে অংশ নিচ্ছেন। ফলে দলীয় মনোনয়ন বাগানোর দৌড়ঝাঁপ নেই; বরং প্রার্থীর নিজস্ব জনপ্রিয়তা, রাজনৈতিক ভাবমূর্তি, পারিবারিক-বংশীয় প্রভাব এবং ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতাই জয়ের প্রধান নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আইনগতভাবে দলীয় প্রতীক না থাকলেও রাজনীতির মাঠে তার ছাপ স্পষ্ট। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং নতুন রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থিত প্রার্থীরা কৌশল বদলে ভিন্ন পরিচয়ে মাঠে নেমেছেন। অন্যদিকে, কেন্দ্র থেকে মাঠপর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমে স্থবিরতা থাকলেও আওয়ামী লীগের স্থানীয় অনেক নেতাকর্মী এই নির্বাচনকে রাজনীতির মাঠে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছেন। প্রতীকহীন ভোটের সুযোগ নিয়ে অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গোপনে ও প্রকাশ্যে ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
প্রার্থীদের প্রচারে এখন মুখরিত গ্রামীণ জনপদ। দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোল্লাগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বখতিয়ার আহমদ ইমরান বলেন, চেয়ারম্যান হিসেবে সবসময় জনগণের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। এবার প্রতীকহীন ভোটে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণ সেবার উপযুক্ত ব্যক্তিকেই নির্বাচিত করবেন। আমরা একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রত্যাশা করি।
একই সুর দক্ষিণ সুরমার তেতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ওলিউর রহমানের কণ্ঠে। তিনি জানান, দলীয় প্রতীক না থাকায় এবার প্রার্থীর ব্যক্তিগত যোগ্যতা ও মানুষের সাথে সম্পর্কই মূল বিষয়। জনগণ এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে সঠিক নেতৃত্ব বেছে নেবেন এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে এটাই আমাদের আশা।
সাধারণ পদের প্রার্থীরাও বসে নেই। দক্ষিণ সুরমার সিলাম ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী মো. রুমন আহমেদ বলেন, তৃণমূলের উন্নয়নে মেম্বার পদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। বিগত দিনে যেভাবে মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে ছিলাম, সেই আস্থার জায়গা থেকে ভোটাররা এবারও আমাকে তাদের অধিকার রক্ষায় বেছে নেবেন বলে আমার বিশ্বাস।
দলীয় প্রতীক না থাকায় প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে দেখা দিয়েছে নতুন সংকট। একই দলে একাধিক প্রভাবশালী নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামায় তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবেÑতা নিয়ে ভেতরে ভেতরে প্রতিযোগিতা তুঙ্গে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, এ ধরনের বহুত্বমুখী লড়াই মাঠপর্যায়ে দলীয় কোন্দল বা সংঘাতের রূপ নিতে পারে।
এই পরিস্থিতির সুযোগ নিতে তৈরি হচ্ছে নতুন রাজনৈতিক দলগুলো। যেমনÑউদীয়মান দল এনসিপি বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামছে। তাদের প্রত্যাশা, বড় দলগুলোর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং প্রতীকহীন ব্যবস্থার সুযোগে সাধারণ ভোটারদের বড় একটি অংশ বিকল্প শক্তির অংশ হিসেবে তাদের সমর্থিত প্রার্থীদের দিকে ঝুঁকবে।
এদিকে, সিলেটের সাধারণ ভোটারদের মূল দাবি একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। অতীতে ভোটকেন্দ্রে যেতে না পারার আক্ষেপ ভুলে এবার তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চান। তবে প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হওয়ায় অর্থবিত্তের প্রভাব এবং পেশিশক্তির ব্যবহার বাড়বে কি নাÑতা নিয়েও সাধারণ মানুষের মনে এক ধরনের সংশয় ও শঙ্কা কাজ করছে।
1 সিলেট জেলা বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বর্তমান যুবদল নেতা লিটন আহমদ দলের কঠিন সময়ে
5 রাজনীতি শুধু রাজপথের স্লোগান কিংবা ক্ষমতার লড়াই নয়; রাজপথের সহযোদ্ধাদের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোই নেতৃত্বের আসল পরিচয়। 7 সিলেট মহানগর
6 সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় এক প্রবাসীর বসতবাড়ি দখল, হামলা ও গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী
3 আব্দুর রহমান: 5 দেশ-বিদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের দান ও মানতে প্রতিদিন সমৃদ্ধ হচ্ছে সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার। নগদ অর্থ,
2 দেশজুড়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেটের সর্বত্র বইতে শুরু করেছে আগাম নির্বাচনি হাওয়া। হাট-বাজার, চায়ের দোকান
4 সিলেট মহানগর ও জেলা যুবদলের নতুন আংশিক কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নবনির্বাচিত সকল নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন
5 শাহী ঈদগাহ খেলার মাঠে উইমেন্স চেম্বারের মেলা আয়োজন বন্ধ এবং দোকানপাট বন্ধের সময়সীমা রাত ৮টার পরিবর্তে ৯টা পর্যন্ত বর্ধিত
6 নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদন হওয়ায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সিলেটের ‘সর্বস্তরের কর্মচারীবৃন্দ’-এর উদ্যোগে আনন্দ