editor
প্রকাশিত: 1:07 PM, October 10, 2026
শীর্ষ নেতৃত্বের অতিরিক্ত প্রশাসনিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে সিলেট জেলা বিএনপির সার্বিক রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম। জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিজ নিজ প্রশাসনিক ও সংসদীয় দায়িত্ব পালনে অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকায় মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের খবর নেওয়ার কেউ নেই। ফলে জেলা থেকে শুরু করে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থবির সংগঠনকে গতিশীল করতে অনতিবিলম্বে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ ও নতুন নেতৃত্বের দাবি জানিয়েছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
দলীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) ‘প্রশাসক’ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি আসন্ন সিসিক নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবেও ব্যস্ত সময় পার করছেন। ফলে প্রতিদিনের দাপ্তরিক কাজ, নাগরিক সমস্যা সমাধান ও প্রশাসনিক তদারকিতেই তাঁর দিনের সিংহভাগ সময় ব্যয় হচ্ছে। অন্যদিকে, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী জাতীয় সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হওয়ার পর নিজ নির্বাচনী এলাকা (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) উন্নয়নকাজ, প্রশাসনিক প্রটোকল এবং জাতীয় সংসদ অধিবেশন ঘিরে নিয়মিত ঢাকায় দৌড়ঝাঁপ করছেন। ফলে সিলেটের স্থানীয় সংগঠনে তাঁদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার সুযোগ মিলছে না।
শীর্ষ দুই নেতার এমন অতিরিক্ত ব্যস্ততার কারণে সিলেটের স্থানীয় রাজনীতিতে এক বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। জেলা বিএনপি কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের আগের সেই সরব উপস্থিতি ও আড্ডা আর চোখে পড়ে না। কেন্দ্রঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচির ফলো-আপ মিটিং কিংবা উপজেলার শাখা কমিটি পুনর্গঠনের কাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে আছে। নিয়মিত কোনো সভা-সমাবেশ না থাকায় একসময়ের রাজপথ কাঁপানো সিলেট জেলা বিএনপি এখন কার্যত নিস্তেজ।
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন তৃণমূল ও মাঠপর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীরা। বছরের পর বছর নানা প্রতিকূলতা সহ্য করে রাজনীতির মাঠে টিকে থাকা কর্মীরা আজ অভিভাবকহীন বোধ করছেন। রাজপথের কর্মীরা কোনো দিকনির্দেশনা না পেয়ে এক ধরণের অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন।
তৃণমূল কর্মী ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের ভাষ্যমতে, নেতারা নতুন সরকারি বা প্রশাসনিক পদে সাফল্য পানÑতা দলের সবাই চায়। কিন্তু তাঁদের অতিরিক্ত ব্যস্ততার বলি হয়ে একটি ঐতিহ্যবাহী ও শক্তিশালী সংগঠন নিস্তেজ থাকবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। একক ব্যক্তি দিয়ে দলীয় ও সরকারি উভয় কার্যক্রম একসাথে চালনা করার মানসিকতা সংগঠনের জন্য ক্ষতিকর।
অনতিবিলম্বে সিলেট জেলা বিএনপিকে এই স্থবিরতা থেকে মুক্ত করার জোর দাবি তুলেছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য, শীর্ষ নেতৃত্ব যদি নতুন দায়িত্বের কারণে দলকে পূর্ণাঙ্গ সময় দিতে না পারেন, তবে দলকে বাঁচাতে অবিলম্বে নতুন ও সক্রিয় কমিটি গঠন করতে হবে। কেন্দ্র থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক পদক্ষেপ না নিলে সিলেটে বিএনপির সুসংগঠিত ভিত্তি আরও দুর্বল হয়ে পড়বে বলে তারা প্রবল আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সহনীয় মূল্য নির্ধারণ, ফ্যাসিবাদের নির্মূল এবং সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে জমিয়তে
সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠন (জিশিস) এর কেন্দ্রীয় সহ
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস সিলেট মহানগর, জেলা ও শাবিপ্রবি’র যৌথ উদ্যোগে সহযোগী সদস্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ৯ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১০টায়
সিলেট মহানগীর রায়নগর রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজবাড়ী প্রিমিয়ারলীগ-২০২৬ (RPL) সিজন-১১ এর প্লেয়ার ড্রাফট এবং ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠান। আসন্ন
সিলেটের গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আবুল হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মো. করিম মাহমুদ
আগামী সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে বইতে শুরু করেছে আগাম ভোটের হাওয়া। যেখানে অন্যান্য রাজনৈতিক
শীর্ষ নেতৃত্বের অতিরিক্ত প্রশাসনিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে সিলেট জেলা বিএনপির সার্বিক রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম। জেলা
দেশব্যাপী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে নতুন করে বিশেষ পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু