editor
প্রকাশিত: 11:03 AM, November 2, 2026
আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনকে ঘিরে উত্তাপ ছড়াচ্ছে রাজপথ থেকে শুরু করে অলিগলি। কে হবেন নগরপিতা আর কার হাতে উঠবে ওয়ার্ডবাসীর ভাগ্য উন্নয়নের চাবিকাঠিতা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এর মধ্যেই সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এবং ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আফছর খাঁন তার ব্যতিক্রমী জনসম্পৃক্ততা ও রাজনৈতিক ত্যাগের সুবাদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। সাধারণ ভোটারদের মুখে মুখে এখন তারই নাম।
আজ যে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা আফছর খাঁনের নামের সাথে যুক্ত হয়েছে, তা একদিনে অর্জিত হয়নি। এর পেছনে রয়েছে এক দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস। রাজপথের সাহসী লড়াকু সৈনিক হিসেবে পরিচিত আফছর খান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে একাধিকবার হামলা, মামলা ও পুলিশি হয়রানির শিকার হয়েছেন। হামলা-মামলার ভয় বা কারাভোগ তাকে কখনো আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। রাজপথে দলের কঠিন সময়ে নেতাকর্মীদের আগলে রেখে তিনি প্রমাণ করেছেন সুবিধাবাদী রাজনীতি তার অভিধানে নেই। রাজপথের সেই আপসহীন ত্যাগী মুখটি আজ স্থানীয় জনগণের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে ওয়ার্ডবাসীর আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
ওয়ার্ডের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা চষে বেড়াচ্ছেন এই তরুণ নেতা। বিশেষ করে ৮নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত তারাপুর চা-বাগানের খেটে খাওয়া সাধারণ শ্রমিকদের মাঝে তার গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা ঈর্ষণীয়। চা-বাগানসহ পুরো ওয়ার্ডের তৃণমূল মানুষের সাথে তার হৃদয়ের যোগাযোগ স্থাপন হয়েছে অত্যন্ত নিবিড়ভাবে। গত ১১ অক্টোবর ৮নং ওয়ার্ডের হাওলাদার পাড়া এলাকায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটজনিত অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত একটি অসহায় পরিবারকে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করে তিনি আবারও প্রমাণ করেছেন বিপদে তিনি কেবল কথার মানুষ নন, বরং কাজের মানুষ। বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব, পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সর্বস্তরের মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়িয়ে তিনি ইতোমধ্যে ওয়ার্ডবাসীর হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন।
তরুণ সমাজের একটি বিশাল অংশ আফছর খানকে ঘিরে আগামীর স্বপ্ন বুনছে। একজন দক্ষ সংগঠক ও দূরদর্শী নেতা হিসেবে তারুণ্যের শক্তিকে ইতিবাচক কাজে লাগাতে চান তিনি। তার নির্বাচনী ইশতেহার ও চিন্তাভাবনায় প্রাধান্য পাচ্ছে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য। যার মধ্যে অন্যতম হলো ওয়ার্ড থেকে চিরতরে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির শেকড় উপড়ে ফেলা। যুবসমাজকে রক্ষা করতে কঠোর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এবং মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা।
এছাড়া দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তাঘাটের টেকসই উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। একটি সুষম উন্নয়নভিত্তিক, জনবান্ধব ও আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি, যেখানে নাগরিক অধিকার থাকবে শতভাগ নিশ্চিত।
স্থানীয় ভোটার ও শুভাকাক্সক্ষীদের মতে, বর্তমান সময়ে সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার কারণে আফছর খান অনন্য উচ্চতায় অবস্থান করছেন। তার সততা, রাজনৈতিক ত্যাগ এবং সেবামূলক মানসিকতাই তাকে অন্য দশজন প্রার্থীর চেয়ে আলাদা করেছে। এখন কেবল ভোটের অপেক্ষা। ভোটাররা বলছেন, অতীতের ত্যাগ এবং বর্তমানের সমাজসেবা মূল্যায়ন করে তারা এমন একজন নেতৃত্ব চান যিনি প্রকৃত অর্থেই জনগণের সেবক হয়ে কাজ করবেন। আর সেই আস্থার নামেই পরিণত হয়েছেন আফছর খান।
বাংলাদেশের আধ্যাত্মিক ও অর্থনৈতিক রাজধানী সিলেট নগরীসহ গোটা সিলেট বিভাগের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন, বৈষম্য নিরসন এবং দীর্ঘদিনের লালিত অধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে
আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনকে ঘিরে উত্তাপ ছড়াচ্ছে রাজপথ থেকে শুরু করে অলিগলি। কে হবেন নগরপিতা আর কার হাতে
সিলেট নগরের যানজট নিরসন ও সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রায় ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল বিশাল
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে স্পেনে পাঠানোর নামে জাল কাগজপত্র তৈরি ও কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার ভয়াবহ অভিযোগ
দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর সব সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইককে রেজিস্ট্রেশন এবং রুট পারমিট প্রদানপূর্বক বৈধভাবে চলাচলের আইনি স্বীকৃতি
গোলাপগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শহীদ জিলু আহমেদ দিলুর ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে মিলাদ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সিলেট আগমনের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আবৃত্তি অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছে
সিলেটের মার্শাল আর্টের জন্য গৌরবের খবর। চীনের বিশ্ববিখ্যাত দুটি প্রতিষ্ঠানে ৫০ দিনের উচ্চতর উশু কোচ প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন বাংলাদেশ