admin
প্রকাশিত: 6:45 PM, July 8, 2021

জণস্বার্থে সরকারের সাথে জমিয়তের সংলাপ প্রসঙ্গে কিছু কথা : মুহাম্মদ রুহুল আমীন নগরী
জমিয়ত একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। কওমিপন্থী উলামায়ে কেরামের নেতৃত্বাধীন ‘জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ’ রাজনৈতিক দল হিসেবেও নিবন্ধিত। মুক্তিযুদ্ধকালীন এবং পরবর্তীতে দেশ গঠনে জমিয়তের অবদান সর্বজনস্বীকৃত।
এদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত জমিয়তের ব্যাপারে সুস্পষ্টভাবে ধারণা রয়েছে। সদ্যস্বাধীন দেশের পক্ষে জনমত গঠনে মওলানা ভাসানীর পরামর্শে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ আরব বিশ্ব সফর করেন। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও এরশাদ আমলেও জমিয়ত নেতৃবৃন্দ প্রেসিডেন্টের সাথে সংলাপ করেছেন,ইরাক সফর করেছেন।
সর্বশেষ রাষ্ট্রপতি প্রেসিডেন্ট মো: আব্দুল হামিদের সাথেও সাক্ষাত করে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বিষয় গুলো নিয়ে সংলাপ করেছেন। জমিয়তের এই সংলাপে দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম উপস্থিত ছিলেন। মাওলানা আশরাফ আলী বিশ্বনাথী, মাওলানা মুহিউদ্দীন খান, মাওলানা শামছুদ্দীন কাসেমী,মাওলানা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী, মাওলানা নূর হোছাইন কাসেমী, মুফতি মো: ওয়াক্কাস (র), মাওলানা জহিরুল হক ভুঁইয়া,মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক,মাওলানা শাহীনূর পাশা চৌধুরী, মাওলানা মনজুরুল ইসলাম আফেন্দী, মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া সাহেব প্রমুখ এসব প্রতিনিধি দলে ছিলেন।
যদিও জমিয়ত নির্বাচনকেন্দ্রিক বিএনপির সাথে জোটবদ্ধ। সেটা আদর্শিক নয়, সাময়িক। এটা হতেই পারে। রাজনৈতিক কালচার অনুযায়ী একটি দল যে কোন দলের সাথে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিতেই পারে। এটা নিজ নিজ দলীয় ফোরামের ব্যাপার।
জনগণের ভোটেই হোক অথবা গভীররাতের বিশেষ কায়দায়ই হোক কোন দল সরকার গঠনের পরে দেশ পরিচালনার আসনে বসে গেলে সরকারকে মেনেই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করতে হয়। এটাই স্বাভাবিক। যা বর্তমান সংসদেও বিদ্যমান।
এমতাবস্থায় কোন রাজনৈতিক দল অভিমান করে ঘরে বসে থাকলে চলবেনা। জনগনের কল্যাণে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করতে হবে,এটাই গণতান্ত্রিক রাজনীতি।
আমার আলোচ্য বিষয়টা হলো জমিয়তের রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়ে। সরকার অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতের ব্যাপারে কঠোরতা করছে। এটা দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট। জমিয়তে তো মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের সাহসী লোকজনের সমন্বিত দল,তাহলে এতো ভয় কিসের? উপমহাদেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী লোকজন রয়েছেন এই দলে,এটাতো আমরা স্বগৌরবে বলতে পারি।
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে মসজিদ মাদরাসা গুলো খুলে দেয়ার ব্যাপারে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ যেভাবে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে কাজ করেছেন, এখন সেটা হচ্ছেনা কেনো?
সরকারের সাথে যুদ্ধ করতে বলছিনা, বলছি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে সংলাপ করতে সমস্যা কোথায়? এই করোনার সংকটময় মুহুর্তে কোন রোগীর কাছে কেউ যেতে রাজি নয়। আলহামদুলিল্লাহ, তরুণ উলামায়ে কেরাম বিচ্ছিন্ন ভাবে লাশ দাফনে এগিয়ে আসছেন। এই কাজটাই জমিয়ত সারা দেশের কওমি মাদরাসা গুলোকে কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করতে পারতো। হাজার হাজার তরুণ আলেম এসব কাজ স্বেচ্ছায় করতে আগ্রহী। রানা প্লাজা,সিডরসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ইসলামী সংগঠনের নেতা কর্নীদের তৎপরতায় জনগন উৎসাহিত হয়েছে। এতে মানব সেবার পাশাপাশি ইসলামী রাজননৈতিক দল গুলোর প্রতি সরকার ও জনগন সহানুভূতিশীল হতো।
আমার বিশ্বাস দেশের উলামা বাহুল্য দল জমিয়ত। জমিয়তের নেতৃবৃন্দ জণস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে সরকারের সাথে সংলাপ করা উচিত। সময় এখনো আছে। মিটিং করুন। জেল যুলুমের ভয়-চিন্তা করলেতো রাজনীতি করা যাবেনা। আকাবিরদের অতীত সেটাই বলে।
বিশেষ করে বাজেট ইস্যা নিয়ে নীরব কেনো? জনগনের কল্যাণ চিন্তায় সরকারকে সহযোগিতায় এগিয়ে আসা উচিত। শুধু নামাজ রোজার কথা বয়ান করলে হবেনা, সরকারকে সৎকাজের আদেশ (পরামর্শ) দেয়া এবং জনগনের জন্য মন্দ কাজে নিষেধ দেয়াওতো নায়বে নবীদের কাজ। রাগ করে ঘরে বসে থাকা যাবেনা, সরকারের সাথে দাওয়াতের নিয়তে কথা বলতে হবে। সাধ্যমতো চেষ্টা করতে হবে।
কখনো চিৎকার-হুংকার দিতে হয়, কখনো কৌশলে দাবী আদায় করতে হয়। হুদায়বিয়ার সন্ধি,খন্দক,বদর থেকে শিক্ষা নিতে হবে। খোলাফায়ে রাশেদিনের সিফতগুলো থেকে সবক নিতে পারলেই আমরা কামিয়াব হবো ইনশাআল্লাহ।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলো খুলে দেয়া এবং কারাবন্দী আলেমদের জামিনের ব্যাপারে রাষ্ট্রপতির সাথে কথা বলাও রাজনৈতিক কর্মসূচির আওতায়। এসবের ফলাফল কী? লাভ-লস এটা চিন্তা করে রাজনীতি করা যায়না। মাঠ পর্যায়ের আন্দোলন করার মতো শক্তি-সাহস না থাকলেও বৃদ্ধিবৃত্তিক, কৌশলগত প্রক্রিয়ায় নিজেদের অবস্থান জানান দিতে ব্যর্থ হলে আগামী প্রজন্মকে কতটুকু কাছে পাবেন? এটা চিন্তার বিষয়! আল্লাহপাক আমাদের হিম্মত দিন।
ডিএসএস/০৮/জুলাই/২০২১/নুরুল
আসন্ন উছমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন সিলেট জেলা যুবদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. রেদওয়ান
ফ্রান্সে বসবাসরত সিলেট বিভাগের প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং তাদের অধিকার ও ন্যায্য দাবি-দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে ‘সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদ ফ্রান্স
আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসা ও এমআইএস (MIS)-এর কাজ ত্বরান্বিত করার লক্ষে ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ সিলেট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে দক্ষিণ
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা ও রাজপথের অভিজ্ঞতার মূল্যায়নে সিলেট জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে সাবেক ছাত্রনেতা কামরুল হাসান
সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন ভাগারপাড় গ্রামটি বাহ্যিক শান্ত মনে হলেও গত দুই দশক ধরে এক অন্ধকার অপরাধ সাম্রাজ্যের জালে বন্দি। অনৈতিক
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
অসহায় ও দরিদ্রদের সহায়তায় মাসিক ভাতা চালু করেছে ‘আবদুল জব্বার জলিল কল্যাণ ট্রাস্ট’। শনিবার দুপুরে নগরের জেলরোডস্থ আনন্দ টাওয়ারে আনুষ্ঠানিকভাবে
অক্টোবর সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে লায়ন্স ক্লাব অব সিলেট হলি সিটির উদ্যোগে নগরীর কুশিঘাট এলাকার ‘ইমুর ইশকুল’-এর শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষাসামগ্রী ও