editor
প্রকাশিত: 8:36 AM, October 10, 2020
নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেট নগরীর বাগবাড়ি নরশিংটিলার জালালী আ/ এ ৩৬ নং বাসার সত্তাধিকারী লন্ডন প্রবাসী মঈনউদ্দিনের বাসা, ভুমিখেকো তাজউদ্দিন খান শিশু কতৃক দখলের পায়তারা। ভুমিখেকো শিশু প্রবাসী মঈন উদ্দিনের বাসার ভাড়াটিয়া কো এক সপ্তাহের মধ্যে বাসা ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। ০৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক সাড়ে ৮ ঘটিকার সময় এ ঘটনাটি ঘটে। এব্যাপারে মাওলানা মঈন উদ্দিনের ভাগনা মুহিউদ্দিন আহমদ চৌধুরী কতোয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। যার সাধারণ ডায়েরী নং ৭০২ তারিখ- ০৮/১০/২০ ইং
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানাযায়, মাওলানা মঈনউদ্দীন দীর্ঘকাল যাবত লন্ডন আছেন।মাঝে মাঝে দেশে আসলে তিনি এই বাসায় বসবাস করেন। উনি চলে যাবার পর বাসাটি দেখাশুনা করেন তাহার ভগ্নিপুত্র বাগবাড়ির বাসিন্দা মহিউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।মহিউদ্দিনের নিজস্ব বাসা থাকায় তিনি একটি পরিবার কে মঈন উদ্দিনের বাসার একটি অংশ ভাড়া দেন। প্রতিদিন তিনি এসে খোঁজ খবর নেন। এমতাবস্থায় ০৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক রাত সাড়ে ৮ ঘটিকার সময় ভুমিখেকো তাজউদ্দিন খাঁন শিশু অজ্ঞাত দুই জন লোক সাথে নিয়ে হুট করে বাসায় অনুপ্রবেশ করে। বাসার ভাড়াটিয়া রনি আহমদ ও মাকে ডেকে বের করে বলে,তোমার বাসার মালিক মারা গেছেন।আজ থেকে এই বাসা আমার।তুমি এখন থেকে আমাকে বাসার ভাড়া দিবে।আর অন্য সব রুমের সকল তালার চাবি আমাকে দিবে। নয়তো তোমাকে ও তোমাদের সবাইকে জোর করে তাড়িয়ে দিবো।আমি ২০০২ সালে একটা মার্ডার মামলার আসামী ছিলাম এই কথাটি মনে রাখিও।আর নয়তো এক সপ্তাহের মধ্যে বাসা ছেড়ে যাবে।
এসময় রনির মা বাসার দায়িত্বে থাকা মহিউদ্দিন কে ফোন দেন। এবং আশপাশের লোকজনদের ডাক দিলে ভুমিখেকো তাজউদ্দিন খাঁন শিশু ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে মহিউদ্দিন ঘটনাস্থলে আসেন। এসময় মহিউদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন,আমার মামা মঈন উদ্দিন স্ব-পরিবারে লন্ডন থাকেন। উনার অবর্তমানে আমি উনার বাসার দায়িত্বে আছি।আমি আমার ভাড়াটিয়ার ফোনে বিষয়টি জানতে পারি।তখন আমি জরুরী কাজে এলাকার বাহিরে ছিলাম। তারপর মোবাইল ফোনে আমি এলাকার কয়েকজন কে অবগত করি।
পরে আমি স্ব-শরীরের ঘটনাস্থলে এসে এলাকার পাঞ্চায়েত কমিটির কয়েকজন মুরব্বি ও স্থানীয় ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মখলিছুর রহমান কামরানকে বিষয়টি অবগত করলে তারা বলেন, তুমি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করো। আর আমরা বিষয়টি দেখছি।
তখন আমি নিজে কতোয়ালী মডেল থানায় গিয়ে সাধারন ডায়েরী করি। এই তাজউদ্দিন খাঁন শিশু একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী, ভুমিখেকো ও জালিয়াত চক্রের মুলহোতা। জাল দলিল সৃষ্টি করে জায়গা দখল তার পেশা।
এলাকাবাসী সুত্রে জানাযায়, তাজউদ্দিন খাঁন শিশু একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ভুমি দখলবাজ লোক। সে জাল দলিল সৃষ্টি করে মানুষের ভুমি আত্মসাৎ করে। সে বিগত ২০০২ সালের রিকাবী বাজারের লামাবাজারস্থ শরসপুর আছিয়া মার্ডারের প্রধান আসামী। দীর্ঘদিন কারাভোগ করে। পরবর্তীতে যেকোন ভাবে মামলা মিমাংসা করে বাহির হয়। সে সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জাল দলিল সৃষ্টি করে মানুষের ভুমি দখল করে। তাছাড়া বিগত কিছুদিন আগে হাজী বাবলা খাঁনের স্ত্রী রেখা বেগমের প্লট জালালী ৪৫ এ ডুকে এরকম হুমকি দেয়। মান্নান মিয়ার ছেলে অপু আহমদের প্লটে ডুকে হুমকি প্রদান সহ বিদ্যুতের মিটার কেঁটে নিয়ে যায়। ভুমিখেকো শিশুর একের পর এক হুমকিতে এলাকাবাসীর মধ্যে ভয় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এই জায়গা দখলের অপচেষ্টার ফলে যেকোন সময় ঘটতে পারে সহিংসতা ও প্রানহানীর ঘটনা। এব্যাপারে এলাকাবাসী ও সচেতন মহল অতিসত্বর প্রশাসানের সকল মহলের সুদৃষ্টি কামনা করছেন। এবং ভুমি খেকো তাজউদ্দিন খাঁন শিশু কে আইনের আওতায় আনতে দাবী জানান।
বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান বলেছেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সুরক্ষায়
সিলেটের অভিজাতদের ক্লাব খ্যাত সিলেট স্টেশন ক্লাব ১৪০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে বন্দরবাজারে। পাশেই জেলা পরিষদ। একটু ঘুরলেই জেলা প্রশাসকের
সিলেটে সরকারি ও বেসরকারি এলপিজি গ্যাস নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি অসাধু সিন্ডিকেট। তাদের কারসাজিতে চরম ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির
২৫% কমিশন, জালিয়াতি ও দখলদারিত্বের অভিযোগ আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাকালিন সময় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের ক্ষমতার দাপট
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে আধ্যাত্মিক ও প্রবাসী অধ্যুষিত এই নগরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, দ্রুত বদলাতে শুরু
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগ। দলের রাজনীতিতে সক্রিয়তা ধরে রাখতে ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের মাঝে চাঙ্গা
যুব সমাজকে মোবাইল আসক্তি ও মাদকের কুফল থেকে দূরে সরিয়ে খেলাধুলায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার পারাইরচক এলাকায় যাত্রা
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আব্দুস সালামের নির্দেশনায় সিলেট মহানগরীতে ৫ দিনব্যাপী সুস্বাস্থ্য সেবামূলক কার্যক্রমের ৪র্থ দিন সম্পন্ন