editor
প্রকাশিত: 4:23 PM, May 8, 2021
অনলাইন ডেস্ক
সাধারণ সর্দি-জ্বর এক প্রকার ভাইরাসজনিত রোগ যা মূলত শ্বসনতন্ত্রের উপরিভাগে হয়ে থাকে বা Upper respiratory tract কে আক্রান্ত করে। সাধারণত রিনো ভাইরাস নামক এক প্রকার ভাইরাস দিয়ে হয়ে থাকে।
সংক্রমণের ক্ষেত্রে এই ভাইরাস করোনাভাইরাসের মত। মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়, তবে এটা একটু দুর্বল প্রকৃতির ভাইরাস।
কারণ এটা upper respiratory tract কে আক্রান্ত করলেও lower respiratory tract তথা ফুসফুসকে আক্রান্ত করে না। তাই ক্ষতির পরিমাণ তেমন একটা নাই বললেই চলে।
উপসর্গ-
♦ নাক দিয়ে পানি পড়া,
♦ নাক বন্ধ হয়ে আসা,
♦ হালকা গলা ব্যাথা,
♦ কাশি,
♦ গায়ে গায়ে জ্বর।
♦ জ্বর মোটামুটি ৯৯ থেকে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠানামা করতে পারে,
♦ মাথা ব্যাথা,
♦ হাঁচি আসা,
♦ শারীরিক দূর্বলতা, ইত্যাদি।
টাইফয়েডের সাথে এই জ্বরের পার্থক্য
♦ টাইফয়েড জ্বরে সাধারণত সর্দি-কাশি থাকে না।
♦ রিনো ভাইরাসের ক্ষেত্রে সর্দি কাশি দিয়েই শুরু হয়।
♦ টাইফয়েড সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি উচ্চতাপমাত্রা সহ হয়ে থাকে। Rhinovirus তুলনামূলক কম তাপমাত্রা। টাইফয়েডের ক্ষেত্রে ডায়েরিয়া হতে পারে। এখানে ডায়েরিয়া থাকবে না। টাইফয়েডের ক্ষেত্রে শরীরে র্যাশ দেখা দিবে,এখানে র্যাশ দেখা দিবে না।
♦ করোনার সঙ্গে রিনো ভাইরাসের পার্থক্য :
করোনা ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। তবে রিনো ভাইরাস ফুসফুসকে আক্রান্ত করে না। কিংবা ফুসফুসে মারাত্মক জটিলতা করতে সক্ষম নয়।
♦ সর্দি কাশি দিয়ে জ্বর শুরু হলে বুঝতে হবে ভাইরাল ফিভার এবং আতংকিত হবার কারণ নাই। করোনা পরীক্ষা করে নিতে হবে দ্রুত।
জটিলতা
সর্দি-জ্বর থেকে অনেক সময় সেকেন্ডারি ইনফেকশন হয়ে থাকে। টনসিলাইটিস, মিডেল ইয়ার ইনফেকশন বা অটাইটিস মিডিয়া হতে পারে।কানে ব্যাথা করতে পারে।
নিউমোনিয়া হতে পারে, একিউট সাইনুসাইটিস হতে পারে।এজমা রোগীদের এজমা এটাক হতে পারে।
প্রতিরোধে করণীয়
সাধারণত দেখা যায়, এক পরিবারে একজনের সর্দি-জ্বর হলে সবার তা হয়ে যায়, তাই প্রতিরোধের জন্য যা করতে হবে তা হচ্ছে, নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকা। আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহারিত সামগ্রী ব্যবহার না করা। আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহারিত গ্লাস ও অন্যান্য অনুষঙ্গ ব্যবহার না করা।
চিকিৎসা :
দ্রুত করোনা টেস্ট করিয়ে নিশ্চিত হতে হবে। যদি নেগেটিভ আসে কিংবা করোনার অন্যান্য লক্ষণ না থাকে তবে এসব সর্দি জ্বরে সাধারণত চিকিৎসার দরকার হয়না। শুধুমাত্র উপসর্গ ভিত্তিক চিকিৎসাই যথেষ্ট।
জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল আর সর্দির জন্য এন্টিহিস্টামিন ইত্যাদি দেওয়া হয়ে থাকে।এক্ষেত্রে ৭-২১ দিনের মধ্যে মোটামুটি সুস্থ হয়ে যায়।
সাবধানতা:
ভাইরাল ফিভার ভালো হবার পর অনেকের ক্ষেত্রে দুটো এলার্মিং উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যেমন,
১। পোস্ট ভাইরাল ড্রাই কফ (শুকনো কাশি)
২। পোস্ট ভাইরাল হেডেক (মাথা ব্যাথা)
প্রয়োজনে এসব ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে।
6 গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় সিলেটের কৃতি সন্তান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবিরকে স্বাগত জানিয়ে সিলেট
1 বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেটের বিশ্বনাথে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল। কর্মসূচির অংশ
7 স্টাফ রিপোর্টার: এমন ঘটনা সিনেমার কাহিনীকেও হার মানায়। যেটি ঘটিয়েছে সিলেটের ট্যাটো বাহিনীর প্রধান ‘ট্যাটো’ সুমন। সিলেট থেকে অপহৃত
6 সিলেট নগরীর মদিনা মার্কেটের হক ম্যানসনে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) অভিযানের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই রাষ্ট্রীয় আইন ও বিদ্যুৎ
7 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে দেশে পটপরিবর্তন ঘটলেও সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় দৃশ্যপট প্রায় অপরিবর্তিত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে
4 পিয়াইনগুল কলিম উল্লাহ হাইস্কুলের প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন পিয়াইনগুল এ্যালামনাই এসোসিয়েশন এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। 2 শুক্রবার (২১
1 আবহমান বাংলার ষড়ঋতুর তৃতীয় ঋতু শরৎ। এই শরৎকালকে নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আবৃত্তি সংগঠন ছাতক শাখার মুক্তাক্ষর।ব্যবস্থাপনায় ছিল
1 সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামাদল সিলেট জেলার নেতৃবৃন্দ। শুক্রবার (২১ আগস্ট)