editor
প্রকাশিত: 3:25 PM, August 1, 2026
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় সরকারি রাস্তা চিহ্নিতকরণের নামে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন ভূমিতে সীমানা খুঁটি স্থাপন এবং বিদ্যমান সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলার নির্দেশের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের সার্ভেয়ার অমর ফারুকের বিরুদ্ধে।
পাশ্ববর্তী ভূমি মালিকদের কোনো প্রকার অবহিত না করে তাঁদের অনুপস্থিতিতে সীমানা নির্ধারণ এবং ব্যক্তিগত জায়গা সরকারি দাবি করে প্রাচীর ভাঙচুরের ঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে বুধবার (২৯ জুলাই) ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের কুরুয়া গ্রামের হাজী হিরণ মিয়ার পুত্র মারুফ আহমদ জুবেল এই লিখিত অভিযোগ দেন।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকে নিজ কুরুয়া চতলিবন পর্যন্ত একটি গ্রামীণ রাস্তা বিদ্যমান। এর পাশে হাজী আব্দুল হকের মালিকানাধীন ‘নিজ কুরুয়া হেলথ সেন্টারের’ ২৭১ ও ২৭২ নম্বর দাগ এবং হাজী হিরণ মিয়ার মালিকানাধীন ৩৪৪ ও ৩৪৫ নম্বর দাগের ভূমি রয়েছে।
গত মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা সার্ভেয়ার অমর ফারুক সরকারি রাস্তা পরিমাপ করতে যান। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সংলগ্ন ভূমি মালিকদের উপস্থিত রাখার কথা থাকলেও তিনি কাউকে অবহিত করেননি।
অভিযোগ উঠে, রাস্তা পরিমাপের সময় বিদ্যমান সরকারি সড়ক বাদ দিয়ে হিরণ মিয়া, হাজী আব্দুল হক ও আবুল খয়েরের ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমির ৪ ফুট ভেতরের অংশে খুঁটি গেড়ে সেটিকে সরকারি রাস্তা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক হিরণ মিয়ার পুত্র মারুফ আহমদ জুবেল ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবাদ জানালে সার্ভেয়ার ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে আইনি ব্যবস্থার হুমকি দেন। পরবর্তীতে সার্ভেয়ারের নির্দেশনার দোহাই দিয়ে বুধবার সকাল ৭টার দিকে একই গ্রামের আব্বাস মিয়া, সুরুজ আলী গেদা, সাবুল মিয়াসহ কয়েকজন ব্যক্তি কুরুয়া হেলথ স্টোরের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলেন এবং বসতবাড়ির সীমানায় ইট ও বাঁশের খুঁটি পুঁতে দেন। এ সময় প্রতিবাদ করায় স্থানীয় ডলি বেগম নামের এক নারীকেও বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়।
অভিযোগে অভিযুক্ত গ্রামবাসী সাবুল মিয়া, আব্বাস মিয়া ও সুরুজ আলী গেদা জানান, সার্ভেয়ার সরকারি রাস্তা পরিমাপ করে তা ক্লিয়ার (উন্মুক্ত) করার নির্দেশ দেওয়ায় আমরা সম্মিলিতভাবে চলাচলের স্বার্থে সীমানা প্রাচীর সরিয়ে নিয়েছি।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা নির্দেশনার বিষয়টি অস্বীকার করে উপজেলা সার্ভেয়ার অমর ফারুক বলেন, আমি ১০ থেকে ১৫ জন স্থানীয় ব্যক্তির উপস্থিতিতে সরকারি রাস্তার সীমানা নির্ধারণ করেছি। আশপাশের মালিকদের উপস্থিত রাখার দায়িত্ব আবেদনকারীদের দেওয়া হয়েছিল। তবে আমি কোনো সীমানা দেয়াল ভাঙার নির্দেশ দিইনি।
এদিকে ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগকারী মারুফ আহমদ জুবেল বলেন, মূল সরকারি রাস্তা ৭ থেকে ১০ ফুট প্রশস্ত ছিল। গ্রামবাসী মিলে চলাচলের সুবিধার জন্য নিজেদের জায়গা ছেড়ে রাস্তাটি ১৩ ফুট প্রশস্ত করেছি। অথচ আসল রাস্তা বাদ দিয়ে আমাদের বসতবাড়ির ভেতরে খুঁটি পুতে হয়রানি করা হচ্ছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনমুন নাহার আশা বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তবে সার্ভেয়ার সীমানা দেয়াল ভাঙার কোনো নির্দেশ দেননি বলে জানিয়েছেন। স্থানীয় সকল পক্ষকে উপস্থিত রেখে রাস্তাটি পুনরায় নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা হবে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তৎকালীন কমিটি এই বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যথাযথ তদন্ত কমিটির তদন্ত ও সুপারিশের ভিত্তিতে
বিশ্বনাথে গত ২০ অক্টোবর একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি মান্নান মিয়াকে আটক করতে গিয়ে স্থানীয় এক ইউপি
ফ্যান চালিয়ে, জানালার নেট আটকে কিংবা কয়েল ও স্প্রে জ্বালিয়েও রক্ষা মিলছে না। মশার উপদ্রবে সিলেট নগরজুড়ে তৈরি হয়েছে এক
বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান বলেছেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সুরক্ষায়
সিলেটের অভিজাতদের ক্লাব খ্যাত সিলেট স্টেশন ক্লাব ১৪০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে বন্দরবাজারে। পাশেই জেলা পরিষদ। একটু ঘুরলেই জেলা প্রশাসকের
সিলেটে সরকারি ও বেসরকারি এলপিজি গ্যাস নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি অসাধু সিন্ডিকেট। তাদের কারসাজিতে চরম ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির
২৫% কমিশন, জালিয়াতি ও দখলদারিত্বের অভিযোগ আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাকালিন সময় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের ক্ষমতার দাপট
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে আধ্যাত্মিক ও প্রবাসী অধ্যুষিত এই নগরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, দ্রুত বদলাতে শুরু