editor
প্রকাশিত: ৫:০১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেটে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সরগরম আওয়ামী লীগের রাজনীতি। করোনাকালে রাজনৈতিক কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা থাকলেও এখন পুরোপুরি সরব। বিশেষকরে কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে আকস্মিকভাবে অনেকটা উত্তাপ ছড়াচ্ছে সিলেটের আওয়ামী রাজনীতিতে। অবশ্য এটা অপ্রত্যাশিত কিছু নয়। যেকোনো দলের কমিটি গঠন মানেই পক্ষে-বিপক্ষে নেতাকর্মীদের অবস্থান এটাই স্বাভাবিক ঘটনা, এবারও তাই হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের আগেই কমিটি থেকে বাদ পড়ার শঙ্কায় নেতারা মাঠে নেমেছেন। জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা থাকলেও এখন পর্যন্ত মহানগরের মতো বিদ্রোহ হয়নি। তবে বিদ্রোহীরা এটাকে বিদ্রোহ হিসেবে স্বীকার করতে চান না। তাদের দাবি প্রস্তাবিত কমিটিতে যে সকল অসঙ্গতি রয়েছে সেগুলো দূর করার। এর ফলে জেলা আওয়ামী লীগকে ছাড়িয়ে এখন তুমুল আলোচনায় মহানগর আওয়ামী লীগ। আর সেটা নানা কারণে, তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, বেশকিছু ত্যাগী নেতাকে বাদ দিয়ে সুবিধাবাদী সুযোগসন্ধানীদের পদায়ন ও পারিবারিকভাবে পদ পদবির বন্টন। অভিযোগ উঠেছে, বিএনপি-জামাত ঘরাণার লোকদেরও নাকি স্থান দেওয়া হচ্ছে প্রস্তাবিত মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটিতে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের যে কমিটি করা হয়েছে সেটা অনেকটা পারিবারিক কমিটি হয়ে গেছে। এখানে তারা উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ মহানগরের সভাপতি আবার তাঁর ভাই আসাদ উদ্দিন আহমদকে সহ-সভাপতি হিসেবেও প্রস্তাব করা হয়েছে। আবার সদস্য পদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, তাঁর স্ত্রী সেলিনা মোমেন ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা জুয়েলের নামও প্রস্তাব করা হয়েছে বলে অনেকেই ঘোর আপত্তি জানিয়েছেন। তারা জানান, যেখানে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তিকে একই কমিটিতে না রাখার, কিন্তু তারপরও সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটিতে দেখা যায় ভিন্নতা। ওই কমিটিতে একই পরিবারের দুই বা তার অধিক ব্যক্তি প্রস্তাবিত হয়েছেন।
যুগ্ম সম্পাদক পদে যে তিন জনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে, তাদের কে নিয়েও আলোচনা-সমালোচনার অন্ত নেই। আগের কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এটিএম হাসান জেবুলকে যুগ্ম সম্পাদক পদেও নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু দেখা যায়, বয়সে তিনি অনেকেরই জুনিয়র, ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে পরিপক্ষ নন তিনি। তারপরও অনেক ত্যাগী ও পরিক্ষিত নেতাদের পেছনে ফেলে তাকে টেনে নেওয়া হয়েছে প্রস্তাবিত কমিটিতে। আগের কমিটির প্রচার সম্পাদক আবদুর রহমান জামিলের নামও প্রস্তাব করা হয়েছে যুগ্ম সম্পাদক পদে। তিনি কিনা কোনোদিনই ছাত্রলীগের রাজনীতি করেননি। সাবেক অর্থমন্ত্রীর সহযোগিতায় যুবলীগের রাজনীতিতে আগমন এবং পরবর্তীকালে রেডক্রিসেন্ট দখল করেন আবদুর রহমান জামিল। তাকে সুযোগসন্ধ্যানী নেতা হিসেবে উল্লেখ করেন পদবঞ্চিত নেতারা। আগের কমিটির সদস্য ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর আজম খানকেও প্রস্তাব করা হয়েছে যুগ্ম সম্পাদক পদে। জানাযায়, আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার কোনো দীর্ঘ রেকর্ড নেই কাউন্সিলর আজম খানের। তার পরিবারের সকল সদস্যরা জামাত এবং বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত উল্লেখকরে পদবঞ্চিত নেতারা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের রাজনীতি আওয়ামী রাজনীতি।’ সেখানে কাউন্সিলর আজম খানের মতো ব্যক্তির এতো বড় পদে পদোন্নতি হয় কিভাবে?
এখানেই শেষ নয়, মহানগর আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির বিরুদ্ধে রয়েছে আরো নানান অভিযোগ। মহানগরীর ভোটার বা স্থানীয় বাসিন্দাদেরকে বঞ্চিত করে সিলেটের বিভিন্ন উপজেলা থেকে অনেককেই নিয়ে আসা হয়েছে প্রস্তাবিত কমিটিতে। এবিষয়ে আপত্তি ও ক্ষুদ্ধ অনেকেই। তাদের বক্তব্য হলো, নগরীর বাসিন্দাদের মহানগর কমিটিতে স্থান না দিয়ে মহানগরীর বাইরের লোকদের কেনো পদায়ন করা হচ্ছে। যোগ্য, ত্যাগী ও পরিক্ষিত নেতাদের বাদ দিয়ে লজিং মাস্টারকে কোন যোগ্যতায় পদ-পদবি দেওয়া হচ্ছে!
জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির বিরুদ্ধে অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন, যোগ্যতা অনুযায়ী পদ-পদবি দেওয়া হচ্ছে না, বরং এখানেও লিয়াজু ও স্বজনপ্রীতি করা হচ্ছে। এতে করেও ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে জেলা আওয়ামী লীগে। এসব কারণে সংক্ষুব্ধ নেতারা লিখিতভাবে কেন্দ্রের কাছে নালিশ জানিয়েছেন বলেও জানা গেছে।
জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটিতে এবার বেশি কোনঠাসা হয়েছেন সদ্য প্রয়াত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের কান্ডারি ও কেন্দ্রীয় সদস্য প্রয়াত বদর উদ্দিন আহমদ কামরান এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের অনুসারীরা। নতুন প্রস্তাবিত কমিটি দু’টিতে এই দুই নেতার অনুসারী কয়েকজনের স্থান হলেও বাদ পড়েছেন বেশিরভাগই। যাদের মধ্যে অনেকেই যোগ্য এবং পরিক্ষিত। কিন্তু তাদের না রেখে বিতর্কিত অনেককেই স্থান দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সবমিলিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশের আগে বেশ উত্তপ্ত পরিবেশ বিরাজ করছে সিলেট আওয়ামী লীগে। শেষমুহুর্তে নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে অনেকেই দৌড়ঝাঁপ করছেন ঢাকায়।
২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণার মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের কাজ শুরু হয়। এতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক হন অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান। আর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক হন অধ্যাপক জাকির হোসেন। এরপর গত ১৪ সেপ্টেম্বর দীর্ঘ ৯ মাস পর কেন্দ্রে জমা দেওয়া হয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি। এরপর থেকেই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘিরে সিলেট আওয়ামী লীগে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা।
এদিকে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সপ্তাহ খানেকের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন হয়ে যাবে বলে সবুজ সিলেটকে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। তাহলে এবার দেখে নেওয়া যাক, কারা আসছেন আসন্ন জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটিতে। জেলার প্রস্তাবিত কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী ও সাবেক সহ সভাপতি সিলেট-৩ আসনের এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। সহ সভাপতি হিসেবে কারো নাম প্রস্তাব করা হয়নি। এই দুই জন থেকে একজন সিনিয়র সহ সভাপতি হবেন এবং অপর জন সহ সভাপতি এটা নিশ্চিত। যুগ্ম সম্পাদক পদে সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ূন ইসলাম কামাল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী দুলাল ও সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক কবির উদ্দিন আহমদের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছে সাবেক প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহফুজ আহমেদ, সাবেক দফতর সম্পাদক সাইফুল আলম রুহেল, সাবেক উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মস্তাক আহমদ পলাশ ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট রঞ্জিত সরকারের নাম।
প্রচার সম্পাদক পদে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া সম্পাদকীয় পদে রাখা হয়েছে অ্যাডভোকেট আজমল আলী, মজির উদ্দিন, মতিউর রহমান মতিকে। অন্যদিকে, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাাবিত কমিটিতে আগের কমিটির সহ সভাপতি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ, সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ময়নুল ইসলাম, সাবেক সমাজকল্যাণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ মকলু মিয়া, সাবেক সদস্য আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের ভাই অধ্যক্ষ শামসুল ইসলামসহ আগের কমিটির প্রায় ডজন খানেক নেতার স্থান হয়নি বলে জানা গেছে।
এদিকে মহানগর আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটিতে সহ সভাপতি রাখা হয়েছে আগের কমিটির সাধারণ আসাদ উদ্দিন, আগের কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ফয়জুল আনোয়ার আলাওর ও বিজিত চৌধুরীকে। যুগ্ম সম্পাদক পদ পেয়েছেন আগের কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এটিএম হাসান জেবুল, আগের কমিটির প্রচার সম্পাদক আবদুর রহমান জামিল এবং আগের কমিটির সদস্য ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর আজম খানকে। আগের কমিটির শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ওয়ার্ড কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ ও আগের কমিটির সদস্য ওয়ার্ড কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট সালেহ আহমদ সেলিমকে রাখা হয়েছে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে।
মহানগর আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান হয়নি বিগত কমিটির একাধিক নেতার। এদের মধ্যে বিগত কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি সিরাজ বকস্, সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট তুহিন কুমার দাস, সহ সভাপতি মোশাররফ হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কিশোর কুমার কর, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তপনমিত্র, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক জগদীশ দাস, দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক দিবাকর কুমার ধর, সাবেক সদস্য জামাল আহমদ চৌধুরী ও ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলামও রয়েছেন।
তবে এগুলো সব প্রস্তাবিত নাম। পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশের আগে এতে আরো সংযোজন-বিয়োজন হতে পারে। পরিবর্তন আসতে পারে পদ-পদবিতে এমনটাই বিশ^াস করেন আওয়ামী লীগের অনেক নেতা। তাদের দাবি, প্রস্তাবিত কমিটির অসংগতি তুলে ধরে সভানেত্রী বরাবরে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন তারা। তাদের প্রত্যাশা, নেত্রী এই বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করবেন।
তবে পদবঞ্চিত নেতারা সবুজ সিলেটকে জানান, তারা বিদ্রোহী নন, কেবল প্রতিবাদ করছেন উপরোল্লিখিত অনিয়মের। তাদের কথা হলো, আমাদের অভিযোগ কারো বিরুদ্ধে নয়, সব আমাদের নেতা। এই সিলেট শহরে রাজনীতি করে জীবন-যৌবন শেষ করেছি, জেল খেটেছি বছরের পর বছর। গ্রেনেড হামলায় আহত হয়েছি, বিনিময়ে আমরা কি পেলাম? বার বার বঞ্চিত হয়েছি, আর বঞ্চিত হতে চাই না। আমাদের দাবি শুধু সঠিক মূল্যায়ন করা হউক। যারা পদবঞ্চিত হয়েছেন তাদের পদায়ন করা হউক। যাদের বাদ দিয়েছেন কোনো অভিযোগ না থাকলে তাদেরও পূনবর্হাল করা হউক।
7 গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের পক্ষে লিফলেট বিতরণ করেছে জাতীয় গণতান্ত্রক পার্টি (জাগপা) সিলেট মহানগর
7 সিলেটের জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: আতিকুর রহমান বলেছেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির আত্মপরিচয় ও
2 আজ সকাল ১০:০০ টায় বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে বর্ণাঢ্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজন করা হয়
1 মো. নুরুল ইসলাম: সিলেট: ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’—পুরনো বছরের জীর্ণতা, গ্লানি আর শোককে বিদায় জানিয়ে আজ উদিত হয়েছে
8 স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন উত্তর বালুচর এলাকায় অবৈধভাবে টিলার মাটি কাটার সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করায়
3 চাঁদাবাজি ও ইভটিজিংয়ে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী; প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট নগরীর বালুচর এলাকায় জনমনে চরম আতঙ্ক
5 স্টাফ রিপোর্টার: গত ১০ এপ্রিল সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ পর্ণোগ্রাফি মামলায় যুক্তরাজ্যে প্রবাসী শাকির আহমকে গ্রেফতার করে। তার
7 সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লক্ষ্মীপুর সুনামপুর হাফিজ আব্দুল মান্নান হিফজুল কুরআন মাদ্রাসার এতিম ও দুস্থ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে ‘হাফিজ মরহুম