admin
প্রকাশিত: 1:42 PM, December 6, 2020
ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তর
জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কঠোর হতে হবে
মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে কক্সবাজারে অবস্থান করছে। এতে এলাকাটির প্রাকৃতিক পরিবেশ যেমন ধ্বংস হচ্ছে, তেমনি স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনও হুমকির মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। তদুপরি ঘিঞ্জি পরিবেশে রোহিঙ্গারাও অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করছিল। তাই সরকার লাখখানেক রোহিঙ্গাকে সরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ভাসানচরে মানসম্মত আবাসন গড়ে তোলে। কিন্তু রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের হুমকি এবং কিছু এনজিওর পরামর্শে রোহিঙ্গারা এত দিন সেখানে যেতে রাজি হচ্ছিল না। রোহিঙ্গা প্রতিনিধিরা দফায় দফায় জায়গাটি ঘুরে দেখে তাঁদের সিদ্ধান্ত পাল্টেছে। গতকাল শুক্রবার এক হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গা নৌবাহিনীর জাহাজে করে স্বেচ্ছায় ভাসানচরে গিয়েছে। জানা যায়, অনেক রোহিঙ্গাই এখন ভাসানচরে যেতে চাচ্ছে। পর্যায়ক্রমে তাদের সেখানে নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ওপরই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। কিন্তু মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করছে না। তাই কোনো রোহিঙ্গা সেখানে ফিরতে চাচ্ছে না। প্রায় থেমে যাওয়া প্রত্যাবাসন আলোচনা শুরু করতে চীন কাজ করে যাচ্ছে। ভারতও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে চাইছে। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও চেষ্টা করছে প্রত্যাবাসন ত্বরান্বিত করতে। তার পরও প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হতে একটি দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে। এদিকে আশ্রয়শিবিরের ঘিঞ্জি পরিবেশে থাকতে থাকতে রোহিঙ্গারা ক্রমেই অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে। আশ্রয়শিবিরগুলোতে গুম, খুন, ধর্ষণ, অপহরণ—নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলা ক্যাম্পগুলো চলে যায় সশস্ত্র রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের দখলে। অস্ত্র ও মাদক চোরাচালানের সঙ্গেও এই সন্ত্রাসীরা যুক্ত। এরা এসব অপকর্মের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতেই রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরে বাধা দিচ্ছিল। তা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় প্রথম দলটি ভাসানচরে গিয়েছে এবং এই যাওয়া ছিল তাদের কাছে অত্যন্ত আনন্দমুখর। প্রথম যাত্রায় যেতে না পারায় অনেককেই আফসোস করতে শোনা গেছে।
জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) স্ট্যান্ডার্ড মেনে ৩.৯ বর্গমিটার জায়গা রেখে ভাসানচরে ঘরগুলো তৈরি করা হয়েছে। ১২০টি ক্লাস্টারে থাকা ঘরগুলো এতটাই পোক্ত যে ২৬০ কিলোমিটার গতির ঝড়েও ঘরের কোনো ক্ষতি হবে না। তার পরও এসব ক্লাস্টারের সঙ্গে রয়েছে চারতলা দুর্যোগকালীন আশ্রয়কেন্দ্র। রয়েছে ভূগর্ভস্থ পানি এবং পুকুর, হ্রদ ও খালের ব্যবস্থা। আছে ডিজেল জেনারেটর ও সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা। রয়েছে বাজার, হাসপাতাল, ক্লিনিক, থানা, সুপারশপ, অফিস ও শেল্টার হাউস। আছে জীবিকা নির্বাহের নানা সুবিধা। এখানকার জীবনের কাছে কক্সবাজারের বস্তির জীবনের কোনো তুলনাই হয় না। তা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক এনজিওগুলো কেন স্থানান্তরের বিরোধিতা করছিল, তা আমাদের বোধগম্য নয়।
শুধু পরিবেশই নয়, নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা কক্সবাজারে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার দীর্ঘ উপস্থিতিকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকি হিসেবেও দেখছেন। আমরা কোনোভাবেই তা চাই না। আমরা চাই, আরো কয়েক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে বা অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়া হোক।
S/H(t-2)
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ক্ষুদ্র ও ঋণবিষয়ক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক
স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন
সিলেটের দক্ষিণ সুরমা সুইপার কলোনির প্রবেশমুখে অবস্থিত ‘খান বোর্ডিং’ নামক একটি আবাসিক হোটেল মাদকসেবী ও অপরাধীদের প্রধান ও নিরাপদ আশ্রয়ে
দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, এরশাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে রাজপথের প্রতিটি লড়াই-সংগ্রামের পরীক্ষিত সৈনিক এবং তৃণমূলের সুসংগঠিত সংগঠক
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় দীর্ঘ ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে টানা সেবা দিয়ে গেলেও চাকরির স্থায়িত্ব পাননি
সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) সংসদীয় আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এখন তৃণমূল নেতাকর্মীদের
আসন্ন উছমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন সিলেট জেলা যুবদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. রেদওয়ান
ফ্রান্সে বসবাসরত সিলেট বিভাগের প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং তাদের অধিকার ও ন্যায্য দাবি-দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে ‘সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদ ফ্রান্স