admin

প্রকাশিত: ১২:৩০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২২, ২০২০

সেনারা আরো দক্ষ হয়ে দেশ গড়তে অবদান রাখবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর

সেনারা আরো দক্ষ হয়ে দেশ গড়তে অবদান রাখবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর

8

অনলাইন ডেস্ক

সশস্ত্র বাহিনী দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেছেন, দেশের তিন বাহিনীর সদস্যরা আরো দক্ষ ও বলীয়ান হয়ে দেশকে গড়ে তোলার কাজে অবদান রাখবে।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২০’ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ সততা, নিষ্ঠা, দেশপ্রেম এবং পেশাগত দক্ষতায় বলীয়ান হয়ে দেশের প্রতিরক্ষা এবং দেশ গড়ার কাজে আরো বেশি অবদান রাখবেন- পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালার কাছে এই প্রার্থনা করি।’

এ সময় সরকারপ্রধান ‘সশস্ত্র বাহিনীর সকল সদস্য ও তাঁদের পরিবারবর্গের সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা’ করেন।

এর আগে আজ সকালে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাঁদের সামরিক সচিবেরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে শ্রদ্ধা জানান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল ও বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত।

বিকেলে তিন বাহিনীর প্রধান গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের পূর্ণরূপ-

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

আসসালামু আলাইকুম।

সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২০ উপলক্ষে আমি তিন বাহিনীর প্রতিটি সদস্যসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় অন্যান্য বছরের ন্যায় এ বছর সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। তবে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাহিনীগুলি নিজেদের মতো করে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

আজকের এই মহৎ দিনে আমি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি প্রাণপণ যুদ্ধ করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল। শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি জাতীয় চার নেতাকে। স্মরণ করছি মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ নির্যাতিত মা-বোনকে। মুক্তিযোদ্ধাদের আমার সালাম।

আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে আজকের এই দিনটি এক বিশেষ গৌরবময় স্থান দখল করে আছে। ১৯৭১ সালের এই দিনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অকুতোভয় সদস্যগণ যৌথভাবে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণের সূচনা করেন। সম্মিলিত আক্রমণের মুখে শত্রুবাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। ১৬ই ডিসেম্বর অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মহান আত্মত্যাগ ও বীরত্বগাঁথা জাতি চিরদিন গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

প্রিয় দেশবাসী,​

3

মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ক্ষুদ্র পরিসরে যে সশস্ত্র বাহিনীর জন্ম হয়েছিল, তা আজ মহীরুহ হয়ে বিশাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। স্বাধীনতার পর পরই জাতির পিতা একটি উন্নত ও পেশাদার সশস্ত্র বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছিলেন। সে লক্ষ্যে তিনি ১৯৭৪ সালে প্রণয়ন করেছিলেন প্রতিরক্ষা নীতি।

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে সীমিত সম্পদ নিয়ে বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালেই গড়ে তোলেন বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি, কম্বাইন্ড আর্মস স্কুল এবং সেনাবাহিনীর প্রতিটি কোরের জন্য স্বতন্ত্র ট্রেনিং সেন্টার।

বঙ্গবন্ধু একইসঙ্গে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তিনটি ঘাঁটি উদ্বোধন করেন। ভারত ও যুগোশ্লাভিয়া থেকে নৌবাহিনীর জন্য যুদ্ধ জাহাজ সংগ্রহ করেন। ১৯৭৩ সালে সে সময়ের সুপারসনিক মিগ-২১ যুদ্ধবিমানসহ হেলিকপ্টার ও পরিবহন বিমান এবং এয়ার ডিফেন্স রাডারের মতো অত্যাধুনিক সরঞ্জাম বিমান বাহিনীতে সংযোজন করেন।

আজ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী লগ্নে জাতির পিতা প্রণীত জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতির শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশে সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং কর্মদক্ষতা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রিয় দেশবাসী,

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ দেশের যে কোনো ক্রান্তিলগ্নে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে বাংলাশে সেনাবাহিনী দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ‘লক-ডাউন কার্যক্রম’ বাস্তবায়ন করেছে। সাধারণ জনগণের মধ্যে মহামারি প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং বিদেশ থেকে আগত ব্যক্তিবর্গের জন্য কোয়ারেন্টাইন সেন্টার স্থাপন ও পরিচালনা করে যাচ্ছে।

এ ছাড়া সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, ঢাকার সমন্বিত করোনাভাইরাস চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। করোনাকালে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নানাবিধ কার্যক্রমও অত্যন্ত প্রশংসা কুড়িয়েছে।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলার বাংলাদেশ নৌবাহিনী সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা এবং দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারদের মানবিক সহায়তা প্রদানে কাজ করে যাচ্ছে।

মালদ্বীপের করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের প্রদত্ত চিকিৎসা সামগ্রী নৌবাহিনীর জাহাজ যোগে সেখানে পাঠানো হয়।

এ ছাড়া জাতিসংঘে নিয়োজিত বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ ‘বিজয়’ লেবাননের বৈরুতে বসবাসরত বাংলাদেশি পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্য ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে। আমাদের বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত জনপ্রতিনিধি, চিকিৎসক, শিক্ষক, বিশিষ্টজনসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করেছে।

করোনা পরিস্থিতিতে আটকে পড়া দেশি-বিদেশি নাগরিকদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ১৭টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মালদ্বীপে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের করোনা চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি মেডিকেল টিম মালদ্বীপে প্রেরণ এবং লেবাননে সংঘটিত ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর সেখানে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে।

আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ অতীতে যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনায় দক্ষতা দেখিয়েছেন। দেশের অবকাঠামো উন্নয়নেও সশ্রস্ত্র বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

করোনাভাইরাস মোকাবিলা করতে গিয়ে সশস্ত্র বাহিনীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজন মৃত্যুবরণ করছেন। যাঁরা মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। যাঁরা অসুস্থ, তাঁদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন। এ বছর জাতিসংঘের ৭৫তম বছরপূর্তিতে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় আমরা আবারো সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রদানকারী দেশ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছি। দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশের যেসব শান্তিরক্ষী মারা গেছেন, আমি তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন মেজর জেনারেল পদবীর অফিসার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ডেপুটি ফোর্স কমান্ডার হিসেবে মনোনীত হয়েছেন এবং ফোর্স কমান্ডার হিসেবে একজন মেজর জেনারেল বা লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদবীর অফিসার নিয়োগের কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।

প্রিয় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যবৃন্দ,

জাতির পিতা প্রর্বতিত ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়’ – এই মূলমন্ত্র দ্বারা আমাদের বৈদেশিক নীতিমালা পরিচালিত। প্রতিবেশী সকল রাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে আমরা বিশ্বাসী। তবে, যে কোনো আগ্রাসী আক্রমণ থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আমরা সদা-প্রস্তুত ও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বঙ্গবন্ধুর প্রতিরক্ষা নীতি ১৯৭৪-এর আলোকে আমরা ফোর্সেস গোল-২০৩০ প্রণয়ন করেছি। তারই ধারাবাহিকতায় সশস্ত্র বাহিনীকে সাংগঠনিকভাবে পুনর্গঠন, উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদান এবং বিশেষায়িত সামরিক সজ্জায় সজ্জিত করা হচ্ছে।

বিগত এক দশকে আমরা সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি শাখাকে আধুনিক সমরাস্ত্র এবং উপকরণ দ্বারা সমৃদ্ধ করেছি। আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, আমাদের সরকারের আমলে সশস্ত্র বাহিনী যে পরিমাণ আধুনিকায়ন হয়েছে অতীতে কোনো সময়েই তা হয়নি।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দুটি পদাতিক ব্রিগেড, রামুতে ১০ পদাতিক ডিভিশন, সিলেটে ১৭ পদাতিক ডিভিশন, পদ্মা সেতু প্রকল্পের নিরাপত্তা ও তদারকির জন্য একটি কম্পোজিট ব্রিগেড, স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেশন ছাড়াও ১০টি ব্যাটালিয়ন, এনডিসি, বিপসট, এ.এফ.এম.সি, এম.আই.এস.টি, এনসিও’স একাডেমি ও বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে দেশের সামরিক হাসপাতালগুলোতে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে এবং আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতাকে বৃদ্ধি করতে সেনাবাহিনীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আর্মি ইনফরমেশন টেকনোলজি সাপোর্ট অর্গানাইজেশন।

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইএফএফ প্রস্তুতকরণ প্রকল্প, মাইন-টর্পেডো ডেভেলপমেন্ট, গান ডেভেলপমেন্টসহ বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ক্রমাগত প্রচেষ্টা ও নিজস্ব বিশেষজ্ঞ দ্বারা উন্নত প্রযুক্তির সফট্ওয়্যার তৈরি করে সাইবার নিরাপত্তা ও নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক ওয়ারফেয়ারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সেনা আবাসন প্রকল্প, উন্নতমানের রসদ সরবরাহ এবং বহুতল সরকারি পারিবারিক বাসস্থান নির্মাণ করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর শহীদ/মৃত/অবসরপ্রাপ্ত অসহায় বিধবা পত্নীদের দুঃস্থ ভাতা ৫০ ভাগ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অফিসার, জেসিও এবং অন্যান্য পদবির সদস্যগণের ছুটি নগদায়নের অর্থ প্রদান ১২ মাসের পরিবর্তে ১৮ মাসে উন্নীত করা হয়েছে। জেসিও ও অন্যান্য পদবীর পেনশনযোগ্য চাকরিকাল ১৫ বছরের পরিবর্তে ১০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর জেসিও এবং অন্যান্য পদবীর সদস্যগণের জন্য মৃত্যুবরণ এবং স্থায়ীভাবে অক্ষম হওয়ার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

2

আমাদের সরকারই সর্বপ্রথম সশস্ত্র বাহিনীতে নারী সদস্য নিয়োগ করে। গত বছর থেকে সেনাবাহিনীতে পাঁচজন নারী সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে উন্নীত হয়ে সম্মুখসারির যুদ্ধের ইউনিটসমূহের ইউনিট অধিনায়ক হিসেবে কর্মরত আছেন।

5

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্রথমবারের মতো চিকিৎসাবিদ্যার ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগমকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক ‘স্বাধীনতা পদক-২০১৯’ এ ভূষিত করা হয়। আমাদের সরকারের সময়ই প্রথমবারের মতো বিমান বাহিনীতে মহিলা বিমানসেনা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রিয় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যবৃন্দ,

আর্থ-সামজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আজ একটি সুপরিচিত নাম। করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যে অনেক উন্নত এবং উদীয়মান অর্থনীতির দেশ যখন ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির মুখে পড়েছে, তখনও আমাদের প্রবৃদ্ধি ৫.২৪ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের প্রবাসী আয়, কৃষি উৎপাদন এবং রপ্তানি বাণিজ্য ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এমতাবস্থায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে হবে। ইনশাআল্লাহ, আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্য-নিরক্ষরতামুক্ত অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করবোই।

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ সততা, নিষ্ঠা, দেশপ্রেম এবং পেশাগত দক্ষতায় বলীয়ান হয়ে দেশের প্রতিরক্ষা এবং দেশ গড়ার কাজে আরো বেশি অবদান রাখবেন- পরম করুণাময় আল্লাহ্তায়ালার কাছে এই প্রার্থনা করি। সশস্ত্র বাহিনীর সকল সদস্য ও তাঁদের পরিবারবর্গের সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করছি।

3

Sharing is caring!


আর্কাইভ

May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

সর্বশেষ সংবাদ

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা, কানাইঘাট উপজেলা ও পৌর শাখার কমিটি গঠন

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা, কানাইঘাট উপজেলা ও পৌর শাখার কমিটি গঠন

5 বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট সিলেট জেলা শাখার সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা, কানাইঘাট উপজেলা ও

দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্ঠা ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবের অভিনন্দন

দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্ঠা ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবের অভিনন্দন

4 ঐতিহ্যবাহী দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্ঠা (প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায়) ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন

আনজুমানে হেফাজতে ইসলাম সিলেট মহানগরের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আনজুমানে হেফাজতে ইসলাম সিলেট মহানগরের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

5 প্রাচীন অরাজনৈতিক ইসলাহী সংগঠন আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ সিলেট মহানগর শাখা আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও ইসলাহী মাহফিল গতকাল ১০

সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির: বিমানবন্দরে বিএনপি নেতৃবৃন্দের সংবর্ধনা

সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির: বিমানবন্দরে বিএনপি নেতৃবৃন্দের সংবর্ধনা

6 প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা) ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির সংক্ষিপ্ত সফরে আজ সোমবার সিলেটে পৌঁছেছেন। তিনি সিলেট ওসমানী

সিলেট উইমেন চেম্বার: আওয়ামী দোসর লুবানা ইয়াসমিন শম্পার ‘একচ্ছত্র দাপট’

সিলেট উইমেন চেম্বার: আওয়ামী দোসর লুবানা ইয়াসমিন শম্পার ‘একচ্ছত্র দাপট’

2 স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি লুবানা ইয়াসমিন শম্পার একক আধিপত্য, অনিয়ম ও ‘দাপুটে’ কার্যকলাপে

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে নানা অনিয়ম

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে নানা অনিয়ম

3 * ফুটবল ও ক্রিকেট ইভেন্টে প্রতিটি টিম ১২ হাজার টাকা করে পাওয়ার কথা * ইভেন্ট শেষ হলেও অংশগ্রহণকারীরা এখনও

নাসিম হোসাইনের অর্ধকোটি টাকা ছিনতাই ঘটনায় সুনামগঞ্জ সমিতির মানববন্ধন

নাসিম হোসাইনের অর্ধকোটি টাকা ছিনতাই ঘটনায় সুনামগঞ্জ সমিতির মানববন্ধন

4 সুনামগঞ্জ সমিতি, সিলেট-এর সাবেক সভাপতি ও মহানগর বিএনপি সভাপতি নাসিম হোসাইনের অর্ধকোটি টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত অপরাধীদের

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেয়ার দাবিতে ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন সিলেট জেলা শাখার সমাবেশ

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেয়ার দাবিতে ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন সিলেট জেলা শাখার সমাবেশ

1 সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জের হাওর অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ৬ মাসের খাদ্য সহায়তা এবং কৃষি ঋণ

1
8