editor

প্রকাশিত: 7:58 PM, August 17, 2024

আন্দোলন নিয়ে তাসরিফ খানকে হুমকি দিয়েছিলেন সোলাইমান সুখন?

আন্দোলন নিয়ে তাসরিফ খানকে হুমকি দিয়েছিলেন সোলাইমান সুখন?

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও ‘কুড়েঘর’ ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা তাসরিফ খান।

সম্প্রতি এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই গায়ক দাবি করেন, গত ২৩ জুলাই রাতে একটি এজেন্সি ও সরকারি সংস্থার লোকজন মিলে তার বাসার নিচে গিয়ে ওই সময়ে সরকারের পক্ষে ভিডিও তৈরি করার জন্য টাকা ও হুমকি দিয়ে এসেছিলেন।

পুরো ঘটনার পেছনে কাজ করেছেন দেশের সিনিয়র একজন ইনফ্লুয়েন্সার। তার ডাকেই বাসার নিচে নেমে এসেছিলেন তিনি। যদিও স্ট্যাটাসে কোথাও সেই ইনফ্লুয়েন্সারের নাম প্রকাশ করেননি এই শিল্পী।

তবে স্ট্যাটাসের পর থেকেই কমেন্টবক্সে তাসরিফের শুভাকাঙ্খী ও সহকর্মীরা দাবি করছেন, সেই ইনফ্লুয়েন্সারের নাম সোলায়মান সুখন।

এমনকি একই ঘটনা নিজেদের সঙ্গে ঘটেছে বলে দাবি করেছেন, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরী, রাকিন আবসারসহ বেশ কয়েকজন। এই ঘটনার জন্য পরোক্ষভাবে সোলায়মান সুখনকেই দায়ী করেছেন তাদের কেউ কেউ।

বিষয়টি নিয়ে একটি সংবাদমাধ্যমে কথা বলেছেন সুখন। যেখানে তিনি দাবি করেছেন, তাসরিফকে কোনো রকম হুমকি দেননি। এমনকি এই ঘটনার সঙ্গেও তার কোনো সম্পর্ক নেই।

সোলায়মান সুখন বলেন, ‘আমি কেন একজনকে হুমকি-ধমকি দিতে যাব। আমার এই বয়সে কি এটা যায়। আমি একটা চাকরি করি। অনেক চাপ আছে। বাচ্চারা অনেক কিছু লিখছে। লিখুক। আমার আসলে আর কিছু বলার নেই।’

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে এই ইনফ্লুয়েন্সার বলেন, ‘অনেক রিউমার এসেছে। তবে একটা কথা বলতে চাই, যৌক্তিক কোনো কিছুর বিরুদ্ধে থাকার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। আন্দোলন নিয়ে আমি গত মাসের ১১ তারিখ সব কিছু পরিষ্কার করেছিলাম। আমার ফেসবুক ওয়ালে এখনো সেই ভিডিও আছে। তবে ছাত্ররা যেভাবে করেছে সেভাবে কিছুই করতে পারিনি। এ জন্য কষ্ট আছে।’

এর আগে নিজের দেওয়া স্ট্যাটাসে তাসরিফ লেখেন, ‘‘২৩ জুলাই রাত রাত ১টার কথা বলছি। একজন সিনিয়র ইনফ্লুয়েন্সার কল দিয়ে বললেন, ‘তাসরিফ, তোর বাসার নিচে নাম, চা খাইতে আসতেছি, গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা আছে।’

৫ জুলাই থেকে ছাত্রদের পক্ষে বিভিন্ন পোস্ট করা, কবিতা লিখতে থাকা এবং ‘রাজার রাজ্যে সবাই গোলাম’ গানটা ফেসবুকে চলতে থাকায় সরকারি গুণ্ডা বাহিনীর থ্রেটে আমি তখন বাসার বাইরে অবস্থান করছিলাম। ওই সিনিয়র ইনফ্লুয়েন্সারের কথায় বিশ্বাস করে আমি তখন বাসার সামনে আসি উনার সঙ্গে দেখা করতে। গাড়ি থেকে ৬-৭ জনের মতো নেমে আসে। ইনফ্লুয়েন্সার সাহেব আমাকে একটু সাইডে নিয়ে আস্তে করে বুঝিয়ে বলেন, ‘সাথে যারা আছে তারা একটা এজেন্সির লোক এবং আইন প্রয়োগ সংস্থার বাহিনীর কয়েকজনও আছে এখানে।’

আমি তখন উনার কাছে জানতে চাই যে, উনারা কেন এসেছেন, কী চাচ্ছেন মূলত! উনি তখন বুঝায়ে বলেন, ‘সরকারি একটা কাজ আছে, এই সরকার আরও ৭-৮ বছর ক্ষমতায় থাকব। আমরা ঠিকমতো বাঁচতে চাইলে সরকারের পক্ষে কাজ করতে হইব, এর বাইরে কোনো রাস্তা নাই।’

এই কথা বলে উনি (ইনফ্লুয়েন্সার) আবার আমাকে গাড়ির কাছে নিয়ে যান। সেই ৬-৭ জনের মধ্য থেকে একজন আমাকে বলে, ‘তাসরিফ, তোমাকে আমরা চিনি। আমরা তোমাকে একটা স্ক্রিপ্ট দিতেছি, ছোট্ট একটা ভিডিও করতে হবে। এই ভিডিওটা আমাদের কালকের মধ্যে লাগবে। পরশু সরাসরি প্রধানমন্ত্রী এই ভিডিওটা দেখবেন এবং তারপর তুমি আপলোড করবা।’

সেই ইনফ্লুয়েন্সার তাদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে আমাকে বলেন, ‘দেখ তাসরিফ, পিএমের চোখে পড়ার এটাই সুবর্ণ সুযোগ, ভিডিওটা ভালো করে কর, সরকার যতদিন আছে সুবিধা পাবি।’ কথা শেষ করার আগেই উনি পকেট থেকে এক লাখ টাকার তিনটা বান্ডেল, মোট তিন লাখ টাকা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলেন, ‘এইটা সামান্য ছোট একটা গিফট! টাকা যত চাস, তত দেওয়া হবে, ভিডিওটা সুন্দর কইরা কর।’

ঠিক এই সময় আমার ফোনে আমার ব্যান্ডের ড্রামার শান্তর নম্বর থেকে একটা কল আসে। ফোন রিসিভ করতেই শান্ত আমাকে কাঁদতে কাঁদতে বলে, ‘তাসরিফ! পাঁচ-ছয়জন পুলিশ এবং সিভিল ড্রেসের কয়েকজন মিলে আমাকে রোল দিয়া সারা শরীরে মারছে!’

শান্তর কথা শুনে আমার হাত-পা একরকম কাঁপতে থাকে। আমি বোঝার চেষ্টা করি, এই মাইর খাওয়াটা কি আমাকে এদিকে রাজি করানোর জন্য ভয় দেখানো? নাকি কেবলমাত্র একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা? শান্তর লাইন কেটে যায়।

আমি আমার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পরিচয় দেওয়া তাদেরকে বলি, ‘ভাই, এইমাত্র কয়েকজন মিলে আমার ভাই, আমার ব্যান্ডের ড্রামার শান্তকে প্রচুর মারছে!’ ওরা জাস্ট আমাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলে, ‘আরেহ! দেশের যে অবস্থা, এটা এখন কিছু করা যাবে না। ওরে বলো বাসায় চলে যাইতে।’

আমার তখন মাথায় আসে, এখন যদি আমি ওদেরকে টাকা ফিরিয়ে দিই অথবা কাজ করতে অস্বীকৃতি জানাই, তবে তারা আমাকে চাইলেই গাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে ভিডিও করে জোরপূর্বক আপলোড করাতে পারে। আমি তাই মাথা ঠাণ্ডা করে ওদেরকে বলি ঠিক আছে আমি দেখতেছি কী করতে পারি, কালকের মধ্যে জানাচ্ছি। ওরা আমাকে তখনও একরকম থ্রেট দিয়ে বলে, ‘ভাই জানাচ্ছির সুযোগ নাই! সিচুয়েশন তো বুঝেনই। ভিডিও কালকেই লাগবে।’ সাথে ওই ইনফ্লুয়েন্সারও আমাকে বলে, ‘তাসরিফ, ভিডিওটা তো পিএম দেখবে সো বুইঝা-শুইনা সুন্দর কইরা করিস।’

ওদের সাথে কথা শেষ করে আমি বাসায় ফেরত যাই। বাসায় সবাইকে সব সিচুয়েশন জানিয়ে আমি আমার ম্যানেজার আয়মান সাবিতকে ফোন দিয়ে বলি, ‘আয়মান, আমি বাসা ছেড়ে দিচ্ছি, এই এই ঘটনা ঘটছে। আমি তোকে নম্বর দিচ্ছি, তুই ওই এজেন্সিকে আমার বাসা থেকে তিন লাখ টাকা নিয়ে ওদেরকে দিয়ে দিবি কালকেই। আমি আপাতত বাসা ছেড়ে চলে যাচ্ছি, কারণ আমি বাসায় থাকলে ওরা আমাকে তুলে নিয়ে যাবে।’

ওই সময় আমার মনের অবস্থা আমি জানি। আমার বাসার অবস্থা, ডায়াবেটিসের রোগী আমার আম্মুর অবস্থা, আব্বুর টেনশন, গুম হয়ে যাওয়ার চিন্তা এবং দেশের সাথে বেইমানি করতে ওরা আমাকে বাধ্য করতে চাচ্ছে। সব কিছুই আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। সাথে বারবার আমার কানে বাজছে শান্তর ওই কান্না ভরা আর্তনাদ।

কষ্টের ব্যাপার কী জানেন? এই ঘটনার ঘণ্টাখানেক আগে শান্ত আমাকে ফোন দিয়ে বলছিল, ‘খান, আমার বাসায় আম্মা নাই। এদিকে কারফিউ চলছে, দুপুরের খাওয়া হয় নাই, একটা দোকানও খোলা নাই আমার প্রচণ্ড ক্ষুধা লাগছে, কী করব?’ আমি শান্তকে বলছিলাম, ‘এক বড় ভাই ফোন দিয়েছে, আমার বাসার সামনে যাওয়া লাগছে, তো তুমি আমার বাসায় চইলা আসো, দুই ভাই একসাথে খাব।’

ছেলেটা চেয়েছিল আমার বাসায় এসে ভাত খাইতে অথচ তাকে রাস্তায় বেধড়কভাবে মাইর খাইতে হইল। মার খাওয়ার পরে ফোনকলে ও আমাকে এটাও বলছিল যে, ‘খান! সবাই আমারে একসাথে রোল দিয়ে মারতেছিল আর একজন বন্দুক তাক করে চিল্লায়ে বলছিল, চুপচাপ মাইর খা অমুকের পোলা নাইলে গুলি কইরা মাইরা ফালামু, লাশ খুঁজে পাইব না তোর পরিবার!’

শান্ত এই কথাটা বলতে বলতে কাঁদতেছিল যে, ‘আমাকে ছাত্র বইলা বইলা ওরা মারছে আর বারবার বলতেছিল যে এই অমুকের পোলা ছাত্র! ওরে মার!’ ওই রাতে আমি বাসা থেকে পালিয়ে যাই।

আমি জানি কয়েকটা পোস্ট, কবিতা লেখা আর ‘রাজার রাজ্যে সবাই গোলাম’-এর মতো কিছু গান করা ছাড়া দেশের জন্য তেমন কিছুই করতে পারি নাই। আমি জানি, আমি আবু সাঈদের মতো পথে গিয়ে বুক পেতে দিতে পারি নাই। হয়তোবা এতটুকু সাহস আমার তখন হয় নাই। তবে, আল্লাহ জানেন আর আমি জানি, আমি টাকার কাছে বিক্রি হয় নাই আর দেশের সাথে বেইমানি করি নাই।

এই পোস্ট, পোস্টে শান্তর ছবিগুলো এবং ওদের নির্মমতার কথাগুলো আমি লিখে পোস্ট করছি এই কারণে, যেন ভবিষ্যতে কখনও এই স্বৈরাচারের প্রতি আমার ঘৃণা এতটুকু পরিমাণও কমে না যায়।’’

এ বিষয়ে আজ শনিবার একটি সংবাদমাধ্যমকে তাসরিফ জানান, সেই ইনফ্লুয়েন্সার ফোন দিয়ে অনুরোধ করেছেন- তার নামটি প্রকাশ না করার জন্য। এতে করে তিনি বিপদে পড়তে পারেন। যে কারণে তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। কারণ ওই ব্যক্তিরও পরিবার আছে। আমি চাই, সে নিজেকে শুধরে নিক।

Sharing is caring!


আর্কাইভ

October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031  

সর্বশেষ সংবাদ

সরকারি পিপি-এপিপি পদে নিয়োগপ্রাপ্ত চার কৃতি আইনজীবীকে বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতির সংবর্ধনা

সরকারি পিপি-এপিপি পদে নিয়োগপ্রাপ্ত চার কৃতি আইনজীবীকে বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতির সংবর্ধনা

সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ও অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বিয়ানীবাজারের চার কৃতি আইনজীবীকে সংবর্ধনা দিয়েছে বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সিলেট।

বিএমজেএ সিলেট বিভাগীয় কমিটির সদস্য আহ্বান

বিএমজেএ সিলেট বিভাগীয় কমিটির সদস্য আহ্বান

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়শন (বিএমজেএ) সিলেট বিভাগীয় কমিটির সদস্য আহ্বান। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামীকাল শনিবার (১৭

সিলেটে স্বাস্থ্যসেবার নামে চরম নৈরাজ্য : লাইসেন্সহীন মহানগর হাসপাতালকে জরিমানা

সিলেটে স্বাস্থ্যসেবার নামে চরম নৈরাজ্য : লাইসেন্সহীন মহানগর হাসপাতালকে জরিমানা

‎‎আক্তার হোসেন: ‎‎নগরবাসীর জীবন ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে ছিনিমিনি খেলার সুযোগ আর দেওয়া হবে না। স্বাস্থ্য খাতের চরম বিশৃঙ্খলা, লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা

কুমিল্লা পট্টি ও সুইপার কলোনিতে কিশোর গ্যাংয়ের উপদ্রব, বাড়ছে অপরাধ

কুমিল্লা পট্টি ও সুইপার কলোনিতে কিশোর গ্যাংয়ের উপদ্রব, বাড়ছে অপরাধ

স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের ঐতিহাসিক দক্ষিণ সুরমার ভাবমূর্তি এখন এক চরম সংকটের মুখে। স্থানীয় সচেতন মহলের চরম ক্ষোভ আর উদ্বেগের কারণ

কাউন্টারে টিকিট নেই: ডাবিং করে কালোবাজারি করছে কুলাউড়ার নাছির সিন্ডিকেট

কাউন্টারে টিকিট নেই: ডাবিং করে কালোবাজারি করছে কুলাউড়ার নাছির সিন্ডিকেট

স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট, শ্রীমঙ্গল ও শায়েস্তাগঞ্জ রুটের ট্রেনের টিকিট সাধারণ যাত্রীদের কাছে এখন সোনার হরিণ। কাউন্টারে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা

আবাসিক হোটেলের আড়ালে মাদকের স্বর্গরাজ্য :দক্ষিণ সুরমায় ‘সায়মন হোটেল’ যেন ইয়াবা সেবনের নিরাপদ আস্তানা

আবাসিক হোটেলের আড়ালে মাদকের স্বর্গরাজ্য :দক্ষিণ সুরমায় ‘সায়মন হোটেল’ যেন ইয়াবা সেবনের নিরাপদ আস্তানা

স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের দক্ষিণ সুরমা সুইপার কলোনি সংলগ্ন ‘খান বোর্ডিং’ নিয়ে চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশের পর এবার একই এলাকার আরেকটি হোটেলের

জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সহসভাপতি সালেহা কবির শেপি

জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সহসভাপতি সালেহা কবির শেপি

স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। অনুমোদিত এই কমিটিতে সহসভাপতি হিসেবে

ব্যবসার প্রসারে আরএফএল সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে: পিপি অ্যাডভোকেট মোমিন

ব্যবসার প্রসারে আরএফএল সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে: পিপি অ্যাডভোকেট মোমিন

সিলেট নগরীর বালুচর এলাকায় মেসার্স সুমন এন্টারপ্রাইজের আয়োজনে আরএফএল এক্সক্লুসিভ শোরুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল ৫টায়