admin
প্রকাশিত: 12:56 PM, December 8, 2020
রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া
ভাসানচরে আনন্দের ঢেউ
ভাসানচরে আনন্দের ঢেউ জেগেছে যেন। দেড় সহস্রাধিক রোহিঙ্গা এক মহোৎসবে মেতেছে সেখানে। অনেকদিন ধরেই জল্পনা-কল্পনা চলছিল, রোহিঙ্গারা সেখানে যাবে তো! শেষ পর্যন্ত ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১ হাজার ৬৪২ জনকে শুক্রবার ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্প থেকে রওনা দেয় রোহিঙ্গাদের প্রথম দল, যাদের মধ্যে ছিল ৩৬৮ জন পুরুষ, ৪৬৪ জন নারী এবং ৮১০ জন শিশু। চট্টগ্রামে রাত্রিযাপনের পর শুক্রবার তাদের নিয়ে রওনা হয় সেনা ও নৌবাহিনীর জাহাজ। নতুন ঠিকানায় তাদের স্বাগত জানানো হয় আনুষ্ঠানিকভাবে। বর্ণিল ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয়েছিল ভাসানচরের অস্থায়ী আবাসস্থল। সেখানে তৈরি হয় এক মহা আনন্দমুখর পরিবেশ। বসবাসের জন্য নতুন ঘর ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ পেয়ে আনন্দে ফেটে পড়ে ভাসানচরে স্বেচ্ছায় আসা রোহিঙ্গারা। শিশুরা এক নতুন খোলামেলা পরিবেশ পেয়ে আনন্দে মাতোয়ারা হয়। ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য যে আবাসস্থল তৈরি করা হয়েছে, তা আধুনিক সুযোগ-সুবিধায় সমৃদ্ধ। সব মিলিয়ে কক্সবাজারের চেয়ে ১৮টি উন্নত সুবিধা রয়েছে ভাসানচরে। পুনর্বাসিত রোহিঙ্গাদের কাছে এটা হয়ে উঠেছে যেন রূপকথার জগৎ।
বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের নতুন আবাসস্থলে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া তো শুরু হল, প্রশ্ন হচ্ছে ভাসানচর কি হয়ে উঠবে তাদের জন্য স্থায়ী ঠিকানা? তারা কি স্বদেশে প্রত্যাবাসিত হতে পারবে না? রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্তটিকে সাধুবাদ জানিয়েই বলতে হয়, পুনর্বাসন নয়, তাদের স্বদেশে প্রত্যাবাসনই হতে হবে মূল লক্ষ্য। প্রকৃতপক্ষে, কক্সবাজারে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার কারণেই রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর মানে এই নয় যে, তারা চিরকালই সেখানে থেকে যাবে। নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও কূটনীতিকরা বলছেন, মিয়ানমারকে অবশ্যই তার নাগরিকদের ফেরত নিতে হবে। বস্তুত, মিয়ানমার যেসব রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে আপত্তি নেই বলে নিশ্চিত করেছে, তাদের একটি তালিকা তৈরি করেই ভাসানচরে প্রাথমিক স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। কথা হচ্ছে, মিয়ানমার কি সত্যি সত্যি তালিকাভুক্তদের ফেরত নেবে? মিয়ানমারের অতীত কার্যকলাপ বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়, রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার ব্যাপারে রাষ্ট্রটির কোনো সদিচ্ছা নেই। নানা ধরনের টালবাহানা করে তারা মূল ইস্যু থেকে সরে গেছে ও যাচ্ছে। আমরা মনে করি, রোহিঙ্গা প্রশ্নে মিয়ানমারের ওপর যে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, তা যথেষ্ট নয়। এই চাপ আরও বাড়াতে হবে। এ ব্যাপারে জাতিসংঘ এবং শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। লক্ষ করার বিষয়, মিয়ানমার আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ও উপেক্ষা করছে। এ অবস্থায় দেশটির ওপর কার্যকর চাপ প্রয়োগের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের উচিত, একদিকে রোহিঙ্গাদের স্বচ্ছন্দ জীবন নিশ্চিত করা, অন্যদিকে তাদের স্বদেশে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে জোর কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাওয়া।
বিশ্বনাথে গত ২০ অক্টোবর একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি মান্নান মিয়াকে আটক করতে গিয়ে স্থানীয় এক ইউপি
ফ্যান চালিয়ে, জানালার নেট আটকে কিংবা কয়েল ও স্প্রে জ্বালিয়েও রক্ষা মিলছে না। মশার উপদ্রবে সিলেট নগরজুড়ে তৈরি হয়েছে এক
বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান বলেছেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সুরক্ষায়
সিলেটের অভিজাতদের ক্লাব খ্যাত সিলেট স্টেশন ক্লাব ১৪০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে বন্দরবাজারে। পাশেই জেলা পরিষদ। একটু ঘুরলেই জেলা প্রশাসকের
সিলেটে সরকারি ও বেসরকারি এলপিজি গ্যাস নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি অসাধু সিন্ডিকেট। তাদের কারসাজিতে চরম ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির
২৫% কমিশন, জালিয়াতি ও দখলদারিত্বের অভিযোগ আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাকালিন সময় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের ক্ষমতার দাপট
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে আধ্যাত্মিক ও প্রবাসী অধ্যুষিত এই নগরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, দ্রুত বদলাতে শুরু
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগ। দলের রাজনীতিতে সক্রিয়তা ধরে রাখতে ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের মাঝে চাঙ্গা