editor
প্রকাশিত: 3:06 PM, November 3, 2020
অনলাইন ডেস্ক
বাঙালি জাতির ইতিহাসে কলঙ্কময় জেলহত্যা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির ৭ বছর পরও পলাতক আসামিদের সাজা কার্যকর হয়নি। ৪৫ বছর আগের এ মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ার তিনটি ধাপ পার হলেও দণ্ডিত ১১ আসামির ১০ জন আজও পলাতক। যাদের ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৭ জনের যাবজ্জীবন হয়। তাদের মধ্যে ৬ জন বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায়ও দণ্ডিত। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ওই খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কারা রয়েছে, সে বিষয়েও অনুসন্ধান চলছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন কোথায় আছেন সে ব্যাপারে সরকারের কাছে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। কেবল যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দু’জনের ব্যাপারে তথ্য আছে। তাদের মধ্যে কর্নেল (অব.) এমবি নূর চৌধুরী কানাডা এবং লে. কর্নেল (অব.) এএম রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। তাদের ফিরিয়ে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে অনেক দিন ধরে চেষ্টা চলছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর ওই বছর ৩ নভেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামরুজ্জামানকে। এমন হত্যাকাণ্ড পৃথিবীতে নজিরবিহীন।
জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক সোমবার বলেন, সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা এবং পরে জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। রায় কার্যকর চলছে। বাকি আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা কার্যকর করা প্রক্রিয়াধীন। পলাতক যারা বিদেশে আছেন, তাদের ফিরিয়ে আনার সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, কোভিড-১৯ এর কারণে আসামিদের ফিরিয়ে আনার কাজটা আপাতত করা যাচ্ছে না। কোভিড শেষ হলে আমরা আবারও যোগাযোগ শুরু করব।
মামলা ও বিচার : হত্যাকাণ্ডের পরদিন তৎকালীন ডিআইজি (প্রিজন) কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় মামলা করেন। কিন্তু দীর্ঘ ২১ বছর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে জেলহত্যা মামলা পুনরুজ্জীবিত করে। তদন্তভার দেয়া হয় সিআইডিকে। ২ বছর তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল কাহ্হার আকন্দ ১৯৯৮ সালের ২০ অক্টোবর ২০ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দেন। এরপর ৬ বছরের বেশি সময় চলে বিচারকাজ। ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন। নিু আদালতের রায়ে খালাস পাওয়া ৫ জন হলেন- বিএনপি নেতা প্রয়াত কেএম ওবায়দুর রহমান, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, নুরুল ইসলাম মঞ্জুর, তাহেরউদ্দিন ঠাকুর ও মো. খায়রুজ্জামান।
উচ্চ আদালতে মামলার নিষ্পত্তি : যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে হাইকোর্ট ২০০৮ সালে ফারুক, শাহরিয়ার রশিদ, বজলুল হুদা ও একেএম মহিউদ্দিনকে খালাস দেন। তবে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামি হিসেবে এ চারজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এদিকে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হলে হাইকোর্ট ২০০৮ সালের ২৮ আগস্ট এক রায়ে শুধু রিসালদার মোসলেম উদ্দিনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। আর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দফাদার মারফত আলী শাহ ও এলডি দফাদার আবুল হাসেম মৃধা এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপর চার আসামিকে খালাস দেয়া হয়। হাইকোর্টে খালাসপ্রাপ্ত এ চারজনের ফাঁসি কার্যকর হয় বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায়। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকার ফের ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হয়। ফাঁসির তিন আসামির মধ্যে শুধু দু’জনকে খালাস দেয়ায় রায়ের ওই অংশটির বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। সাবেক প্রধান বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১৩ সালে চূড়ান্ত রায় দেন। হাইকোর্টের রায়ে খালাস পাওয়া দফাদার মারফত আলী ও এলডি দফাদার আবুল হাসেম মৃধার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। ২০১৫ সালের ১ ডিসেম্বর ওই রায়ের ২৩৫ পৃষ্ঠার অনুলিপি প্রকাশ পায়। বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানার লেখা ওই রায়ে বলা হয়, ‘এ মামলায় পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে যে, ২ নভেম্বর রাতে রিসালদার মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে এ দুই আসামি কারাগারে ঢুকেছিলেন। তাদের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর আরও দু’জন লোক ছিল। তারা তাদের আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে আওয়ামী লীগের চার নেতাকে হত্যা করে। হাইকোর্ট বিভাগ এ দুই অভিযুক্তকে নির্দোষ দেখিয়ে ভুল এবং অবিচার করেছেন।
2 স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট নগরীর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাগরদিঘীরপাড় ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় আওয়ামী লীগের এক নারী নেত্রীর অবাধ
7 স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট নগরীর শিবগঞ্জ সেনপাড়া পুষ্পায়ন এলাকার একটি কোটি টাকার পারিবারিক বাড়ি আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা
8 * সুরমা নদীতে ইজারার নামে কোটি কোটি টাকার বালুদস্যুতা * প্রতিবাদী জনতার ওপর মিথ্যা মামলা ও হয়রানি * ২.৪৫
8 গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প, বাণিজ্য, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী এবং সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সাথে সৌজন্য
1 সিলেট শহরতলীর ধোপাগুল এলাকায় ফেলুডা ব্যবসায়ীদের হয়রানী করার প্রতিবাদে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ধোপাগুল
8 আসছে দিন সমূহে আর কেউ নগদ টাকা বহন করবে না সবার কাছে থাকবে একটি করে কিউ আর কোড। ব্যাংকের
2 বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে গুণগত মানোন্নয়ন ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা
7 সিলেট জেলা যুবদলের নতুন আংশিক কমিটির সভাপতি মকসুদ আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু এবং মহানগর যুবদলের সভাপতি