editor
প্রকাশিত: 11:31 AM, August 11, 2026
সিলেট নগরীর ব্যস্ত সড়কগুলোতে ফিটনেস ও নাম্বারবিহীন গাড়ি অবাধে চলাচলের অভিযোগ উঠেছে। নগর ট্রাফিকের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি ও চেকপোস্ট থাকা সত্ত্বেও এসব যান কীভাবে দিনের পর দিন এসব ব্যাস্ত সড়কে চলাচলের সুযোগ পাচ্ছে এ নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন নগরবাসী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগের তীর বিশেষভাবে রেকার চালক চয়ন ও টিআই অ্যাডমিন শফিক-এর নাম উল্লেখ করে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন।অভিযোগ রয়েছে, কিং ব্রিজের মুখ থেকে জগন্নাথপুর ও বিশ্বনাথ রুটে কথিত ‘ওয়ান টেস্ট’ গাড়ি চলাচল করছে। এসব গাড়ির অনেকগুলোর বৈধ কাগজপত্র ও ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অন্যদিকে হুমায়ূন রশীদ চত্বর এলাকার ব্রিজের নিচ দিয়ে জিটি নম্বর প্লেট ব্যবহার করে কিছু যান চলাচল করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, কোনো কোনো যানবাহন নিয়মিত কাগজপত্র যাচাই বা ফিটনেস পরীক্ষার আওতায় না এসেই নগরীর ব্যস্ত সড়কে চলাচল করছে।শুধু একটি রুট নয়, মদিনা মার্কেট, কোতোয়ালি থানার সামনের এলাকা, কাজীরবাজার, আম্বরখানা, মজুমদারি রোড, টিলাগড় পয়েন্টসহ নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ফিটনেসবিহীন ও নাম্বারবিহীন যান চলাচলের অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষ করে বন্দর ট্রাফিক বক্স ও হুমায়ূন রশীদ চত্বরের ট্রাফিক বক্সের আশপাশে লেগুনাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রশ্ন ট্রাফিক পুলিশের নজরদারির আওতায় থাকা এসব এলাকায় যদি ফিটনেসবিহীন যান নিয়মিত চলাচল করে, তাহলে সেগুলো আটক বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন? ফিটনেসবিহীন বা কাগজপত্রে ত্রুটি থাকা কিছু গাড়ি আটকের পর রেকার চালক চয়নের মাধ্যমে অফিসে গিয়ে ছাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি,হয়,অভিযোগকারীদের দাবি, নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে চলাচলকারী কিছু গাড়ির কাছ থেকে মাসিক ভিত্তিতে অর্থ আদায়ের একটি ব্যবস্থা রয়েছে। এসব অর্থ চয়নের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছায় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এমনকি আটকের পরও কিছু গাড়ি দ্রুত ছাড়িয়ে যাওয়ার ঘটনায় চয়নের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও নথিপত্র যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।অভিযোগের আরেকটি অংশে ট্রাফিক টিআই অ্যাডমিন শফিকের নাম উঠে এসেছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন গাড়ির কাছ থেকে মাসিক ভিত্তিতে আদায় করা অর্থ চয়নের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছানোর পর সেখান থেকে একটি অংশ বণ্টনের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ট্রাফিক সার্জনের সঙ্গে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় যেসব গাড়ি আটক হয়, সেগুলোর মধ্য থেকেও কিছু গাড়ি পরবর্তীতে প্রভাব খাটিয়ে ছাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় কথিত ‘মাসিক মানতি’ বা নিয়মিত অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে কিছু ফিটনেসবিহীন যান চলাচলের সুযোগ পাচ্ছে। এসব অর্থ চয়নের মাধ্যমে সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছানো হয় বলেও তারা দাবি করেছেন। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ট্রাফিক পুলিশের চোখের সামনে ফিটনেসবিহীন লেগুনা ও কথিত ‘ওয়ান টেস্ট’ গাড়ির চলাচল নিয়ে।
অভিযোগকারীদের দাবি, বন্দর ট্রাফিক বক্সের সামনে এবং হুমায়ূন রশীদ চত্বরের ট্রাফিক বক্সের আশপাশ দিয়ে নিয়মিত লেগুনাসহ বিভিন্ন যান চলাচল করছে। তাহলে ট্রাফিক সদস্যদের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকার মধ্যেই এসব যান কীভাবে নির্বিঘ্নে চলাচল করছে এ প্রশ্নের উত্তর চায় নগরবাসী। ফিটনেসবিহীন ও অনিবন্ধিত যানবাহনের অবাধ চলাচলে শুধু পরিবহন খাতেই বৈষম্য তৈরি হচ্ছে না, বরং যাত্রী ও পথচারীদের নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।
তাদের দাবি, একটি গাড়ি আটক করার পর সেটি কীভাবে ছাড়ানো হলো, কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর অনুমতিতে ছাড়ানো হলো এবং গাড়িটির বৈধ কাগজপত্র কী—এসব তথ্য প্রকাশ্যে আনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোনো গাড়ি যদি নিয়মিত অর্থের বিনিময়ে সড়কে চলাচলের সুযোগ পেয়ে থাকে, তাহলে সেই অর্থের উৎস, আদায়কারী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
নগরবাসীর প্রশ্ন, কিং ব্রিজ, হুমায়ূন রশীদ চত্বর, বন্দর, মদিনা মার্কেট, কোতোয়ালি, কাজীরবাজার, আম্বরখানা ও টিলাগড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতি থাকার পরও ফিটনেসবিহীন ও নাম্বারবিহীন গাড়ি কীভাবে নিয়মিত চলাচল করছে? সচেতন নাগরিকরা বলছেন, বিষয়টি শুধু কয়েকটি গাড়ি আটক বা জরিমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কোন প্রক্রিয়ায় এসব যান সড়কে চলাচলের সুযোগ পাচ্ছে, কারা তাদের ছাড়িয়ে দিচ্ছে এবং কোনো ধরনের নিয়মিত আর্থিক লেনদেন হচ্ছে কি না—তা তদন্ত করা জরুরি।
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট গাড়ির তালিকা, রেকার রেকর্ড, আটক ও ছাড়পত্রের তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ট্রাফিক বক্সের ডিউটি রোস্টার পর্যালোচনা করলে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফিটনেসবিহীন ও নাম্বারবিহীন যানবাহনের অবাধ চলাচল বন্ধে দ্রুত কার্যকর অভিযান এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন নগরবাসী।
এ বিষয়ে ট্রাফিক টিআই অ্যাডমিন শফিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়ে বলেন, এইগুলো আমার এরিয়া না, তাছাড়া আমার এরিয়াতে কোন ফিটনেসবিহীন ‘ওয়ান টেস্ট’ গাড়ি চলেনা। তিনি আরও বলেন আমি চয়ন নামে কাউকে চিনি না। একই ব্যপারে জানতে রেকার চালক চয়ন এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
4 ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ (এ+) পেয়ে চমৎকার সাফল্য অর্জন করেছে সে জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনা বাজার ইউনিয়নের রুপাবালী গ্রামের
7 সংবাদ প্রকাশের জেরে একটি পত্রিকার ফ্রান্স প্রতিনিধি ও সাংবাদিক মোহাম্মদ জুনেদ আহমদকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে।
1 সিলেট নগরীর ব্যস্ত সড়কগুলোতে ফিটনেস ও নাম্বারবিহীন গাড়ি অবাধে চলাচলের অভিযোগ উঠেছে। নগর ট্রাফিকের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি
4 সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের খোজারখলা এলাকার বাসিন্দা মজনু মিয়া ও তার স্ত্রী রহিমা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ
4 সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আলিয়া ইকবাল চৌধুরীকে ঘিরে দেখা দিয়েছে নানা বিতর্ক ও চরম ক্ষোভ। 8
8 সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) উপ-সহকারী প্রকৌশলী এ টি এম সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষবাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার, দিনমজুরদের টাকা আত্মসাৎ এবং
5 সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এক্সেলসিয়র সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট (সাবেক জাকারিয়া সিটি)-এর পরিচালনা ও মালিকানা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সিলেট জেলা বিএনপির
5 সিলেট সদর উপজেলার কালাগুল মৌজার নিরীহ কৃষকদের ওপর কথিত ভূমিখেকো সমরু মিয়া কর্তৃক দায়েরকৃত বিভিন্ন মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিশাল