admin
প্রকাশিত: 8:00 AM, September 7, 2026
স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। সরকারি দলের একাধিক এমপি, মন্ত্রী ও প্রভাবশালী নেতাদের মদদে কিংবা প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় অপরাধীদের কাছে যেন রীতিমতো জিম্মি হয়ে পড়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও। সম্প্রতি চরম বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সিলেটে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানো ‘ট্যাটু সুমন বাহিনী’।
গত ১২ আগস্ট রাতে সিলেট নগরের উপশহর ও তামাবিল সড়কে র্যাবের গোয়েন্দা শাখার দুজন সদস্যকে চরমভাবে নির্যাতন ও অপহরণের ঘটনার পর জেলাজুড়ে তোপাড় সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় শাহপরাণ (র.) থানায় মামলা হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছে মূল হোতারা।
মামলা সূত্রে জানা যায়, র্যাব-৯-এর গোয়েন্দা শাখার সদস্য কর্পোরাল আবুল কাশেম এবং সদস্য কবীর আহমদ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোটরসাইকেলে টহল দিচ্ছিলেন। নগরীর উপশহর শিবগঞ্জ হয়ে তামাবিল সড়কের দিকে যাওয়ার সময় তাদের পিছু নেয় ট্যাটু সুমন বাহিনীর সদস্যরা। র্যাব সদস্যরা নিজেদের পরিচয় দিলেও সন্ত্রাসী বাহিনীটি তা উপেক্ষা করে তাঁদের ওপর হামলে পড়ে। পরবর্তীতে মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে চরম মারধর ও নির্যাতন চালিয়ে র্যাব সদস্য কবীর আহমদকে অন্য একটি গাড়িতে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পুলিশ ও র্যাবের অন্য দল খবর পেয়ে যৌথ অভিযান চালিয়ে গোয়েন্দা সদস্যকে উদ্ধার করে এবং ঘটনার সাথে জড়িত শাহাদাত উদ্দিন সাদ্দাম নামে এক সন্ত্রাসীকে আটক করে। এই ঘটনায় ল্যান্স কর্পোরাল আবুল কাশেম বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় ২২(৮)২৪ নম্বর মামলা দায়ের করেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, র্যাব সদস্যদের ওপর হামলার নেপথ্যে রয়েছে সিলেট সীমান্তজুড়ে গড়ে তোলা বিশাল চোরাচালান সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটের মূল নিয়ন্ত্রক উপশহরের বাসিন্দা সামছুজ্জামান সামছুর ছেলে ওয়েস আহমদ সুমন ওরফে ‘ট্যাটু সুমন’। সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু, কসমেটিকস, আইফোন, মাদক ও চিনি চোরাচালানের প্রধান পথগুলো বর্তমানে ট্যাটু সুমন বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল সিলেট হয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দিচ্ছে এই বাহিনী। এছাড়া জৈন্তাপুরের সীমান্ত এলাকা, হরিপুর এবং ফতেহপুরসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে নিজস্ব ‘টোল’ বা চাঁদা আদায় কেন্দ্র গড়ে তুলেছে তারা।
এত বড় ঘটনার পরও অপরাধীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকার কারণেই পুলিশ ও র্যাব এই চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর হতে পারছে না।
অভিযোগ রয়েছে, ফতেহপুরের উত্তর বাঘেরখালের বাকুল আহমদের ছেলে রায়হান আহমদ, পিঁরের বাজারের বারেকসহ বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী এই বাহিনীর মূল সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। সরকারের এক প্রভাবশালী দলীয় সদস্য ও সিলেট সফররত কয়েকজন নেতার সঙ্গেও এই বাহিনীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এবং তাদের যাতায়াতেও ট্যাটু সুমনের জিপ গাড়িগুলো ব্যবহৃত হতে দেখা গেছে।
বর্তমানে ট্যাটু সুমন বাহিনীর এই বেপরোয়া কর্মকাণ্ড ও চোরাচালানের রুটগুলো নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। সচেতন মহল অবিলম্বে ট্যাটু সুমনসহ এই চোরাচালান ও সন্ত্রাসী সিন্ডিকেটের সকল আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
বিশ্বনাথে গত ২০ অক্টোবর একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি মান্নান মিয়াকে আটক করতে গিয়ে স্থানীয় এক ইউপি
ফ্যান চালিয়ে, জানালার নেট আটকে কিংবা কয়েল ও স্প্রে জ্বালিয়েও রক্ষা মিলছে না। মশার উপদ্রবে সিলেট নগরজুড়ে তৈরি হয়েছে এক
বিএমবিএএফ সিলেট বিভাগের সভাপতি ও জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান বলেছেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সুরক্ষায়
সিলেটের অভিজাতদের ক্লাব খ্যাত সিলেট স্টেশন ক্লাব ১৪০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে বন্দরবাজারে। পাশেই জেলা পরিষদ। একটু ঘুরলেই জেলা প্রশাসকের
সিলেটে সরকারি ও বেসরকারি এলপিজি গ্যাস নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি অসাধু সিন্ডিকেট। তাদের কারসাজিতে চরম ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির
২৫% কমিশন, জালিয়াতি ও দখলদারিত্বের অভিযোগ আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাকালিন সময় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের ক্ষমতার দাপট
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে আধ্যাত্মিক ও প্রবাসী অধ্যুষিত এই নগরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, দ্রুত বদলাতে শুরু
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগ। দলের রাজনীতিতে সক্রিয়তা ধরে রাখতে ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের মাঝে চাঙ্গা