editor
প্রকাশিত: 11:03 AM, October 22, 2026
সিলেট নগরীর প্রাণকেন্দ্র জিন্দাবাজারস্থ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিট কমান্ডের কার্যালয়টি এখন অনিয়ম, দখল আর লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও থামেনি এর আওতাধীন কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি নিয়ে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা। কোনো ধরনের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে কার্যালয়ের চারপাশ ঘিরে দোকান ও হকারদের কাছে ভাড়া বাণিজ্য চলছে।
এমনকি কার্যালয়ের ভেতর থেকে আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যে যার মতো করে লোপাট করে নিয়ে যাচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সুবিধাভোগী ও বিতর্কিত ‘দোসররাই’ এখনও নেপথ্যে থেকে এই কার্যালয় ও এর সম্পত্তি নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে প্রকৃত ও ত্যাগী মুক্তিযোদ্ধাদের মনে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, জিন্দাবাজারের এই মুক্তিযোদ্ধা সংসদ গলির বাণিজ্যিক ভবন ও দোকানগুলোর লিজ, মেয়াদ এবং ভাড়া আদায় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবসায়ী ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। এই মূল্যবান সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। অনেক সময় ভবন ভাঙা, উচ্ছেদ বা পুনর্র্নিমাণের উদ্যোগ নেওয়া হলে ব্যবসায়ীরা আদালতের শরণাপন্ন হন। উদাহরণস্বরূপ, জিন্দাবাজারের ‘বাংলাদেশ ওভারসিজ সেন্টার’ ভবন ভাঙা এবং লিজগ্রহীতা ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদের চেষ্টার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা এখনও আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। এই আইনি জটিলতার সুযোগ নিয়ে একটি পক্ষ নিয়মিত মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সিলেটের মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃত্ব এবং এডহক কমিটি গঠন নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিতর্ক চরম আকার ধারণ করেছে। সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের অভিযোগ, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের দোসর, নিষ্ক্রিয় ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের এখনও গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল রাখা হয়েছে। প্রকৃত ত্যাগী ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন না করে এই কার্যালয়টিকে ব্যক্তিস্বার্থ উদ্ধারের হাতিয়ার বানানো হয়েছে।
জিন্দাবাজারের এই কার্যালয়টি বারবার রাজনৈতিক সহিংসতার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সিলেটে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের পাশাপাশি এই মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়েও ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর কার্যালয়টি অরক্ষিত হয়ে পড়লে শুরু হয় ভেতরের মূল্যবান জিনিসপত্র চুরির মহোৎসব। বর্তমানে কার্যালয়ের চারপাশ হকারদের দখলে এবং এর প্রশাসনিক চেইন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে।
অথচ সিলেট জেলা প্রশাসন নগরীর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাংগঠনিক ও সামাজিক কার্যক্রম এবং স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য পৃথক দুটি আধুনিক ভবন নির্মাণ করে দিয়েছে। এর একটি নগরীর চৌহাট্টায় এবং অন্যটি শাহজালাল উপশহরে অবস্থিত। চৌহাট্টার ভবনটি দীর্ঘদিনের সামাজিক কার্যক্রমের মূল কেন্দ্র এবং উপশহরের ভবনটি স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে স্থাপন করা হয়। এই দুটি সুপরিসর ভবন থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র ‘বাণিজ্যিক ফায়দা’ লুটতেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল জিন্দাবাজারের বিতর্কিত কার্যালয়টি ছাড়তে চাচ্ছে না।
জিন্দাবাজারের মতো সিলেটের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক এলাকার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত এই সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা, আর্থিক লেনদেন এবং প্রশাসনিক কমিটি গঠনে স্বচ্ছতা না আসায় ক্ষুব্ধ সিলেটের সচেতন মহল ও সাধারণ মুক্তিযোদ্ধারা। তারা অনতিবিলম্বে এই কার্যালয়টি বিতর্কিতদের হাত থেকে মুক্ত করে সরকারি নিয়মনীতি অনুযায়ী পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।
রাজনীতির মূল সুর যদি হয় জনসেবা, তবে সেই সুরকে নিজের জীবনে ধারণ করেছেন সিলেট মহানগর বিএনপির আওতাধীন ৩১ নম্বর ওয়ার্ড
সিলেট এয়ারপোর্ট থানা এলাকার লাক্কাতুড়া সংলগ্ন প্রবাসী মালিকানাধীন ‘গ্রিন উড হিল স্টেশন’ রিসোর্টে অনধিকার প্রবেশ করে হামলা, সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর,
সিলেট নগরীর প্রাণকেন্দ্র জিন্দাবাজারস্থ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিট কমান্ডের কার্যালয়টি এখন অনিয়ম, দখল আর লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। ৫ আগস্টের
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ১ নং ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ছত্রিশ গ্রামের বাসিন্দা মো. জয়নাল আবেদীনের (জয়নাল মেম্বার) বিরুদ্ধে জুলি বেগমকে
জায়গা বিক্রি ও জটিল রোগের মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে এক ফ্রান্স প্রবাসীর কাছ থেকে ধাপে ধাপে ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার
আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসা সম্প্রসারণ, নতুন প্রযুক্তি সংযোজন এবং ডিজিটাল উদ্ভাবনের সম্ভাবনা যাচাই করতে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও চীন সফরে যাচ্ছেন গ্লোবাল
সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ড ও অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির ৭ জন জ্যেষ্ঠ নেতাকে সাধারণ সদস্য
মানবাধিকার সুরক্ষা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমাজের অবহেলিত ও অধিকারবঞ্চিত মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে সিলেটে অনুষ্ঠিত