editor
প্রকাশিত: 1:56 PM, September 28, 2021

বাংলাদেশের অর্থনীতির বিস্ময়কর উন্নয়ন ॥ দৃঢ়, অবিচল ও লড়াকু শেখ হাসিনা
সাজ্জাদুল হাসান
শেখ হাসিনা মানেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে এগিয়ে যাওয়া উজ্জ্বল এক বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক মুক্তিতে, মানবিক ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি অবিচল দৃঢ় এবং লড়াকু। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শোষিত বঞ্চিত নিপীড়িত বাঙালিকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ উপহার দিয়ে গেছেন। পাক হানাদার বাহিনী নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে সমগ্র দেশকে একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে রেখে যায়। দেশ পুনর্গঠনের জন্য যখন নিরলসভাবে বঙ্গবন্ধু কাজ করে যাচ্ছিলেন তখন স্বাধীনতা বিরোধী কুচক্রী মহল ১৯৭৫ সালে তাঁকে হত্যা করে এই অগ্রযাত্রাকে সমূলে উৎপাটনের অপচেষ্টা চালায়। ইতিহাসের রক্তবীজে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সিঁড়িতে পা রেখেই ১৯৮১ সালে দেশের ফিরে আসেন শেখ হাসিনা। পথে পথে ছড়ানো ছিল সঙ্কট ও মৃত্যু ঝুঁকি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দীর্ঘ লড়াই ও সংগ্রামের মাধ্যমে তিনি ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবরূপ দানের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে আবারও ষড়যন্ত্রের শিকার হয় আওয়ামী লীগ। আবারও সংগ্রামের পথ বেয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা ২০০৯ সালে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় এসে দূরদর্শী পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বিগত ১২ বছর ধরে দুর্বার গতিতে চলমান।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতি আজ বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিগত এক দশকে শতকরা ৬ ভাগের অধিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিণত হয়েছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা, মুদ্রা ও অর্থ বাজারের ধস, অভ্যন্তরীণ অপশক্তির চক্রান্ত, ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর বিশাল জনগোষ্ঠী থাকা সত্ত্বেও ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি আর অব্যাহত সামাজিক উন্নয়ন সত্যিই একটি বিস্ময়কর ঘটনা। অনেক অর্থনীতিবিদ একে ‘উন্নয়নের গোলক ধাঁধা (উবাবষড়ঢ়সবহঃ চুুঁষব) হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন। বিশ্বব্যাংকের মানদন্ডে বাংলাদেশ ২০১৫ সালে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। অন্যদিকে জাতিসংঘের সূচক অনুযায়ী ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ ঘটবে। বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯-এর নেতিবাচক প্রভাব না পড়লে ২০২৪ সালেই এ উত্তরণ ঘটত। কোভিডের কারণে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা মন্থর হলেও বাংলাদেশ চারটি দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী দেশের মধ্যে রয়েছে।
বাংলাদেশে সামষ্টিক অর্থনীতির গতিধারা
বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী জিডিপির (এউচ) বিচারে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের ৪১তম অর্থনীতির দেশ। তাদের তথ্য মতে ২০২০ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৯৮৯ মার্কিন ডলার। বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ২ হাজার ৯২২৭ ডলার। আইএমএফের প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২০ সালে বাংলাদেশের মোট জিডিপির পরিমাণ ছিল ৩৫২.৯০ বিলিয়ন ডলার। ২০০৯ সালে ছিল মাত্র ১০২.৫ বিলিয়ন ডলার। তাদের প্রাক্কলন মতে ২০২৬ সালে বাংলাদেশের জিডিপি হবে ৫৬১.১৬ বিলিয়ন ডলার। কেবল জিডিপি প্রবৃদ্ধিই নয়, অন্যান্য অর্থনৈতিক সূচকেও বাংলাদেশ আজ ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ বিশ্বের বহু উন্নত দেশ সঙ্কোচনমূলক অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করলেও বাংলাদেশ সম্প্রসারণমূলক নীতি গ্রহণ করেছে।
বৈদেশিক খাত ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা
বিগত ২০০৯-১০ অর্থবছরে দেশের মোট রফতানির পরিমাণ ছিল ১৫.৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত নয় বছরে ১৬০% বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৮-’১৯ অর্থবছরে হয়েছে ৪০.৫ বিলিয়ন ডলার। কোভিডের কারণে রফতানি আগের বছরের তুলনায় ২০১৯-’২০ অর্থবছরে ১৬.৯৩% হ্রাস পেলেও ২০২০-’২১ অর্থ বছরে বেড়েছে ১৩.৬৪%। তৈরি পোশাক ছাড়াও চা, পাট, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হিমায়ত খাদ্য ও কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, শিপ বিল্ডিং, ওষুধ, আইসিটি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রনিকস, প্লাস্টিকসহ প্রায় ৭০৫টি পণ্য আজ রফতানির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে, প্রবাসী আয় ৩৬.১% বৃদ্ধি পেয়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে ২৪.৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় বিচক্ষণ নীতির কারণে মুদ্রা বিনিময় হারে ব্যাপক কোন হ্রাস-বৃদ্ধি হয়নি। বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঊধংব ড়ভ উড়রহম ইঁংরহবংং-এ বাংলাদেশের র্যাঙ্কিং বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অবকাঠামো উন্নয়ন
বিগত এক দশকে দেশের অবকাঠামোগত ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শিল্প, কৃষি ও জনগণের জীবন মান উন্নয়নে বিদ্যুত খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করে। বিদ্যুত উৎপাদন ক্ষমতা ২০০৯-১০ সালের ৫ হাজার হাজার ২৭১ মেগাওয়াট থেকে বর্তমানে প্রায় ২৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। দেশের শতভাগ মানুষ এখন বিদ্যুত নেটওয়ার্কের আওতায়। একই সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ এবং অন্যান্য মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। নদীর নাব্য বৃদ্ধি করে নৌপথে চলাচল ও মালামাল পরিবহনের জন্য নেয়া হচ্ছে সমন্বিত উদ্যোগ। চট্টগ্রাম ও মোংলা পোর্ট আধুনিকায়নের কাজও চলমান রয়েছে। পায়রা পোর্ট ও মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের কাজ শেষ হওয়া আজ সময়ের অপেক্ষা মাত্র।
সামাজিক অগ্রগতি
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষা, চিকিৎসা, আবাসন, কর্মসংস্থান, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণের মাধ্যমে দারিদ্র্যের হার ২০০৫ সালের ৪০% থেকে হ্রাস পেয়ে বর্তমানে ২০.৫% নেমে এসেছে। শিশু মৃত্যুর হার ১৯৯০ সালের প্রতি হাজারে ১৪৬ থেকে বর্তমানে ৩৬, প্রাথমিক শিক্ষায় শতভাগ ভর্তি, শিক্ষার হার ৭৫% উন্নীত হওয়াসহ সামাজিক অগ্রগতির জন্য বাংলাদেশ জাতিসংঘের সহস্রাব্দ লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য পুরস্কৃত হয়েছে। প্রায় ১৭.৩৩ কোটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর নিকট সামাজিক ও অর্থনৈতিক সেবাও দ্রুত পৌঁছে দেয়া সম্ভব হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ দারিদ্র্য হ্রাসে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে।
বাংলাদেশের উন্নয়ন রহস্য
ব্যাপক জনসংখ্যা, জমির স্বল্পতা, ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ সত্ত্বেও বাংলাদেশ সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির সূচকে ক্রমাগত অগ্রগতি সাধন করে চলেছে। এর কারণ বিশ্লেষণে দেখা যায়, সামাজিক উন্নয়নকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, শিক্ষা বৃত্তি, সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের প্রসার, কমিউনিটি ক্লিনিক, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আবাসন নিশ্চিতকরণ সমাজ বিবর্তন আর সামাজিক বৈষম্য রোধে বৈপ্লবিক ভূমিকা রেখেছে।
জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ধারাবাহিকভাবে বাজার ব্যবস্থার সম্প্রসারণের নীতি অনুসরণ করেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রতি গুরুত্বারোপ করলেও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে কৃষিকে প্রাধান্য দেয়া, শিল্পায়নের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করা, রফতানি সহায়ক বাণিজ্য নীতি প্রবর্তন ও সহায়তা প্রদান করে দেশের অর্থনীতিতে গতির সঞ্চার করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর মতো সরকার সমগ্র অর্থনীতিকে বাজার ব্যবস্থার ওপর সম্পূর্ণ ছেড়ে দেয়নি। অনুরূপভাব বাজার ব্যবস্থার ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণও আরোপ করেনি। ভারসাম্যমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রচলনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। একইসাথে, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ক্ষেত্রে বিদ্যমান সুবিধাসমূহ সর্বাত্মক কাজে লাগানোর জন্য নেয়া হয়েছে সামগ্রিক উদ্যোগ। সেই সঙ্গে রাজস্ব ও মুদ্রা নীতিতে ছিল প্রয়োজনীয় তদারকি যা বেসরকারী খাতে উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করায় ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
পিতার প্রতি অঙ্গীকার এবং দেশপ্রেম থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনা রাজনীতিতে এসেছেন। তার এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী শিক্ষা, জনগণের প্রতি গভীর ভালবাসা, দূরদর্শী রাজনৈতিক অঙ্গীকার, মুক্তিযুদ্ধের অদম্য প্রেরণা। তিনি যা বিশ্বাস করেন তাই বলেন, যে উন্নয়নের কথা বলেন তা করে দেখান। আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে তিনি এ জন্য বারবার প্রশংসিত হয়েছেন এবং পুরস্কৃত হয়েছেন। তার স্বীকৃতিস্বরূপ অতি সম্প্রতি জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশন নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কারে’ ভূষিত করেছে। শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, দূরদর্শিতা, বিচক্ষণতায় আমরা দৃঢ়ভাবে আশাবাদী, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ করার জন্য তিনি যে পথ নক্সা প্রণয়ন করেছেন তাঁর এই উদ্যোগের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে যার যার অবস্থান থেকে দেশ গড়ার কাজে সর্বস্তরের মানুষ সম্পৃক্ত হলে তা বাস্তবায়ন সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী আপনাকে ৭৫তম জন্মদিনে অশেষ শ্রদ্ধা ও আন্তরিক শুভেচ্ছা। মহান আল্লাহর কাছে আপনার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করি।
লেখক : সাবেক সিনিয়র সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
8 সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ও কাজীটুলা যুব সমাজের উপদেষ্টা নুরুল মুমিন চৌধুরী খোকনের দ্রুত রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় দোয়া
1 অবশেষে সিলেটের অবহেলিত নগর পরিকল্পনা ও সুষম উন্নয়নের বহুপ্রতীক্ষিত স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে। রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর হাত ধরে
3 গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় সিলেটের কৃতি সন্তান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবিরকে স্বাগত জানিয়ে সিলেট
3 বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেটের বিশ্বনাথে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল। কর্মসূচির অংশ
2 স্টাফ রিপোর্টার: 3 এমন ঘটনা সিনেমার কাহিনীকেও হার মানায়। যেটি ঘটিয়েছে সিলেটের ট্যাটো বাহিনীর প্রধান ‘ট্যাটো’ সুমন। সিলেট থেকে
8 সিলেট নগরীর মদিনা মার্কেটের হক ম্যানসনে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) অভিযানের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই রাষ্ট্রীয় আইন ও বিদ্যুৎ
2 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে দেশে পটপরিবর্তন ঘটলেও সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় দৃশ্যপট প্রায় অপরিবর্তিত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে
6 পিয়াইনগুল কলিম উল্লাহ হাইস্কুলের প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন পিয়াইনগুল এ্যালামনাই এসোসিয়েশন এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। 4 শুক্রবার (২১