admin
প্রকাশিত: 1:11 PM, June 20, 2021

আতিকুর রহমান আতিক, হাবিবুর রহমান হাবিব, শফি আহমদ চৌধুরী, জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া
নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া চার প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা (বহিষ্কৃত) শফি আহমদ চৌধুরী সর্বোচ্চ ৪৯ কোটি ২৫ লাখ টাকার সম্পদের মালিক। আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের যৌথ মালিকানায় সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ রয়েছে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী আতিকুর রহমান আতিকের সিলেট, হবিগঞ্জ ও ঢাকায় রয়েছে বাসাবাড়ি ও জমিজমা। বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়ার কোন ব্যাংক ঋণ কিংবা দেনা-পাওনা নেই। নির্বাচন কমিশনে প্রার্থীদের জমা দেয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
সিলেট -৩ আসন উপনির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইসরাইল হোসেন বলেন, বিধান অনুযায়ী মনোনয়ন ফরমের সাথে সংযুক্ত করে প্রার্থীদের মোট সম্পদের বিবরণী জমা দিতে হয়। আইনজীবীর মাধ্যমে হলফ করে প্রার্থীর স্বাক্ষরসহ হলফনামা জমা দিতে হয় । এতে কোন তথ্য গোপন করলে আইন অনুযায়ী প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যাবে। কোন প্রার্থীর বিরুদ্ধে এমন নির্দিষ্ট কোন অভিযোগ থাকলে ভোট গ্রহণের পরেও অভিযোগ করা যায়। এমনকি এ বিষয়ে কেউ তথ্য-প্রমাণসহ আদালতেও যেতে পারবে।
হাবিবুর রহমান হাবিব
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব স্নাতক পাশ। হলফনামায় দেয়া তথ্য অনুযায়ী , তার বিরুদ্ধে অতীতে কোন ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়নি। পেশায় ব্যবসায়ী হাবিব প্রবাসী পল্লী গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি)। তার নিজের আয় নেই। কৃষিখাত থেকে স্ত্রীর বছরে ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা আয় হয়। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে নিজের নামে নগদ ৮৭ লাখ ৫২ হাজার ৫ টাকা ও স্ত্রীর নামে নগদ ১ কোটি ৭৯ লাখ ৫৮ হাজার ৭৩০ টাকা রয়েছে। নিজ নামে ৫২ হাজার ২৪৪ টাকা ও স্ত্রীর নামে ৯ হাজার ৪৪৮ টাকা ব্যাংকে জমা রয়েছে। নিজের নামে রয়েছে ৩ হাজার ৫০০ শেয়ার, যার মূল্য ৭ লাখ ১০ হাজার টাকা।
স্থাবর সম্পদ হিসেবে নিজ নামে ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৩৯৮ টাকার অকৃষি জমি রয়েছে। নিজের নামে পূর্বাচলে ৭ কাঠার প্লট রয়েছে, যার মূল্য ১৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
যৌথ মালিকানায় তার ব্যাংক ঋণ রয়েছে। পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী লিমিটেড’র নামে ঋণের পরিমাণ হচ্ছে- ৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। তিনি দক্ষিণ সুরমার ধরগাঁও রাজাবাড়ির (পার্ট) বাসিন্দা।
আতিকুর রহমান আতিক
জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য আতিকুর রহমান আতিক বিএসসি পাশ। হলফনামায় দেয়া তথ্য অনুযায়ী , ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে তিনি ফৌজদারি মামলার (১১৮২/২০০১) আসামি ছিলেন। নির্দোষ প্রমাণ হওয়ায় মামলাটি খারিজ হয়। পেশায় ব্যবসায়ী আতিক প্রিন্স গ্রুপ অব কোম্পানির চেয়ারম্যান এন্ড ম্যানেজিং ডাইরেক্টর। প্রিন্স রিয়েল এস্টেট (প্রাঃ) লিঃ , প্রিন্স মেডিকেল সেন্টার ও সিলেট সিটি মেডিকেল সেন্টার নামক ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক তিনি। আতিক ব্যবসা থেকে বার্ষিক ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা ও নির্ভরশীলরা ৩ লাখ ৪৭ হাজার টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে নিজের নামে ২২ লাখ ৮ হাজার ৪৯৩ টাকা ও স্ত্রীর নামে ৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা নগদ রয়েছে। নিজের নামে ২০ লাখ ৭০ হাজার ১৬৯ টাকা ও স্ত্রীর নামে ৫ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা রয়েছে। নিজের নামে প্রিন্স রিয়েল এস্টেট (প্রাঃ) লিঃ এর ১৬ হাজার শেয়ার রয়েছে , যার মূল্য ১৬ লাখ টাকা , স্ত্রীর নামে একই প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার শেয়ার রয়েছে , যার মূল্য ২ লাখ টাকা , ছেলে ওয়ালিউর রহমানের নামে একই প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার শেয়ার রয়েছে , যার মূল্য ২ লাখ টাকা। নিজের নামে ১০ লাখ টাকার জীপ গাড়ি রয়েছে। ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের প্রাডো গাড়ি-যা তিনি এমডি হিসেবে ব্যবহার করেন, গাড়িটি কোম্পানির নামে। নিজের নামে ৭ লাখ টাকার ১০ ভরি স্বর্ণ ও স্ত্রীর নামে ১৭ লাখ ২৫ হাজার টাকার ২৫ ভরি স্বর্ণ, নিজের নামে ৯ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকার ও স্ত্রীর নামে ২ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং নিজের নামে ২ লাখ টাকা ও স্ত্রীর নামে ১ লাখ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে। নিজের নামে সিলেট মেডিকেল সেন্টারের আড়াই লাখ টাকার শেয়ার ও প্রিন্স মেডিকেল সেন্টারের ৩০ লাখ টাকার যন্ত্রপাতি রয়েছে।
স্থাবর সম্পদ হিসেবে রয়েছে, নিজের নামে দক্ষিণ সুরমার হরগৌরী মৌজায় ৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকার ১৫ শতক জমি , হবিগঞ্জের লাখাইয়ে ৫ লাখ টাকা মূল্যের ধানী জমি। স্ত্রীর নামে ঢাকার সাতারকুল মৌজায় (নিকুঞ্জ) ১০ কাঠা জমি , যার মূল্য ৮০ হাজার টাকা , যৌথ মালিকানায় মোগলাবাজারের জাহানপুরে ৪০ লাখ টাকার ৮ বিঘা জমি রয়েছে।
নিজের নামে ঢাকার নিকুঞ্জ-২ জোয়ার সাহারা মৌজায় রাজউক থেকে প্রাপ্ত ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার , রামপুরা উলন মৌজায় ৮০ হাজার টাকার ৪ কাঠা , হবিগঞ্জের শ্যামলী আবাসিক এলাকায় সাড়ে ৭ লাখ টাকার সাড়ে ৫ শতক এবং ৪৫ হাজার টাকার ৩৬ শতক জমি , হবিগঞ্জের শ্যামলী আবাসিক এলাকায় ৩৫ লাখ টাকার বাড়ি , ঢাকার (বারিধারা নর্থ) কালাচাঁদপুরে সাড়ে ৯ লাখ টাকার ফ্ল্যাট ও বারিধারা ৬৬ পার্ক রোডে ৪০ লাখ ৫৭ হাজার ৫২৫ টাকা মূল্যের ফ্ল্যাটের অর্ধেক মালিকানা রয়েছে। স্ত্রীর নামে গুলশান-২ (রোড-৩৫) এ ২৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকার ফ্ল্যাট , বারিধারা ৬৬ পার্ক রোডে ৪০ লাখ ৫৭ হাজার ৫২৫ টাকা মূল্যের ফ্ল্যাটে অর্ধেক মালিকানা রয়েছে।
ছেলে ওয়ালিউর রহমানের নামে রয়েছে , ঢাকার কালাচাঁদপুরে ২ লাখ ২৫ হাজার টাকার ফ্ল্যাট। যৌথ মালিকানায় রয়েছে , দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজারের জাহানপুরে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকার পৈতৃক বাড়ি ও অকৃষি জমি , একই এলাকায় ১ কোটি টাকার দালানসহ বাসস্থান , নগরীর ধোপাদিঘীর উত্তরপাড়ে ৩ কোটি টাকার পৈতৃক বাড়ি , ঢাকার গুলশান-১১৪ , কোম্পানির নামে যৌথ মালিকানায় ১৯ লাখ ৯০ হাজার ৪৭ টাকার এপার্টমেন্ট , বনানীতে (রোড-২৩ , ব্লক- বি) ১২ লাখ ৯৭ হাজার টাকার এপার্টমেন্ট ও বারিধারায় পার্ক রোডে কোম্পানির নামে যৌথ মালিকানায় ৯০ লাখ টাকার আড়াই হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট।
আতিকের নিজ নামে , স্ত্রী ও পুত্র মিলে ৩ জনের নামে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার ব্যাংক ঋণ রয়েছে। হোম লোন হিসেবে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক থেকে যৌথভাবে এই ঋণ নেয়া হয় বলে হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেন। আতিক দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজারের জাহানপুরের বাসিন্দা।
শফি আহমদ চৌধুরী
স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য (বহিষ্কৃত) শফি আহমদ চৌধুরী বিএ পাশ। হলফনামায় দেয়া তথ্য অনুযায়ী , তিনি ২০০৭ সালে মামলার আসামী (ধারা-৪০৬/৪২০/২০১/১০৯/৪১১/দন্ডবিধি) হন। দক্ষিণ সুরমা থানার মামলা নং ২০(২)২০০৭। সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তিনি মামলা থেকে বেকসুর খালাস পান। পেশায় ইনডেন্টিং ব্যবসায়ী (রফতানি ব্যবসায়ী) শফি চৌধুরী অ্যালবার্ট ডেভিট, প্রাইভেট লিমিটেড’র ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ব্যবসায়ী শফি চৌধুরীর বার্ষিক আয় ৮০ লাখ ১৩ হাজার ৫৮৮ টাকা। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে ৫০ লাখ ৮৯ হাজার ৩২৭ টাকা , ঘর ভাড়া থেকে ২৭ লাখ ৯৮ হাজার ৯২৫ টাকা ও ব্যাংক ইন্টারেস্ট থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৭৬ টাকা আয় করেন। নিজ নামে নগদ ও জমা মিলিয়ে ব্যাংকে রয়েছে ২ কোটি ৭৬ লাখ ৫১২ টাকা। কন্টিনেন্টাল ট্রেভেলস লিমিটেড , কন্টিনেন্টাল ফিশারি এন্ড এগ্রো লিমিটেড , ট্রান্সকম সিকিউরিটি লিমিটেড , ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেডসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তার নিজ নামে শেয়ার রয়েছে। অ্যালভার্ট ডেভিট (বিডি) লিমিটেড-এ রয়েছে ডিপোজিট মানি ও শেয়ার। পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত যৌথ মালিকানায় তিনি ৫০০ বিঘা জমির মালিক। রাজধানী ঢাকার গুলশান-২ এর ৭৯ নম্বর রোডে নিজ নামে ১ কোটি ১১ লাখ টাকা মূল্যের একটি বাড়ি রয়েছে। ৪৬ লাখ ২৮ হাজার ৮৪৭ টাকা মূল্যের একটি নতুন (রেইন রোভার জীপ) গাড়ি ও ২ লাখ টাকা মূল্যের একটি পুরাতন গাড়ি রয়েছে।
বিভিন্ন ব্যবসায় তার ৩৯ কোটি ৯ লাখ ৩২ হাজার ৭৭৯ টাকা বিনিয়োগ রয়েছে। স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে তিনি মোট ৪৯ কোটি ২৫ লাখ ৪ হাজার ৩৯৪ টাকা মূল্যের সম্পদের মালিক। তার ৭ কোটি ৫ লাখ ৮৩ হাজার ৫৭১ টাকা ঋণ রয়েছে। এক নিকটাত্মীয়ের কাছ থেকে ব্যাংকিং মাধ্যমে ৬ কোটি ১৬ লাখ ৬ হাজার ২৬ টাকা ঋণ নিয়েছেন। সায়েরা চৌধুরীর কাছ থেকে ঋণ নিয়েছেন ৮৯ লাখ ৫৪৫ টাকা।
তিনি দক্ষিণ সুরমার পশ্চিম দাউদপুরের বাসিন্দা। অতীতে এই নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য ছিলেন। সংসদ সদস্য থাকাকালে তার যে সকল অর্জন এর তালিকা হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেন।
জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া
বাংলাদেশ কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া স্বশিক্ষিত। হলফনামায় দেয়া তথ্য অনুযায়ী , তার বিরুদ্ধে কখনো মামলা হয়নি। পেশায় কৃষক জুনায়েদ কৃষি থেকে বার্ষিক ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা ও দোকান ভাড়া থেকে ২০ হাজার টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে রয়েছে , নিজের নামে নগদ ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা , ব্যাংকে জমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা , ৬০ হাজার টাকার ১ ভরি স্বর্ণ , ১০ হাজার টাকার মোবাইল সেট , ৬০ হাজার টাকার আসবাবপত্র।
স্থাবর সম্পদ রয়েছে , নিজের নামে ১০ দশমিক ১৪৫ একর কৃষি জমি , ৩ লাখ টাকার ১ শতক জমি , পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত ৮ কক্ষের বসতঘর ও স্ত্রীর নামে ১ দশমিক ৬৯ একর কৃষি জমি। তিনি বালাগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা। তার কোন ব্যাংক ঋণ নেই।
প্রসঙ্গত, আগামী ২৮ জুলাই এ আসনে উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে।
ডিএসএস/২০/জুন/২০২১/নুরুল
1 সিলেটের খাদিমনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্কুল, মাদ্রাসা ও মসজিদে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
8 বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়োজিত মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি দুই দিনের সফরে আগামীকাল শুক্রবার (২৪
2 সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মুফতি মোহাম্মদ আবুল হাসান বলেছেন, বিগত দিনসমূহে সিলেটের
6 কিশোরগঞ্জের এক সাধারণ পরিবার থেকে এসে সিলেটের পাসপোর্ট অফিসে গেটম্যান হিসেবে যোগ দিয়েই আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন মো. রুবেল
8 সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মাদকবিরোধী বিশেষ র্যালিতে সামনের সারিতে ব্যানার ধরে হাঁটছেন এক চিহ্নিত মাদক কারবারি ও একাধিক মামলার
8 সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ তমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ
5 সিলেটের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র বিছনাকান্দির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। ঐতিহ্যবাহী এই পর্যটন স্পটটির বালু ও
4 মো: রাকিবুল আলম। সিলেটের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের রেভিনিউ ডেপুটি কালেকটর। তিনি জেলার বালু মহাল ইজারা কমিটির সদস্য সচিব। এই