editor
প্রকাশিত: 7:47 PM, December 31, 2020
জয়নাল আজাদ, কানাইঘাট
কানাইঘাট উপজেলার ১নং লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপির দনা সীমান্ত সহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবাধে আসছে রোগাক্রান্ত আর অস্বাস্থ্যকর ভারতীয় গরু। ভারতীয় এসব গরু স্থানীয় সড়কের বাজার থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। এতে গরুর মাংসতে যেমন স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকছে, ঠিক তেমনিভাবে দেশীয় প্রজাতির গবাদী পশুতে ছড়িয়ে পড়ছে ছোঁয়াছে ক্ষুরা সহ নানা ধরনের রোগ। এ জন্য চোরাচালান বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও তৎপর হতে আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের জন্য লকডাউনের সময় থেকে কয়েক মাস ভারত থেকে অবৈধ পথে গরু আসা বন্ধ ছিল। তবে মাস দুয়েক থেকে ফের আসতে শুরু করেছে এসব অবৈধ গরু। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারী না থাকায় সম্প্রতি গরুর চোরাচালান বেড়ে গেছে। প্রতিদিন গভীর রাতে চোরকারবারীরা ভারত থেকে নিয়ে আসছে গরুর চালান। আর অবৈধভাবে আনা এসব গরু স্থানীয় সড়কের বাজারের পশুর হাটে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকেই ট্রাকে করে অসাধু ব্যবসায়ীরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে যাচ্ছেন।
একাধিক সূত্রে জানা যায়, মধ্যরাত থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ভারতীয় গরু সড়কের বাজার গরুর হাটে নিয়ে আসা হয়। দুপুরের আগেই সব গরু সিন্ডিকেট চক্র বিক্রির চালান দিয়ে সেখান থেকে ট্রাকে করে সরিয়ে নিয়ে যায়। তাদের কথার প্রমাণ মিলেছে সরজমিন অনুসন্ধানেও। সরেজমিনে সড়কের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, কয়েক শতাধিক ভারতীয় গরু হাটে বেঁধে রাখা হয়েছে। আর এসব গরু নিতে ছোট পিকআপ এবং ট্রাকের সারিও ছিল বেশ লম্বা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, গরুর চোরাচালানের সাথে জড়িতদের বেশিরভাগই রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী। মূলত রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমেই তারা প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই অবাধে ভারতীয় গরুর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতেও চান না। এদের মধ্যে অন্যতম কয়েকজন হলেন-উপজেলার দর্পনগর গ্রামের জহির, রামপুর গ্রামের সালেহ আহমদ, সড়কের বাজারের ইজারাদার জয়নাল, দোয়ারীমাটি গ্রামের সাহাব উদ্দিন, রাসেল, দর্পনগর গ্রামের গিয়াস উদ্দিন ওরফে মড়াই মেম্বার।
এ বিষয়ে সড়কের বাজারের ইজারাদার জয়নাল এবং গরু ব্যবসায়ী সাহাব উদ্দিনের মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল করা হলেও তারা রিসিভ করেননি। ফলে তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উপজেলা দূর্নীতি দমন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মাস্টার মহি উদ্দিন বলেন, ‘ভারতীয় গরুর মাংস মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আর চোরাচালানে অবৈধভাবে গরু নিয়ে আসার কারণে দেশের খামারিরাও ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন। এ কারণে চোরাচালান বন্ধে প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে।’
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ভারত থেকে বৈধপথে পশু আমদানি করা হতো খাটালের মাধ্যমে। কিন্তু কয়েক বছর থেকে খাটাল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আর অবৈধ পথে চোরাচালানের মাধ্যমে যেসব পশু আসে; তার বেশিরভাগই রোগাক্রান্ত আর অস্বাস্থ্যকর। এছাড়া বিভিন্ন স্টেরয়েড দিয়ে এসব পশু মোটাতাজাও করা হয়; ফলে এর মাংস মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ। পাশাপাশি চোরাচালানে আসা পশু থেকে দেশী গবাদিপশুতে ক্ষুরাসহ বিভিন্ন ছোঁয়াছে রোগ ছড়ায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। চোরাচালান বন্ধের বিষয়ে উপজেলা সমন্বয় বৈঠকে তার বক্তব্য তুলে ধরবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এ ব্যাপারে কানাইঘাট থানার ওসি (তদন্ত) জাহিদুল ইসলাম বলেন, সীমান্ত দিয়ে পশু আসা বন্ধে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এ কারণে বেশ কয়েক মাস ধরে চোরাইপথে পশু নিয়ে আসা বন্ধ ছিল। তবে নতুন করে পশু আসার বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও জানিয়েছেন।
সিলেট নগরীর দাড়িয়াপাড়াস্থ চৈতালী সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত শারদীয় দুর্গাপূজার মহাঅষ্টমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক কথিত ফেইসবুকভিত্তিক ‘ভুয়া সাংবাদিক’ এবং হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ আনোয়ারের যোগসাজশে এক ভয়াবহ
সিলেটে আওয়ামী লীগ আমলের সুবিধাভোগী ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালামের (স্থানীয়ভাবে ‘ভাঙাড়ি কালাম’ নামে পরিচিত) বিরুদ্ধে
সিলেট জেলা জিয়া মঞ্চের আহবায়ক মোঃ সাহেদ আহমদ বলেছেন, জিয়া মঞ্চ সবসময় দেশ ও জনগণের কল্যাণে এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল যুক্তরাজ্য শাখার অধীনস্থ ইস্ট লন্ডন শাখার ৮১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা সহ বিভিন্ন সংকট মোকাবেলায় সরকারের তাৎক্ষনিক পদক্ষেপ সম্বলিত
সিলেট সদর উপজেলার ৮নং কান্দিগাঁও ইউনিয়নের দর্শা এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে খাল খননের উদ্যোগ বন্ধ করে উর্বর কৃষি জমি রক্ষার দাবিতে ভুক্তভোগী
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ১১নং ওয়ার্ডের ভাতালিয়া জামে মসজিদ এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও মশা নিধনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।