admin
প্রকাশিত: ৭:০১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১০, ২০২৬
পারভীন বেগম:
সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় পোস্টারে নিষেধাজ্ঞা রেখেই দল ও প্রার্থীর আচরণবিধির গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক মঞ্চে ইশতেহার ঘোষণা ও আচরণবিধি মানতে প্রার্থী ও দলের অঙ্গীকারনামা দেয়ার নির্দেশনা আছে বিধিমালায়। ত্রয়োদশ নির্বাচনকে রেখে ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা- ২০২৫’ জারি করে ইসি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভোটের প্রচারে কড়াকড়ি আরোপ, অসৎ উদ্দেশ্যে এআই ব্যবহারে বিধিনিষেধ, পোস্টার ও ড্রোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞাসহ আসন প্রতি ২০টির বেশি বিলবোর্ড না রাখার বিধান করা হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও দেড় লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে। প্রয়োজনে তদন্ত সাপেক্ষে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও রয়েছে ইসির। এই সকল বিধি মানতে গিয়ে সিলেট জেলার ৬টি আসনে কৌশলী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে প্রার্থীরা।
আনুষ্ঠানিক প্রচার বন্ধ থাকলেও সিলেটের ৬টি নির্বাচনী এলাকায় বসে নেই প্রার্থীরা। নানা মোড়কে অনানুষ্ঠানিক প্রচারে মাঠে আছেন সিলেট-১ (সিলেট সিটি করপোরেশন ও সদর উপজেলা) আসনে বিএনপির খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, কমিউনিস্ট পার্টির মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, বাসদের প্রণব জ্যোতি পাল, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শামীম মিয়া, গণঅধিকার পরিষদের আকমল হোসেন, ইসলামী আন্দোলনের মাহমুদুল হাসান, খেলাফত মজলিসের তাজুল ইসলাম হাসান ও সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্ক্সবাদী) সঞ্জয় কান্তি দাস।
সিলেট-২ (বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর) আসনে আছেন বিএনপির তাহসিনা রুশদীর লুনা, গণফোরামের মো. মুজিবুল হক, জামায়াতের মো. আব্দুল হান্নান, জাতীয় পার্টির মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাছির আলী, গণঅধিকার পরিষদের জামান আহমদ সিদ্দিকী ও ইসলামী আন্দোলনের মো. আমির উদ্দিন।
সিলেট-৩ (ফেঞ্চুগঞ্জ, দক্ষিণ সুরমা ও বালাগঞ্জ) আসনে মাঠে আছেন বিএনপির এমএ মালিক, জামায়াতের লোকমান আহমদ, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, এনসিপির নুরুল হুদা জুনেদ, খেলাফত মজলিসের দিলওয়ার হোসাইন, ইসলামী আন্দোলনের রেদওয়ানুল হক চৌধুরী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুসলেহ উদ্দীন রাজু।
সিলেট-৪ (জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ) আছেন বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী, জামায়াতের মো. জয়নাল আবেদীন, এনসিপির মো. রাশেদ উল আলম, গণঅধিকার পরিষদের জহিরুল ইসলাম ও খেলাফত মজলিসের মুফতি আলী হাসান উসামা।
সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) মাঠে রয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের উবায়দুল্লাহ ফারুক, জামায়াতের হাফিজ মো. আনওয়ার হোসাইন খান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশীদ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. বিলাল উদ্দিন ও খেলাফত মজলিসের মুফতি মোহাম্মদ আবুল হাসান।
সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) আসনে মাঠে আছেন বিএনপির এমরান আহমদ চৌধুরী ও ফয়সল আহমদ, জামায়াতের মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ও জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আব্দুন নূর। তবে চায়ের কাপে শীতের জম্পেশ আড্ডা কিংবা সামাজিক মাধ্যমের আলোচনায় এখন সবচেয়ে আলোচিত হচ্ছে সিলেটের দক্ষিণের আসন সিলেট-৬। জেলার এই একটি আসনে বিএনপির মনোনয়ন জমা দিয়েছেন দুই প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কে পাবেন ধানের শীষের টিকিট তাই নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। সময় যত ঘনাচ্ছে তত বাড়ছে এই কেন্দ্রিক প্রচার, গুজব সবই। জেলার ছয়টি সংসদীয় এলাকার প্রার্থী, ভোটার, নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। তাঁরা বলছেন, প্রতীক বরাদ্দের আগ পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার বন্ধ।
কিন্তু তাতে বসে নেই কোনো প্রার্থীই। দোয়া মাহফিল, মেডিক্যাল ক্যাম্প, মতবিনিময়, কুশল বিনিময়, রোগী দেখা, বিয়ে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উদ্বোধনসহ নানা তৎপরতা জারি রাখছেন প্রার্থীরা। বিএনপির নেতারা আগে ৩১ দফা প্রচারের আড়ালে এই তৎপরতা চালালেও এখন দলের সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া মাহফিল করছেন প্রায় প্রতিদিন। তবে এসব কর্মসূচিতে সরাসরি ভোট না চাইলেও মানুষকে নানাভাবে ‘মেসেজ’ দিচ্ছেন তাঁরা।
প্রার্থীদের এসব প্রচারকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন সাধারণ জনগণ। নগরের ২৫নং ওয়ার্ড কাজিরখলার বাসিন্দা বাহার উদ্দিন বলেন, যেহেতু প্রচার-প্রচারণা বন্ধ তাই প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারছেন না সেভাবে। তাঁরা অন্যভাবে প্রচার চালাচ্ছেন। দোয়া মাহফিল হচ্ছে নিয়মিত। কুশলবিনিময় করছেন প্রার্থীরা। আমার কাছে ভালোই লাগছে। নির্বাচনের একটা আবহ, উত্তাপ অনুভব করা যাচ্ছে।
সিলেট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সিলেটের ৬টি সংসদীয় আসনে প্রত্যেক দিন স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন কমিটির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেখানে অংশগ্রহণ করছেন প্রার্থীরা।
বাকি জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী এহতেশাম হকের মনোনয়ন বাতিল হলেও বাকি ৯ প্রার্থীর মধ্যে জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের প্রার্থী প্রণব জ্যোতি পাল, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) প্রার্থী সঞ্জয় কান্ত দাস ছাড়া বাকিদের তেমন তৎপরতা চোখে পড়ে না। জামায়াতের প্রার্থী হাবিবুর রহমান দোয়া মাহফিল, মেডিক্যাল ক্যাম্প, মতবিনিময়সহ নানাভাবে মাঠে রয়েছেন। বাম দলগুলো উঠান বৈঠক আর কুশল বিনিময় কৌশলেই যাচ্ছেন জনগণের কাছে।
সিলেট-৪ আসনে আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে মূলত লড়াই হবে জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী জয়নাল আবেদীনের। এই দুই প্রার্থীই রয়েছেন মাঠে। প্রার্থীদের কৌশলী প্রচারের মধ্যেও সবচেয়ে আলোচনায় সিলেট-৬ আসন। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন দলের দুই নেতা ফয়সল আহমদ চৌধুরী ও ইমরান আহমদ চৌধুরী। তাঁদের মধ্যে কে শেষ পর্যন্ত বিএনপির টিকিট পাবেন এ নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। শীতের দিনের চায়ের কাপের আড্ডা থেকে হালের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এ নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। অনেকে নিয়মিত এ নিয়ে পোস্ট দিচ্ছেন। শুধু কর্মী-সমর্থকরাই নন, সাধারণ ভোটার ছাড়াও সিলেট-৬ নির্বাচনী এলাকার বাইরেও রয়েছে এই নিয়ে কৌতূহল।
1 মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব
4 স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট সুনামগঞ্জের সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে অবৈধ ভারতীয় পণ্য এবং সীমান্ত রক্ষী বাহিনী কিংবা আইনশৃংখলা বাহিনীর
7 মধুবন সুপার মার্কেট দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় সমিতির মধুবন সুপার
3 স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট-০১ (মহানগর ও সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, নারীরা
8 * সভাপতি বেলাল ও সাধারণ সম্পাদক কামাল * নবগঠিত কমিটিকে খন্দকার মুক্তাদিরের অভিনন্দন স্টাফ রিপোর্টার সিলেট প্রেস মালিক কল্যাণ
5 তৌফিকুর রহমান হাবিব : সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামধানা দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদে একটানা ২ মাস পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের
2 স্টাফ রিপোর্টার: প্রার্থী সমর্থকরা হতাশ। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে আসন সমঝোতার পর সিলেট বিভাগে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র
6 আশরাফ উল্লাহ ইমন: সিলেটের কাঁচাবাজারে আবারও সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেশির ভাগ সবজির কেজিতে