admin
প্রকাশিত: 4:39 PM, April 5, 2026
স্টাফ রিপোর্টার:
অনিয়ম, দুর্নীতি আর গ্রাহক হয়রানির আখড়ায় পরিণত হয়েছে সিলেট বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) অফিস। এখানে স্বাভাবিক নিয়মে আবেদন করে সেবা পাওয়া যেন আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়ার মতো। ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে মাসের পর মাস, এমনকি বছর পার হলেও মিলছে না কাঙ্খিত সেবা। তবে ‘কন্টাক্ট’ বা দালালের মাধ্যমে টাকা ঢাললে অসম্ভবও সম্ভব হয়ে যাচ্ছে নিমেষেই। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দালাল ছাড়া বিআরটিএ-তে কোনো ফাইল নড়ে না।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে সিলেট বিআরটিএ অফিসে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ৯টা বাজলেও অধিকাংশ কর্মকর্তার চেয়ার শূন্য। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকদের ভিড় বাড়লেও কর্মকর্তাদের দেখা মেলে দেরিতে। অফিসের সহকারী পরিচালক খালিদ মাহমুদ ও মোটরযান পরিদর্শক মোশারফ হোসেন নিজ নিজ কক্ষে থাকলেও সাধারণ গ্রাহকদের চেয়ে দালাল ও ‘ফাইল কন্টাক্টারদের’ যাতায়াতই সেখানে বেশি। এমনকি অফিসের ডেস্কে বসা কর্মকর্তারাও সরাসরি সেবা না দিয়ে ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ধরিয়ে দিয়ে ‘স্যারের সঙ্গে কথা বলে খরচ জানানোর’ আশ্বাস দিচ্ছেন।
বিআরটিএ অফিসের বাইরে এক দালালের সঙ্গে গ্রাহক পরিচয়ে কথা বললে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তার ভাষ্যমতে, ‘পেশাদার’ লাইসেন্সের জন্য সাড়ে ১৩ হাজার এবং ‘অপেশাদার’ লাইসেন্সের জন্য ১৫ হাজার টাকার ‘প্যাকেজ’ দিলেই কেল্লাফতে। এই প্যাকেজের মধ্যে ডোপ টেস্ট ছাড়া বাকি সব দায়িত্ব দালালের। এমনকি পরীক্ষায় অংশ নিলেই হলো, পাস করিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব তাদের। টাকা না দিলে পরীক্ষায় পাস করলেও ফলাফলের তালিকায় নাম থাকে না বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ভুক্তভোগী।
ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে আসা এক গ্রাহক জানান, তিন বছর আগে লার্নার করে কয়েকবার পরীক্ষা দিয়ে পাস করলেও তালিকায় নাম ওঠেনি। শেষমেষ তিন হাজার টাকা দিয়ে দালালের মাধ্যমে ‘পাস’ করিয়ে আজ ফিঙ্গার দিতে এসেছেন। ফিটনেস সার্টিফিকেট ও লাইসেন্স পেতে তাদের বছরের পর বছর ঘুরতে হচ্ছে। অথচ দালাল ধরলে দ্রুত কাজ হয়ে যায়। অন্যদিকে, সার্ভারের সমস্যার দোহাই দিয়ে অনেককে ফিঙ্গার প্রিন্ট না রেখেই ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় যারা ফেল করেন, তারাও টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স পেয়ে যান। এমনকি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেও লাইসেন্স পাওয়ার নজির রয়েছে এই অফিসে। প্রতিটি ধাপে পাসের জন্য ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
এসব গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে জানতে জেলা বিআরটিএ অফিসের সহকারী পরিচালক খালেদ মাহমুদের সরকারি নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া মোটরযান পরিদর্শক মোশারফ হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনিও কল রিসিভ করেননি। সিলেট বিআরটিএ-র এই ওপেন সিক্রেট দুর্নীতি বন্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সাধারণ সেবাগ্রহীতারা।
সিলেট নগরীর দাড়িয়াপাড়াস্থ চৈতালী সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত শারদীয় দুর্গাপূজার মহাঅষ্টমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক কথিত ফেইসবুকভিত্তিক ‘ভুয়া সাংবাদিক’ এবং হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ আনোয়ারের যোগসাজশে এক ভয়াবহ
সিলেটে আওয়ামী লীগ আমলের সুবিধাভোগী ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালামের (স্থানীয়ভাবে ‘ভাঙাড়ি কালাম’ নামে পরিচিত) বিরুদ্ধে
সিলেট জেলা জিয়া মঞ্চের আহবায়ক মোঃ সাহেদ আহমদ বলেছেন, জিয়া মঞ্চ সবসময় দেশ ও জনগণের কল্যাণে এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল যুক্তরাজ্য শাখার অধীনস্থ ইস্ট লন্ডন শাখার ৮১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা সহ বিভিন্ন সংকট মোকাবেলায় সরকারের তাৎক্ষনিক পদক্ষেপ সম্বলিত
সিলেট সদর উপজেলার ৮নং কান্দিগাঁও ইউনিয়নের দর্শা এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে খাল খননের উদ্যোগ বন্ধ করে উর্বর কৃষি জমি রক্ষার দাবিতে ভুক্তভোগী
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ১১নং ওয়ার্ডের ভাতালিয়া জামে মসজিদ এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও মশা নিধনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।