admin
প্রকাশিত: ১:০৭ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৫, ২০২০
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা ১৯৭১ সালের ৫ই ডিসেম্বর হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়েছিল। ১৯৭১ সালের ১ ও ২ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ৪ নম্বর সেক্টরের রানীবাড়ী সাব-সেক্টরের অধীনে থাকা সব ক্যাম্পের মুক্তিযোদ্ধা একসঙ্গে দেশের ভেতরে প্রবেশের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় ভারতের বাগপাশা থেকে অগ্রসর হয়ে রাঘনা নামক স্থানে ভারত-বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারণকারী জুড়ী নদীর ওপর অস্থায়ী সেতু নির্মাণ করেন তারা। এই সেতু দিয়েই বাংলাদেশে প্রবেশ করে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনী। পরে তারা সীমান্তবর্তী ফুলতলা ইউনিয়নের ফুলতলা বাজার বিনা বাধায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে ফিরে পান।
রাতের মধ্যেই পাশের সাগরনাল ইউনিয়নে থাকা পাক বাহিনীর অবস্থানও মুক্তিবাহিনীর দখলে চলে আসে। সেখানে মুক্তিবাহিনীর ক্যাপ্টেন সুখ লালসহ কিছু সংখ্যক সৈন্য রয়ে যান। বাকিরা জুড়ীর দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। রত্না চা বাগানের কাছে পৌঁছালে পাকিস্তানী বাহিনীর কাছ থেকে বাধা পান তারা। সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা গুলি বিনিময় হয়। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল বিক্রমের সামনে তিক্তে না পেরে পাকিস্তানী বাহিনী পিছু হটে এবং কাপনাপাহাড় চা বাগানের দিকে চলে যায়। যৌথ বাহিনীও এখানে অবস্থান নেয়। পরদিন দিনভর পাকিস্তানী বাহিনীর সঙ্গে প্রচন্ড যুদ্ধ চলে মুক্তিবাহিনীর। এতে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন হতাহত হয়। কিন্তু এবার পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী নিজেদের অবস্থান ছেড়ে জুড়ীর দিকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। কাপনাপাহাড় থেকে যৌথবাহিনীর সৈন্যরা দুইভাগে বিভক্ত হয়ে একদল কুলাউড়া শত্রুমুক্ত করার উদ্দেশ্যে গাজীপুর চা বাগানের রাস্তা ধরে কুলাউড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকে।
অপর দল জুড়ীর দিকে এগিয়ে যায়। পরদিন ৪ ডিসেম্বর ভারতের কুম্ভিগ্রাম বিমানবন্দর থেকে কয়েকটি যুদ্ধ বিমান যৌথবাহিনীর সমর্থনে এসে জুড়ী ও কুলাউড়াতে শে করে। বিমান বাহিনীর শেলিংয়ের মুখে জুড়ীতে অবস্থানরত পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর পক্ষে অবস্থান ধরে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে। তারা রণে ভঙ্গ দিয়ে ঐদিন রাতেই পালিয়ে যায়। শত্রুমুক্ত হয় জুড়ী উপজেলা। মুক্তিযোদ্ধারা লাল-সবুজ পতাকা হাতে নিয়ে শহরে প্রবেশ করেন। জয়বাংলা শ্লোগানে মুখরিত হয় চারপাশ। উল্লেখ্য ১৯৭১ সালের এই দিনে, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কামুদপুরে পাক সেনাদের সঙ্গে এক সম্মুখ যুদ্ধে ৮ম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৪ সদস্য শহিদ হয়েছিলেন।
১৯৭১ সালের ৫ ডিসেম্বর তারিখে কমলগঞ্জের ভানুগাছ বাজারের নিকর্টবর্তী ধলাই ব্রিজের সম্মুখযুদ্ধে ৩ জন ও কমলগঞ্জ থানার সামনে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর সময় অষ্টম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একজন সদস্য পাক হানাদার বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন। এরা হলেন, পাবনা জেলার শাহাদাৎপুর উপজেলার দারগাপাড়া গ্রামের ল্যান্স নায়েক জিল্লুর রহমান, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার কালাপাইনা গ্রামের সিপাহী মো. মিজানুর রহমান, দেবীদ্বার উপজেলার বড় শালঘর গ্রামের সিপাহী আব্দুর রসিদ, চট্রগ্রাম জেলার মিরশ্বরাইয়ের মগাদিয়া গ্রামের সিপাহী মো. শাহাজান মিয়া। দেশের জন্য সম্মুখ যুদ্ধে নিজের জীবন উৎসর্গকারী এই ৪ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ঐ দিন রাতেই কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের পশ্চিম কামুদপুরে সমাহিত করা হয়েছিল।
S/H(t-2)
2 সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নবগঠিত কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতি। সোমবার (১৫
4 সরকারি কলেজে কর্মরত বেসরকারি কর্মচারীদের চাকরি রাজস্বকরণের (সরকারি বেতন কাঠামোর আওতায় আনা) দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।
7 ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৫-২০২৬ -এর আওতায় সিলেট জেলায় অনুষ্ঠিত হলো সাঁতার প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। সিলেট
4 সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেছেন, আমরা শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারকারী হতে চাই না, উদ্ভাবক হতে চাই। সিলেটের তরুণদের
1 মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী বলেছেন, চিকিৎসা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির ফলে আজ মানুষ অনেক
7 বিশ্বকাপের আগে থেকেই আলোচনায় ছিলেন আইয়ুব বুয়াদ্দি। ফ্রান্সে জন্ম এবং তাদের হয়ে বয়সভিত্তিক দলের নেতৃত্বও দিয়েছেন। কিন্তু বিশ্বকাপের আগে
4 সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে সিলেট জেলা ও মহানগর হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান কল্যাণ
7 সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান (২য় গ্রেড) পদে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করতে ঢাকায় পৌছেছেন কয়েস লোদী। আজ রবিবার পূর্বাহ্নে তিনি