editor
প্রকাশিত: 3:41 PM, November 23, 2020
অনলাইন ডেস্ক
দেশীয় সিনেমার কালজয়ী নায়ক ও জাতীয় সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ফারুক করোনায় আক্রান্ত। সম্প্রতি তিনি সিঙ্গাপুর থেকে চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফিরেছিলেন। অনেকটা বিশ্রামেই ছিলেন। তবে সামান্য কারণেই গত ১৫ নভেম্বর তাঁর শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে।
এরপর তাঁকে পরদিন সন্ধ্যা ৬টায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখানে সার্বক্ষণিক তাঁর সঙ্গী হয়ে আছেন স্ত্রী ফারহানা ফারুক।
এদিকে ফারুকের মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান তুলসি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। জানা গেছে, বাড়িতে অবস্থানের সময় বাবার দেখাশোনা করতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তুলসি। গত পাঁচদিন ধরে করোনায় আক্রান্ত হন তুলসী। এমনটাই জানিয়েছে ফারুকের পরিবার। তবে করোনা থেকে মুক্ত আছেন নায়ক ফারুকের একমাত্র পুত্র শরৎ।
বাবার সংস্পর্শে গিয়েই শরীরে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে তুলসীর। যার ফলে পরিবারের বাকি সদস্যরাও সতর্ক রয়েছেন।
জানা গেছে, ফারিহা তাবাসসুম পাঠান তুলসীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তিনি বাসায়ই আইসোলেশনে রয়েছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে খাবার ও ওষুধ গ্রহণ করছেন এবং কিছু নিয়ম মেনে চলছেন।
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহপরান (রহ.) মাজার দরগাহ ওয়াক্ফ এস্টেটের (ইসি নং-১৩৬৫১) ব্যবস্থাপনা, আয়-ব্যয়, দানবাক্সের অর্থ ও ওয়াক্ফ সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের
সিলেট মহানগর বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের গুঞ্জন এখন পুরো নগরজুড়ে টক অব দ্য টাউন। গুঞ্জন ও জোর আলোচনা চলছেÑমহানগর
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মুদ্রণসামগ্রী ক্রয়ের দরপত্রে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দরপত্র মূল্যায়ন প্রতিবেদনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক উপদেষ্টা, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সাবেক সভাপতি এবং
সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২১শে জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৭শে মের
সিলেটের কানাইঘাট বাজারে ফার্মেসিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে সংবাদ সংগ্রহের সময় বাধার মুখে পড়েছেন স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মী। আজ গতকাল সোমবার বিকেল
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় দীর্ঘ ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে টানা সেবা দিয়ে গেলেও চাকরির স্থায়িত্ব পাননি