admin
প্রকাশিত: 1:37 PM, November 19, 2020
অনলাইন ডেস্ক
একুশে পদকপ্রাপ্ত ও দেশ বরেণ্য জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দীর জন্মদিন আজ। প্রয়াত এই শিল্পী ১৯৫৩ সালের ১৯ নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানায় নন্দীপাড়া নামক গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত সঙ্গীত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
সুবীর নন্দীর নানার বাড়ি শ্রীমঙ্গল উপজেলার বাদেআলিশা গ্রামে। তার পিতা-সুধাংশু নন্দী ছিলেন একজন চিকিৎসক ও সঙ্গীতপ্রেমী। তার মা পুতুল রানী চমৎকার গান গাইতেন কিন্তু রেডিও বা পেশদারিত্বে আসেননি কখনও।
সুবীর নন্দী ছিলেন একজন বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী। তিনি মূলত চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন। চলচ্চিত্রের সঙ্গীতে তার অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করেন।
তিনি মহানায়ক (১৯৮৪), শুভদা (১৯৮৬), শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯৯), মেঘের পরে মেঘ (২০০৪) ও মহুয়া সুন্দরী (২০১৫) চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে পাঁচবার এই পুরস্কার লাভ করেন।
সঙ্গীতে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০১৯ সালে তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।
চলচ্চিত্রে নন্দীর গাওয়া উল্লেখযোগ্য গান হল দিন যায় কথা থাকে, আমার এ দুটি চোখ পাথর তো নয়, পৃথিবীতে প্রেম বলে কিছু নেই, আমি বৃষ্টির কাছ থেকে কাঁদতে শিখেছি, হাজার মনের কাছে প্রশ্ন রেখে, তুমি এমনই জাল পেতেছ, বন্ধু হতে চেয়ে তোমার, কতো যে তোমাকে বেসেছি ভালো, পাহাড়ের কান্না দেখে, কেন ভালোবাসা হারিয়ে যায়, একটা ছিল সোনার কইন্যা, আমার উড়াল পঙ্খীরে ইত্যাদি।
শিল্পীর প্রথম গানের অ্যালবাম প্রকাশ হয় ১৯৮১ সালে। এছাড়া তার অন্যান্য অ্যালবামগুলো হল প্রেম বলে কিছু নেই, ভালোবাসা কখনো মরে না, সুরের ভুবনে, গানের সুরে আমায় পাবে প্রভৃতি।
সুবীর নন্দীর ডাক নাম বাচ্চু। ছোটবেলা থেকেই তিনি ভাই-বোনদের সঙ্গে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে তালিম নিতে শুরু করেন ওস্তাদ বাবর আলী খানের কাছে। তবে সঙ্গীতে তার হাতেখড়ি মায়ের কাছেই। বাবার চাকরি সূত্রে তার শৈশবকাল চা বাগানেই কেটেছে। চা বাগানে খ্রিস্টান মিশনারিদের একটি বিদ্যালয় ছিল, সেখানেই পড়াশোনা করেন। তবে পড়াশোনার অধিকাংশ সময়ই তার কেটেছে হবিগঞ্জ শহরে।
১৯৬৩ সালে তৃতীয় শ্রেণী থেকেই তিনি গান করতেন। এরপর ১৯৬৭ সালে তিনি সিলেট বেতারে গান করেন। তার গানের ওস্তাদ ছিলেন গুরু বাবর আলী খান। লোকগানে ছিলেন বিদিত লাল দাশ। সুবীর নন্দী গানের জগতে আসেন ১৯৭০ সালে ঢাকা রেডিওতে প্রথম রেকর্ডিং এর মধ্য দিয়ে। প্রথম গান ‘যদি কেউ ধূপ জ্বেলে দেয়’ -এর গীত রচনা করেন মোহাম্মদ মুজাক্কের এবং সুরারোপ করেন ওস্তাদ মীর কাসেম। ৪০ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে গেয়েছেন আড়াই হাজারেরও বেশি গান। বেতার থেকে টেলিভিশন, তারপর চলচ্চিত্রে গেয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান। তিনি গানের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ব্যাংকে চাকরি করেছেন।
নন্দী দীর্ঘদিন ফুসফুস, কিডনি ও হৃদরোগে ভুগছিলেন। ১৪ই এপ্রিল তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। ৩০ এপ্রিল তাকে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে ৫ ও ৬ই মে পরপর দুইদিন হার্ট অ্যাটাকের পর তিনি ২০১৯ সালের ৭ই মে ৬৫ বছর বয়সে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহপরান (রহ.) মাজার দরগাহ ওয়াক্ফ এস্টেটের (ইসি নং-১৩৬৫১) ব্যবস্থাপনা, আয়-ব্যয়, দানবাক্সের অর্থ ও ওয়াক্ফ সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের
সিলেট মহানগর বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের গুঞ্জন এখন পুরো নগরজুড়ে টক অব দ্য টাউন। গুঞ্জন ও জোর আলোচনা চলছেÑমহানগর
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মুদ্রণসামগ্রী ক্রয়ের দরপত্রে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দরপত্র মূল্যায়ন প্রতিবেদনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক উপদেষ্টা, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সাবেক সভাপতি এবং
সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২১শে জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৭শে মের
সিলেটের কানাইঘাট বাজারে ফার্মেসিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে সংবাদ সংগ্রহের সময় বাধার মুখে পড়েছেন স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মী। আজ গতকাল সোমবার বিকেল
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় দীর্ঘ ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে টানা সেবা দিয়ে গেলেও চাকরির স্থায়িত্ব পাননি