editor
প্রকাশিত: 4:28 PM, November 23, 2020
অনলাইন ডেস্ক
মারা গেছেন ভারতীয় টিভি অভিনেত্রী লীনা আচার্য। শনিবার কিডনিজনিত সমস্যায় তিনি মারা গেছেন।ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন লীনা। লীনাকে সুস্থ করার জন্য তাঁর মা একটি কিডনিও দান করেছিলেন। তবে শেষরক্ষা হলো না| প্রথমে রটেছিল, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় অভিনেত্রীর। পরে অবশ্য পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কিডনি বিকল হওয়ার কারণেই মারা যান লীনা।‘শেঠ জি’, ‘আপকি আ জানে সে’, ‘মেরি হানিকারক বিবি’সহ বেশ কিছু হিন্দি ধারাবাহিক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন লীনা। এক বছর ধরে তিনি কিডনির চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।এই অভিনেত্রীর মৃত্যুতে শোক জ্ঞাপন করে চিত্রনাট্যকার ও অভিনেতা অভিষেক গৌতম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমার কাছের বন্ধু ও খুবই চমৎকার একজন অভিনেত্রী লীনা আচার্য। সব সময়ই অন্যের পাশে থাকত। পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে। একজন ভালো বন্ধু হারালাম। তোমাকে অনেক মনে পড়বে।’এই অভিনেত্রীকে স্মরণ করে তাঁর সহ-অভিনেতা রোহান মেহরা ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘শান্তিতে থাকুন লীনা আচার্য ম্যাডাম। আপনাকে মনে পড়বে।
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হযরত শাহপরান (রহ.) মাজার দরগাহ ওয়াক্ফ এস্টেটের (ইসি নং-১৩৬৫১) ব্যবস্থাপনা, আয়-ব্যয়, দানবাক্সের অর্থ ও ওয়াক্ফ সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের
সিলেট মহানগর বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের গুঞ্জন এখন পুরো নগরজুড়ে টক অব দ্য টাউন। গুঞ্জন ও জোর আলোচনা চলছেÑমহানগর
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মুদ্রণসামগ্রী ক্রয়ের দরপত্রে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দরপত্র মূল্যায়ন প্রতিবেদনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক উপদেষ্টা, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সাবেক সভাপতি এবং
সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২১শে জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৭শে মের
সিলেটের কানাইঘাট বাজারে ফার্মেসিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে সংবাদ সংগ্রহের সময় বাধার মুখে পড়েছেন স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মী। আজ গতকাল সোমবার বিকেল
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় দীর্ঘ ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে টানা সেবা দিয়ে গেলেও চাকরির স্থায়িত্ব পাননি