admin
প্রকাশিত: ২:৫০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধাঞ্জলি
আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালে ৯ মাসের রক্তগঙ্গা পেরিয়ে জাতি যখন উদয়ের পথে দাঁড়িয়ে, পূর্ব দিগন্তে টগবগিয়ে বিজয়ের লাল সূর্য উদিত হচ্ছে, দেশ যখন স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে- ঠিক তখনই বাঙালির কৃতী সন্তানদের নৃশংসভাবে হত্যা করে পাক-হানাদার বাহিনী এবং তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও শান্তি কমিটির সদস্যরা। বধ্যভূমিতে বড় অসহায় অবস্থায় নিঃশেষে প্রাণ দেন দেশের সেরা শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীরা। রণক্ষেত্রে বীর বাঙালির হাতে নাস্তানাবুদ শেষে জাতিকে মেধাশূন্য করার সুদূরপ্রসারী ঘৃণ্য নীলনকশা বাস্তবায়নে নেমেছিল তারা। ঘাতকরা চেয়েছিল, জাতির মেরুদন্ড ভেঙে দিতে। শ্বাপদীয় জন্তুর মতো ঘাতকরা ১৪ ডিসেম্বর রাতের আঁধারে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। এ হত্যাকান্ড ইতিহাসে এক জঘন্যতম হত্যাকান্ড। আজকের দিনে আমরা ওই সব বুদ্ধিজীবীকে স্মরণ করি গভীর শোক ও শ্রদ্ধায়।
তথ্য অনুযায়ী, দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের মধ্যে এই দিনে ডা. ফজলে রাব্বী, আবদুল আলীম চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন, সেলিনা পারভীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সন্তোষ ভট্টাচার্য, সিরাজুল হক, চিকিৎসক গোলাম মুর্তোজা, আজহারুল হক, হুমায়ুন কবীর, মনসুর আলীসহ অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়। জগন্নাথ হল, রায়েরবাজার নদীর তীর ও মিরপুরের কয়েকটি স্থানে নিয়ে হত্যা করা হয় এসব বুদ্ধিজীবীকে। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রাক্কালে এবং যুদ্ধ চলাকালে হত্যা করা হয় জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, গোবিন্দ চন্দ্র দেবসহ আরও অনেক বুদ্ধিজীবীকে। মুনীর চৌধুরী, আলতাফ মাহমুদ ও শহীদুলস্না কায়সারও একইভাবে হত্যার শিকার হন। আর এ নারকীয় হত্যাকান্ডের সর্বপ্রথম শিকার হয়েছিলেন অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা। তবে দেরিতে হলেও বাঙালি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জেগে উঠেছে। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচারহীনতার দায় থেকে বেরিয়ে এসেছে দেশ। সব রক্তচক্ষু ও দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের পরও সাহসিকতার সঙ্গে জাতিকে দেয়া ওয়াদা রক্ষা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল থেকে বুদ্ধিজীবী হত্যার দায়ে শীর্ষ প্রায় সব ঘাতকের বিচারের রায় ঘোষিত হয়েছে। দেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যু। বুদ্ধিজীবীদের শীর্ষ ঘাতকদের বিচারে দন্ডিত হওয়া খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।
সর্বোপরি বলতে চাই, একাত্তরের ঘাতকরা ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর দেশের যে সব বুদ্ধিজীবী হত্যা করেছে তারা ছিলেন মুক্তচিন্তার পথিক। দেশপ্রেমিক এসব বুদ্ধিজীবী স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় দেখতে চেয়েছিলেন। বাস্তবতা যে, স্বাধীনতা লাভের কয়েকদিন আগেই তাদের নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়। সংগত কারণে হত্যাকারীদের যেমন ঘৃণা প্রাপ্য, তেমনি কেবল বুদ্ধিজীবী দিবসেই তাদের প্রতি শ্রদ্ধায় আপস্নুত হয়ে উঠব, এমনটি প্রত্যাশিত নয়। আমরা মনে করি, নতুন প্রজন্মের স্বার্থে বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগের পাশাপাশি জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানরা আমৃত্যু যে চেতনা লালন করেছেন তার যথাযথ বাস্তবায়ন ঘটানো জরুরি। অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে বলা দরকার, এসব অপশক্তি যেন কোনো অবস্থায়ই রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা না পায়, এরা যেন কিছুতেই এই দেশে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে তাও নিশ্চিত করতে হবে রাষ্ট্রকে।
5 সিলেটে মাতৃস্বাস্থ্য, নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং প্রজননস্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে দক্ষ মিডওয়াইফদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে
1 “ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা” প্রতিপাদ্যে ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৫-২০২৬-এর আওতায় সিলেট জেলায় মাসব্যাপী সাঁতার (অনূর্ধ্ব-১৫)
2 শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন আইনজীবীরা।
4 সরকারি কলেজে কর্মরত বেসরকারি কর্মচারীদের চাকরি নিয়মিতকরণ ও রাজস্বখাতে স্থানান্তরের ৪ দফা দাবিতে সিলেটে বিভাগীয় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
5 যুক্তরাজ্য যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি, সিলেট বিমানবন্দর থানা বিএনপির আহ্বায়ক এবং কিংবদন্তি সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল কাদির সমছু সংক্ষিপ্ত যুক্তরাজ্য সফর
3 বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: একমাসে তিন বার চুরি হওয়া বিশ্বনাথ উপজেলার আলোচিত বিদ্যালয় লামাকাজী ইউনিয়নের সোনাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। চুরি ঘটনাটি
7 স্টাফ রিপোর্টার: টাকায় কেনা যায় না এমন কিছুই যেন নেই তার কাছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও তার দাপটে কোনো পরিবর্তন
3 হিন্দু,বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সিলেট মহানগরের আওতাধীন কতোয়ালি থানা কমিটির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৬