editor
প্রকাশিত: 10:47 AM, October 12, 2026
দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, এরশাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে রাজপথের প্রতিটি লড়াই-সংগ্রামের পরীক্ষিত সৈনিক এবং তৃণমূলের সুসংগঠিত সংগঠক সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু সিলেট মহানগর বিএনপির রাজনীতিতে এক সুপরিচিত নাম।
রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের অসামান্য অবদান, রাজপথের ত্যাগ এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় তিনি এবার সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি পদে অন্যতম শীর্ষ ও শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে জোরালো আলোচনায় উঠে এসেছেন।
১৯৮৩ সালে ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক জীবনের সূচনা করেন সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি ছিলেন প্রথম সারির যোদ্ধা। রাজনীতির কঠিন পথপরিক্রমায় তিনি নিজের মেধা, নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমে সংগঠনের জন্য এক অপরিহার্য ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।
সংগঠনিক দক্ষতার ধারাবাহিকতায় ১৯৯৮ সালে তিনি সিলেট জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মনোনীত হন। এরপর ২০০০ সালে কাউন্সিলে গঠিত জেলা যুবদলের কমিটিতে তাকে সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সিলেট মহানগর বিএনপির তৎকালীন আহ্বায়ক ডা. শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন কমিটিতে সদস্য হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
মহানগর বিএনপির রাজনীতিকে গতিশীল করতে নাসিম-সেলিম প্যানেল কাউন্সিলে বিজয়ী হওয়ার পর সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু ওই কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে পংকি ও মিফতাহ্’র নেতৃত্বাধীন মহানগর আহ্বায়ক কমিটিতে তিনি যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান। বর্তমানে তিনি সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু কেবল মহানগরের রাজনীতিতেই নয়, একদম তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে সুদৃঢ় করতে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন। তিনি মহানগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন সফলতার সাথে। তৎকালীন ২৭টি ওয়ার্ডের সম্মেলনের সময় কেন্দ্রীয় নির্দেশে ১৯, ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডে টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে তিনি তৃণমূলের নেতৃত্ব নির্বাচন ও সংগঠনকে একসূত্রে বাঁধার কঠিন কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় গত ৫ আগস্টের পূর্বে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে অত্যন্ত সক্রিয় ও সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছেন রাজপথের এই অভিজ্ঞ নেতা।
রাজনীতির পাশাপাশি সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু সিলেটের সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবসেবামূলক অঙ্গনে এক গ্রহণযোগ্য নাম। অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সর্বজনীন সম্প্রীতি রক্ষায় তিনি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন।
বর্তমানে তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিয়োগক্রমে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ‘ট্রাস্টি’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে সংখ্যালঘু ও ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার আদায়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নিজের সম্প্রদায়ের ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনা এবং ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট প্রদানে উদ্বুদ্ধ করতে দলীয় প্রার্থীকে সঙ্গে নিয়ে নিরলসভাবে মাঠে কাজ করেছেন।
সামাজিক সেবার অংশ হিসেবে তিনি সিলেট ডায়াবেটিস হাসপাতালের কার্যকরী কমিটির সদস্য এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের আজীবন সদস্য হিসেবে বহু বছর ধরে রোগীদের সেবা ও মানবকল্যাণে অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন।
সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পুর দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগ, ক্লিন ইমেজ এবং সকল ধর্ম ও মতের মানুষের কাছে সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতার কারণেই তাকে নিয়ে দারুণ আশাবাদী স্থানীয় নেতাকর্মীরা। সিলেটের তৃণমূল বিএনপি ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা মনে করেন, সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পুকে মহানগর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হলে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে সিলেট নগর বিএনপি বহুগুণ শক্তিশালী, গতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতার কোনো বিকল্প নেই।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের জোরালো দাবির মুখে এই জনবান্ধব নেতা ব্যক্ত করেন, দায়িত্ব পেলে আগামীতে সিলেট মহানগর বিএনপিকে একটি সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে তিনি সর্বাত্মক কাজ করে যাবেন।
সিলেটের দক্ষিণ সুরমা সুইপার কলোনির প্রবেশমুখে অবস্থিত ‘খান বোর্ডিং’ নামক একটি আবাসিক হোটেল মাদকসেবী ও অপরাধীদের প্রধান ও নিরাপদ আশ্রয়ে
দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, এরশাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে রাজপথের প্রতিটি লড়াই-সংগ্রামের পরীক্ষিত সৈনিক এবং তৃণমূলের সুসংগঠিত সংগঠক
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় দীর্ঘ ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে টানা সেবা দিয়ে গেলেও চাকরির স্থায়িত্ব পাননি
সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) সংসদীয় আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এখন তৃণমূল নেতাকর্মীদের
আসন্ন উছমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন সিলেট জেলা যুবদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. রেদওয়ান
ফ্রান্সে বসবাসরত সিলেট বিভাগের প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং তাদের অধিকার ও ন্যায্য দাবি-দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে ‘সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদ ফ্রান্স
আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসা ও এমআইএস (MIS)-এর কাজ ত্বরান্বিত করার লক্ষে ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ সিলেট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে দক্ষিণ
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা ও রাজপথের অভিজ্ঞতার মূল্যায়নে সিলেট জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে সাবেক ছাত্রনেতা কামরুল হাসান