editor
প্রকাশিত: 6:32 PM, August 10, 2021

উঠে যাচ্ছে বিধি-নিষেধ : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও খুলে দিন
করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে লকডাউনের আদলে যে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছিল, কাল থেকে তা আর থাকছে না। সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকবে। সড়ক, রেল ও নৌপথে আসনসংখ্যার সমপরিমাণ যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলাচল করতে পারবে। শপিং মল, মার্কেট ও দোকানপাট সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রাখা যাবে। সব ধরনের শিল্প-কারখানা চালু থাকবে। খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ অর্ধেক আসন খালি রেখে সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। সব ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই কঠোর বিধি-নিষেধ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হচ্ছে কেন? কেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি?
করোনাকালে গত দেড় বছরে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নানা ধরনের প্রণোদনা দিয়ে অর্থনীতি সচল রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু করোনায় শিক্ষাক্ষেত্রে যে স্থায়ী ক্ষতি হয়ে গেছে, কোন প্রণোদনায় তা পূরণ হবে? শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়া এই সময় ফিরিয়ে আনার জন্য শিক্ষা বিভাগের পরিকল্পনা কী? গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, করোনাকালে দেশে বাল্যবিয়ে বেড়েছে। ঝরে গেছে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী। উচ্চ মাধ্যমিকে অটো পাস দেওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তি সম্পন্ন করতে পারেনি। আগের বছর ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো ক্লাসই করতে পারেনি। বিশেষ করে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। শিক্ষকরা অন্য পেশায় চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। অথচ আমরা দেখতে পাই গত দেড় বছরে স্কুলগুলো বন্ধ রাখা হলেও রেস্তোরাঁগুলো খোলা ছিল। খুলে দেওয়া হয়েছে শপিং মল। স্বাস্থ্যবিধি মেনে যদি শপিং মল-রেস্তোরাঁ খুলে দেওয়া যায়, তাহলে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া যাবে না কেন?
বাংলাদেশের বাস্তবতা হচ্ছে, এখানে লকডাউন কাজ করেনি। অফিস-ব্যাংক, গণপরিবহন, হাট-বাজার-বিপণি-গার্মেন্ট বিভিন্ন সময়ে খুলে দেওয়া হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তকে সংশ্লিষ্ট অনেকেই স্ববিরোধিতা হিসেবে দেখছেন। ধরা যাক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের ঘরে রাখা হলো। কিন্তু তাদের অভিভাবকরা তো কর্মক্ষেত্রে গেছেন। শিক্ষার্থীরা নিজেরাও কি ঘরে ছিল? তারাও ঘুরে বেড়িয়েছে। অভিভাবকরা কর্মক্ষেত্র থেকে ফিরে পরিবারের সঙ্গে একত্র হয়েছেন। তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে অসুবিধা কী ছিল? ইউনিসেফ ও ইউনেসকো অনেক আগেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার জন্য বলেছে। এখন বিষয়টি ভেবে দেখা প্রয়োজন। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করা গেলে তো আর সমস্যা থাকে না। মনে রখাতে হবে, স্কুলে যেতে না পারার ক্ষতি কখনোই পুষিয়ে নেওয়া যাবে না।
https://www.facebook.com/somoymediasylhet
https://dailysylhetersomoy.com/
https://dailysylhetersomoy.com/english/
https://www.epaper.dailysylhetersomoy.com/home/
https://www.youtube.com/channel/UC-KEfv6XOsGmA4w0BEN7PHw
https://www.instagram.com/sylhetersomoy/
ডিএসএস/১০/আগস্ট/২০২১/নুরুল
সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র হাজী আব্দুল কাইয়ুম জালালি পংকি
প্রতিবছরের ন্যায় এবারও শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাশ্বত ৯২ বন্ধু ফোরামের উদ্যোগে পাত্র সম্প্রদায়ের মাঝে ১ টাকায় পূজার বাজার ও ক্ষুদে
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সহনীয় মূল্য নির্ধারণ, ফ্যাসিবাদের নির্মূল এবং সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে জমিয়তে
সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠন (জিশিস) এর কেন্দ্রীয় সহ
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস সিলেট মহানগর, জেলা ও শাবিপ্রবি’র যৌথ উদ্যোগে সহযোগী সদস্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত। ৯ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১০টায়
সিলেট মহানগীর রায়নগর রাজবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজবাড়ী প্রিমিয়ারলীগ-২০২৬ (RPL) সিজন-১১ এর প্লেয়ার ড্রাফট এবং ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠান। আসন্ন
সিলেটের গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আবুল হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মো. করিম মাহমুদ
আগামী সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে বইতে শুরু করেছে আগাম ভোটের হাওয়া। যেখানে অন্যান্য রাজনৈতিক