editor
প্রকাশিত: ১১:২৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১১, ২০২০
নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ীস্থ জহির তাহির মেমরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক অরবিন্ধু ভট্টাচার্য করছেন বিলাস বহুল বহুতল ভবন ভাড়া নিয়ে অবৈধ কোচিং বানিজ্য। করোনা সংক্রমণরোধে ‘‘নেই কোনো স্বাস্থবিধি’’। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব নয় বলে কোচিং সেন্টার বন্ধে নির্দেশ দিয়েছে সরকার। কিন্তু করোনার মতো মরণব্যাধির মধ্যেও থেমে নেই কোচিং বাণিজ্য। অনেক নামিদামি কোচিং সেন্টার থেকে ছয় মাস বা এক বছরের ফি এককালীন পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। অগ্রিম ফি পরিশোধ না করলে কোচিং সেন্টারের ক্লাসে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হচ্ছে না।
গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ২৫ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে কোচিং পরিচালনা করছেন জহির তাহির মেমরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক অরবিন্ধু ভট্টাচার্য। এতে সামাজিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই। শিক্ষকের মুখে নেই মাস্ক।
অভিভাবকরা জানিয়েছেন, করোনার কারণে আর্থিক সংকটে আছে অনেকে। সংসারের নিয়মিত খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন অধিকাংশ অভিভাবক। এমন পরিস্থিতিতে কোচিং এর ফি পরিশোধের এমন চাপ দেয়া অমানবিক। এমতাবস্থায় কোচিং ফি পরিশোধ অভিভাবকদের কাছে বোঝা হয়ে দাড়িয়েছে।
কোচিং চলা কালীন সময়ে জহির তাহির মেমরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক অরবিন্ধু ভট্টাচার্যের কাছে অবৈধ কোচিং এর বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘‘আমি এটা সম্পুন ভুুল করেছি। আর এরকম কাজ করবো না। আমি কোচিং সেন্টার বন্ধ করে দিবো।’’
শিক্ষাবিদরা কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কোচিং বাণিজ্যে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিভাবকদের আইনের আশ্রয় নেওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
শিক্ষক নামধারী কিছু সুযোগ সন্ধানী ব্যক্তি কোচিং বাণিজ্য করে অবিভাবকদের বেকায়দায় ফেলে মোটা অংকের অর্থ আদায়ের এই কৌশল বন্ধের দাবি জানিয়ে অবিভাবকরা অরও বলেন, যে সব শিক্ষকরা কোচিং করান তাদের অধিকাংশই নামিদামি বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষকতা করেন। তারা ক্লাসে ঠিকমতো না পড়িয়ে কোচিং এ ব্যস্ত। শিক্ষার্থী ও অবিভাবকরা কোচিং সেন্টারগুলোর কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। করোনার মধ্যে আর্থিক সংকটেও কোচিং বাণিজ্য বন্ধ হয়নি বরং বেড়েছে।
ইংরেজি ও বাংলা মাধ্যমের বিভিন্ন বিষয় পড়ানোর জন্য সিলেটে সাধারণ মানের শিক্ষকের পাশপাশি রয়েছে নামিদামি কিছু শিক্ষক। করোনার আগে এসব শিক্ষকরা কোচিং সেন্টারে প্রতিদিন একাধিক ব্যাচ করে ক্লাস নিত। একটি ক্লাসের সময়সীমা ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট থেকে ২ ঘণ্টা ছিল। নামিদামি শিক্ষকদের প্রতি ক্লাসে একটি ব্যাচে ৩০ থেকে ৫০ জন পর্যন্ত শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকত। কোচিং সেন্টারে ক্লাস করিয়ে বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের একজন শিক্ষক মাসে বিশাল অংকের টাকাও আয় করেছে।
করোনা ব্যাধি সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বব্যাপী ব্যবসা বাণিজ্যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিও স্থবির হয়ে পড়েছে। মন্দা চলছে অধিকাংশখাতে।
একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিধ বলেন, করোনাকালীন এই আর্থিক সংকটে কোচিং নিয়ে এই বাণিজ্য করা উচিত নয়। যারা এই কাজ করছে তারা অমানবিক আচরণ করছে। সরকারের উচিত এখনই এই বাণিজ্য বন্ধ করা। অবিভাবকদের প্রয়োজনে আইনের আশ্রয় নেয়া উচিত।
1 সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে গত ২৮শে এপ্রিল মঙ্গলবার শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ সিলেট
2 সিলেট বিভাগের রাজনৈতিক সংগঠন সিলটি পাঞ্চায়িত কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 1 শনিবার (১৬ মে) বিকেলে নগরীর বন্দরবাজারস্থ
8 ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের উদ্যোগে আগামীকাল রবিবার (১৭ মে) লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির
5 পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ২নং খাজাঞ্চী ইউনিয়নে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে
6 সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘মুরারিচাঁদ কলেজ পদার্থবিজ্ঞান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন’-এর ১ম দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও
1 সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর কাছে বিয়ানীবাজারের উন্নয়নকল্পে ৯ দফা সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছে
6 চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। দেশে যখন কৃচ্ছ্রসাধন চলছে, তখন ফলোআপ চিকিৎসার জন্য পরিবারসহ সরকারি
2 স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের ইবনে সিনা হাসপাতালের এক নারী গাইনি চিকিৎসকের পরামর্শে অন্য হাসপাতালে রোগী ভর্তি এবং পরবর্তীতে ভুল চিকিৎসা