editor
প্রকাশিত: 12:38 PM, February 10, 2026
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সিলেট জেলার ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে প্রশাসন।
তবে গোয়েন্দা তথ্য ও স্থানীয় বাস্তবতায় জেলার ১ হাজার ১৬০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এসব কেন্দ্রে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যমতে, সিলেটের ৬টি সংসদীয় আসনে মোট ১ হাজার ১৬০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ কেন্দ্রই নানা কারণে ঝুঁকিপূর্ণ। পুলিশ সদর দপ্তরের এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সিলেট বিভাগে ৪২৭টি কেন্দ্রকে ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ (লাল তালিকাভুক্ত) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার একটি বড় অংশ সিলেট জেলায় অবস্থিত। দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থান, রাজনৈতিক আধিপত্য এবং অতীতের নির্বাচনী সহিংসতার রেকর্ড বিশ্লেষণ করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছে। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে অন্তত ৬টি করে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এছাড়া নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন থাকছে বিশাল এক বাহিনী:
অতি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ৩ জন পুলিশ সদস্য এবং সাধারণ কেন্দ্রে ২ জন পুলিশ সদস্য সার্বক্ষণিক মোতায়েন থাকবেন। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় ১৭ পদাতিক ডিভিশনের সেনা সদস্যরা এরই মধ্যে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় টহল শুরু করেছেন। বিজিবি ও র্যাব সদস্যরা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন। কেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ইউনিফর্মে থাকবে ভিডিও ক্যামেরা, যাতে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রমাণ সংগ্রহ করা যায়।
এদিকে, বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, সিলেটের একাধিক কেন্দ্রে অবৈধ প্রভাব বিস্তার ও কেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রতিপক্ষরা। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, আমরা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর তালিকা প্রশাসনকে দিয়েছি এবং সেখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছি।
সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও কিছুটা শঙ্কা কাজ করছে। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকা এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের কেন্দ্রগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখা প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সিলেট বিভাগীয় প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ নিশ্চিত করেছে যে, ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন, সেজন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সিলেটের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক জানান, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে আমরা বদ্ধপরিকর। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা সহিংসতার চেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি সারাদেশে একযোগে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সিলেটে উৎসবের আমেজ থাকলেও নিরাপত্তা শঙ্কা কাটানোই এখন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।
1 আক্তার হোসেন: সিলেটের কাজির বাজার এলাকায় পুলিশি নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে ভাঙ্গারি
7 স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের সীমান্তবর্তী জৈন্তাপুর উপজেলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসির নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে ফারুক
3 স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ১নং নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইন্তাজ আলীকে ঘিরে
7 স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের পরিবহন খাতের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ, বেপরোয়া চাঁদাবাজি, সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ধর্মঘট আহ্বান এবং ২০১২ সালের ঐতিহাসিক
5 স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট নগরীর মদীনা মার্কেট ও আশপাশ এলাকায় মুরগির ব্যবসার আড়ালে অনলাইন জুয়া, তীর খেলা ও মাদকের এক
1 স্টাফ রিপোর্টার : সিলেটে আবারও নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উপসচিব আব্দুল্লাহ
1 স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে কুমিল্লা পট্টি এলাকার কুখ্যাত জুয়াড়ি অন্তরকে গ্রেফতার করা
2 বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতি সিলেট কালেক্টরেট শাখা (১৭-২০ গ্রেড)-এর নবগঠিত কমিটির নাম প্রকাশ ও সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের