admin
প্রকাশিত: ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২২, ২০২৫
অনলাইন ডেস্ক
‘নির্বাচনি জোট গঠনের চেষ্টায় জামায়াত: অধিকাংশ ইসলামি দলের না’-এটি দৈনিক যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট বেঁধে ভোটে যেতে চাচ্ছে না অধিকাংশ ইসলামি দল। এসব দলের নেতারা জোট বেঁধে ভোটে যাওয়ার ব্যাপারে সরাসরি কিছু না বললেও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে তাদের দলের আদর্শ ও চিন্তাধারার পার্থক্য সামনে আনছেন। কাজেই জামায়াতের নেতৃত্বে ইসলামি দলগুলোর সমন্বয়ে একটি জোট গঠনের আলোচনা বেশ কিছু দিন ধরে শোনা গেলেও তা খুব সহজ হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তাদের মতে, এই জোট বা সমঝোতার বিষয়টি এখনো টেবিল আলোচনায়ই সীমাবদ্ধ। দিন যত গড়াচ্ছে, বৃহৎ জোট বা সমঝোতা নিয়ে দেখা দিচ্ছে নানা সন্দেহ ও সংশয়। এ অবস্থায় শেষ পর্যন্ত সব দল মিলে বৃহত্তর ঐক্য গড়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বলেই মনে করছেন বিভিন্ন ইসলামি দলের নেতারা। দলগুলোর অনেক নেতা জামায়াতের সঙ্গে জোট করবেন না-বিষয়টি এখনই প্রকাশ্যে বলতে চান না। তারা পৃথক ইসলামি জোট করার কথাও ভাবছেন। তবে জামায়াতে ইসলামী জোট করার বিষয়ে এখনো আশাবাদী। বেশ কয়েকটি দলের নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
ফেব্রুয়ারিতে রোজার আগেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এরপর থেকেই দেশে নির্বাচনের পালে হাওয়া লেগেছে। ভোটে নামার আগে সব ইসলামি দল নিয়ে একটি বৃহৎ ঐক্য করতে চাইছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তারা এক ছাতার নিচে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে চায়। এ বিষয়ে ইসলামপন্থি বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অধিকাংশ দলই জামায়াতের সঙ্গে জোট না করার বিষয়ে আগ্রহী।
এ পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামি দলগুলোর ঐক্য প্রক্রিয়ায় সব ইসলামি দল যে জামায়াতের সঙ্গে থাকছে না, সেটা ইতোমধ্যে প্রায় স্পষ্ট হয়ে গেছে।
জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশের সব শ্রেণির মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়। জামায়াতের সঙ্গে দেশের সব শ্রেণির মানুষের পূর্ণ সমর্থন আছে। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে সব ইসলামি দল নিয়ে এক বৃহৎ জোটের জন্য আমরা কাজ করছি। এ বিষয়ে আলেম-ওলামা ও ইসলামি রাজনীতিকদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। নির্বাচন যত কাছে আসবে, আমাদের এ প্রক্রিয়া তত দৃশ্যমান ও সুসংগঠিত হবে।
অনেক ইসলামি দল জামায়াতের সঙ্গে জোটে যেতে চাচ্ছে না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি। আরও সময় গেলে আশা করি একটি শক্তিশালী ঐক্য বা সমঝোতা দেখতে পারবেন। আগামী নির্বাচনে ইসলামি দলগুলো মিলে কমপক্ষে এক বাক্স নীতিতে সমঝোতায় আসতেই হবে বলে তিনি আশা করেন।
এ প্রসঙ্গে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফিন্দীর সঙ্গে যুগান্তরের কথা হয়। তিনি বলেন, দলীয় দৃষ্টিভঙ্গির জায়গা থেকে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট বা সমঝোতার কোনো সম্ভাবনাই আমি দেখি না। এখন পর্যন্ত দল আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে কোনো জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে দলটির নেতারা জামায়াতে ইসলামী ছাড়া অন্য সমমনা দলগুলোর সঙ্গে জোট করার বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক এ প্রসঙ্গে যুগান্তরকে জানান, ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে প্রথম থেকে থাকলেও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটে যাচ্ছে না তার দল। তিনি বলেন, নির্বাচনি সমঝোতার বিষয়ে আমরা এখনো তেমন কিছু ভাবছি না। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতার বিষয়ে আমাদের একাধিক বৈঠক ও কথাবার্তা হয়েছে। তবে জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতার বিষয়ে এখনো কোনো অফিশিয়াল আলোচনা আমরা করিনি। জামায়াত এবং আমাদের চিন্তার পার্থক্যটা বিরাট। মাওলানা মওদুদি সাহেবের যে চিন্তাধারা, তার সঙ্গে ঐতিহ্যগতভাবেই আমাদের চিন্তাধারার পার্থক্য রয়েছে। সেটাই মূল পার্থক্য। এছাড়া জামায়াতের সঙ্গে আমাদের বৃহত্তর ইসলামিক উম্মাহর চিন্তার জায়গায় পার্থক্য তো আছেই। এসব পার্থক্যের কারণে এখনো মূলধারার আলেমসমাজ জামায়াতে ইসলামীকে সমর্থন করেননি।
ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজী বলেন, মাঠপর্যায়ে জামায়াতের ব্যাপারে আলেমদের নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। ইসলামী ঐক্যজোট সব সময় আলেমদের নিয়েই চলে। আলেমদের মতামতের বাইরে আমরা যাব না। তাছাড়া জোটগত নির্বাচনের বিষয়ে আমরা দলীয় কোনো সিদ্ধান্ত এখনো নিইনি।
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী যুগান্তরকে জানান, রাজনৈতিকভাবে জামায়াতের সঙ্গে যোগাযোগ থাকলেও জোট ও ভোট নিয়ে তারা কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে রয়েছেন। এ লক্ষ্যে তারা একাধিকবার কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক বিভিন্ন ইসলামি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন। তারা ইসলামপন্থিদের ভোট ‘এক বাক্সে’ আনার চেষ্টা চালচ্ছেন। কিন্তু জামায়াতের সঙ্গে জোটের ব্যাপারে কারও আগ্রহ নেই।
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, আমারা সব সময় ইসলামি শক্তির ঐক্য চাই। তবে জামায়াতের সঙ্গে ঐক্যের বিষয়ে এখনো আমাদের দলীয় কোনো সিদ্ধান্ত নেই। দেশের শীর্ষ আলেমদের তত্ত্বাবধানে আমরা সংগঠন পরিচালনা করি, তাদের মতামতের বাইরে গিয়ে আমরা কোনো সিদ্ধান্ত নেব না।
খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী বলেন, জামায়াতের সঙ্গে আমরা জোটে যাচ্ছি, এ কথা বলেতে চাই না। তবে আমরা ইসলামি শক্তির ঐক্য চাই। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে আমরা যারা একসঙ্গে ছিলাম, সবাই মিলে দেশ গড়তে চাই। বিরোধী শক্তির একটি মজবুত প্ল্যাটফর্ম থাকলে রাজনীতিতে ভারসম্য আসবে। দলের অন্য এক নেতা জানান, দলটি বিএনপির সাবেক জোটসঙ্গী হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিএনপির সঙ্গে মিলে নির্বাচন করতে পারে বলে আলোচনা আছে।
অন্যদিকে শোনা যাচ্ছে, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটের ব্যাপারে বেশ সক্রিয় চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। অতীতের বৈরিতা ভুলে দল দুটির মধ্যে বেশ সখ্য গড়ে উঠেছে। বিশেষ করে পিআর ইস্যুতে দল দুটিকে অভিন্ন সুরে কথা বলতে দেখা গেছে। এটা ঐক্যপ্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে কারও কারও ধারণা।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম বলেন, চরমোনাই পীর সাহেবের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সব সময় ঐক্যের পক্ষে। ঐক্যের জন্য আমরা যে কোনো ছাড় দিতে সব সময় প্রস্তুত। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনি জোট বা সমঝোতার যে আলোচনা বাজারে চলছে, আসলে বাস্তবতা হলো-এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমাদের অফিশিয়াল কোনো বৈঠক হয়নি। আমরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এক বাক্স নীতি নিয়ে কাজ করছি এবং তা চলমান। ইসলামপন্থির বাইরেও ইসলাম, দেশ ও মানবতার পক্ষের রাজনৈতিক দলগুলোকে সমঝোতায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ (একাংশ)-এর মহাসচিব ড. মাওলানা গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম বলেন, জামায়াতের সঙ্গে আমরা ভোটের সঙ্গী হব না। ইসলাম এবং দেশের কল্যাণেই আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জাতীয়তাবাদী ও ইসলামি শক্তির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলে ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। এ দুই শক্তির ঐক্য থাকলেই দেশ এগিয়ে যাবে।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত ইসলামি রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ১০টি। এর বাইরেও কয়েকটি অনিবন্ধিত ছোট দল সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। অতীতে একাধিকবার এ দলগুলোর মধ্যে ঐক্য গড়ার চেষ্টা হলেও তা সফল হয়নি। তবে ৫ আগস্ট-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নতুন বাস্তবতায় আবারও ইসলামি দলগুলোর ঐক্যচেষ্টার আলোচনা সামনে এসেছে।
প্রথম আলো
দৈনিক প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর ‘পাথর লুটে জড়িত ৪২ নেতা-ব্যবসায়ী’। খবরে বলা হয়, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে সাদাপাথর লুটপাটে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে ৪২ জন রাজনীতিবিদ ও প্রভাবশালী ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তালিকায় বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা আছেন। এ ছাড়া লুটপাটে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবির নিষ্ক্রিয়তা ও সহযোগিতা ছিল।
সাদাপাথর এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুদক এসব তথ্য জানতে পেরেছে। ১৩ আগস্ট দুদক সিলেটের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক রাফী মো. নাজমুস সাদাতের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল এ অভিযান চালায়। পরে অভিযানে পাওয়া যাবতীয় তথ্য প্রতিবেদন আকারে ঢাকায় পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে দুদকের উপপরিচালক রাফী মো. নাজমুস সাদাৎ প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাদাপাথর লুটে বিস্তারিত অনুসন্ধানের জন্য নথি খোলার অনুমতি চাওয়া হয়েছে কমিশনের কাছে।’ এর বাইরে কোনো বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।
প্রাথমিক প্রতিবেদনের বলা হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে অসাধু ব্যক্তিরা যোগসাজশ করে সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র থেকে কয়েক শ কোটি টাকার পাথর অবৈধভাবে উত্তোলন করে নেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে, বিশেষ করে তিন মাস ধরে পাথর উত্তোলন চলতে থাকে। সর্বশেষ ১৫ দিন আগে নির্বিচার পাথর উত্তোলন ও আত্মসাৎ হয়। এতে প্রায় ৮০ শতাংশ পাথর তুলে নেওয়া হয়। বর্তমানে এলাকাটি অসংখ্য গর্ত ও বালুচরে পরিণত হয়েছে।
ছয়টি ক্যাটাগরিতে পাথর লুটে জড়িত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় এবং সরকারি সংস্থাগুলোর কার কী কোম্পানীগঞ্জে পাথর লুটপাটে ৪২ রাজনীতিবিদ ও প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম। এর মধ্যে বিএনপির ২১, আ. লীগের ৭, জামায়াতের ২ ও এনসিপির ২ জন।
কালের কণ্ঠ
দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম ‘উপদেষ্টা আসিফের প্রেস সেক্রেটারির বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজির অভিযোগ’। খবরে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি মাহফুজ আলমের বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজির অভিযোগ উঠেছে। এসংক্রান্ত একটি অডিও ফাঁস করেছেন সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর। অডিওতে মাহফুজ আলমকে টেন্ডারের কমিশন নিয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়। সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝরের জোর দাবি, কথোপকথনটি অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার প্রেস সেক্রেটারি মাহফুজ আলমের।
গত বুধবার রাতে জাওয়াদ নির্ঝর তাঁর ফেসবুকে অডিওটি ফাঁস করেন। মুহূর্তেই তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুক পোস্টে জাওয়াদ নির্ঝর বলেন, ‘মাহফুজ আলমের (আসিফ মাহমুদের প্রেস সেক্রেটারি) কললিস্ট নিয়ে কাজ করছিলাম। সে দুবাইয়ে রিয়েল এস্টেট ও বিনিয়োগ কম্পানিতে ফোন দেয়।
আগেও এর ধান্দাবাজির অন্য অডিও ফাঁস হয়েছে।’ মাহফুজ আলম এবং এই অডিও নিয়ে তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন জাওয়াদ নির্ঝর।
ফাঁস হওয়া অডিওতে মাহফুজ আলমকে এক ব্যক্তির সঙ্গে টেন্ডার নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়। কথার এক পর্যায়ে ফোনের অন্য প্রান্তে থাকা ব্যক্তি ৩ শতাংশ কমিশন দেওয়ার কথা বলে।
তখন মাহফুজ বলেন, ‘কাজ কনফার্ম করে দিলে ৩ পার্সেন্ট, এটা হইলো? এখন কিছু কাজ চলতেছে, যেগুলো আমি সিক্স পার্সেন্টে করেছি, আপনি খোঁজ নিন। ওয়ান পার্সেন্ট মিডলম্যান এবং ফাইভ পার্সেন্ট মিনিস্ট্রির জন্য। এগুলো ফিক্সড থাকে।’
কাজের প্রসেস সম্পর্কে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি যেটা করছি তা হলো অ্যাডভাইজার মহোদয় সাইন করবেন, ফিফটি পার্সেন্ট দিয়ে দেবে; সিসিজিবি পাস হবে, বাকি ফিফটি পার্সেন্ট দিয়ে দেবে।’ তাঁকে আরো বলতে শোনা যায়, ‘আপনি ওদের বলেন এখন সবই হচ্ছে এই ফরম্যাটে।’
কথা ঠিক না থাকলে ফাইল আটকে দেওয়ারও হুমকি দেন মাহফুজ আলম। তিনি বলেন, ‘আমি ফাইল আটকে রাখব এখন। কমিটমেন্ট ঠিক না থাকলে তো এখন দেখছেন। কথা দুই রকম হইলে কিন্তু সমস্যা হয়, বুঝছেন?…আমি আজ ইজিপি করাব, করায়ে কিন্তু আমি নোয়া (চুক্তিপত্র) ঝুলিয়ে রাখব। আপনি কনফার্মেশন দেবেন, এরপর নোয়া। আর দুইটা ১.৫, দুইটা ১ পার্সেন্ট—এগুলো কিন্তু হবে না ভাই; ১.৫ মানে ১.৫, দ্যাটস ইট।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাহফুজ আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘স্থানীয় সরকার উপদেষ্টাকে হেয় করার জন্য এবং নানাভাবে চাপে ফেলার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে নানা বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এটি যারা করছে, তাদেরই কেউ এআই ব্যবহার করে আমার নামেও মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে।’
সমকাল
‘দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে বড় পরিবর্তনের আশা পাকিস্তানের’-এটি দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হয়, স্বাধীনতার পর প্রথম শুধু দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করতে বাংলাদেশে আসছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। তিনি একই সঙ্গে দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী। দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতির সমীকরণে অবস্থান দৃঢ় করতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে ‘বিস্ময়কর’ পরিবর্তনের পথ খুঁজছে পাকিস্তান। তবে বৈদেশিক সম্পর্কে ভারসাম্য বিবেচনায় ইসলামাবাদের সঙ্গে অন্য দেশের মতো স্বাভাবিক সম্পর্ক চায় ঢাকা।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে দুই দেশের মধ্যে ছয়-সাতটি চুক্তি ও সমঝোতা সইয়ের প্রস্তুতি রাখছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া এই মুহূর্তে চার দিনের সফরে ঢাকায় আছেন পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খান।
বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্র ভারত তার প্রতিবেশী নিয়ে একটু চাপের মুখে রয়েছে। প্রতিবেশী দক্ষিণ এশিয়ার শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, আফগানিস্তান বা ভুটানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে বৈরিতা না থাকলেও উষ্ণতা নেই। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক শীতল হয়েছে ভারতের। প্রতিবেশীর সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের দূরত্বকে কাজে লাগাতে চাইছে পাকিস্তান।
দক্ষিণ এশিয়ার এ সবগুলো দেশের সঙ্গে চীনের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক অন্য দেশগুলোর থেকে একটু বেশি ঘনিষ্ঠ। চিরবৈরী ভারতকে সবদিক থেকে চাপে রাখার কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে পাকিস্তান।
নয়া দিগন্ত
দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম ‘সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য না দেয়ায় গুম করে আমাকে: ট্রাইব্যুনালে সুখরঞ্জন বালির অভিযোগ’। খবরে বলা হয়, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর তাকে গুম, নির্যাতন ও ভারতে পাচার করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন সেই সময়ের সাক্ষী সুখরঞ্জন বালি। ঘটনার এক যুগ পর গতকাল বুধবার তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে একটি লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন।
অভিযোগপত্রে বালি উল্লেখ করেন, ২০১২ সালের ৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গেটের সামনে থেকে সাদা পোশাকধারী পুলিশ সদস্যরা তাকে অপহরণ করে। এর পর তাকে রাজধানীর একটি অজ্ঞাত স্থানে দুই মাস ধরে চোখ বেঁধে রাখা হয়, যেখানে তাকে বৈদ্যুতিক শকসহ নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়।
অভিযোগপত্রে তিনি বলেন, আমার শরীরের এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে বৈদ্যুতিক শক দেয়া হয়নি, বিশেষ করে আমার গোপনাঙ্গে বারবার নির্যাতন চালানো হয়।
এ ঘটনায় সুখরঞ্জন বালি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন- সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম, সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ, সাবেক আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, ট্রাইব্যুনালের সাবেক বিচারক বিচারপতি এটিএম ফজলে কবির, ট্রাইব্যুনালের সাবেক তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন, পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক এমপি এ কে এম আউয়াল, সাবেক চিফ প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী, সাবেক প্রসিকিউটর রানা দাস গুপ্ত ও তৎকালীন তদন্ত সংস্থার প্রধান মো: সানাউল হক।
বণিক বার্তা
‘স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণে বড় ঝুঁকি একটি খাতের ওপর রফতানিনির্ভরতা’-এটি দৈনিক বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হয়, বিশ্ববাজারে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের পণ্য রফতানির মোট অর্থমূল্য ছিল ৪৮ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলার, যার ৮১ দশমিক ৪৯ শতাংশই তৈরি পোশাক। রফতানিতে এ একটি খাতের ওপর নির্ভরতা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণে বাংলাদেশের জন্য বড় ঝুঁকির কারণ হিসেবে দেখছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্স বা ইউএন ডিইএসএর ট্যারিফ ও এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিষয়ক অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ প্রতিবেদনে এ পর্যালোচনা উঠে এসেছে।
‘ট্যারিফ শকস অ্যান্ড গ্র্যাজুয়েশন ফ্রম দ্য লিস্ট ডেভেলপড কান্ট্রি ক্যাটাগরি’ শীর্ষক প্রতিবেদনে (৩ জুলাই প্রকাশিত) বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের এপ্রিলে একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণায় এলডিসি দেশগুলোর উন্নয়ন ও গ্র্যাজুয়েশন সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এলডিসিগুলোর উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় বাণিজ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—এ প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বিশেষ করে গ্র্যাজুয়েশনের পর শুল্ক-আঘাতের সম্ভাব্য প্রভাব পর্যালোচনা করা হয়েছে। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনে বাণিজ্যের ভূমিকা, এরপর যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এলডিসির রফতানির গুরুত্ব এবং সবশেষে ঘোষিত শুল্ক বৃদ্ধির প্রত্যক্ষ ও বিস্তৃত প্রভাব আলোচনা করা হয়েছে।
আজকের পত্রিকা
দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর ‘আশু বাস্তবায়নযোগ্য সংস্কার সুনির্দিষ্ট করার পরামর্শ জামায়াতের’। খবরে বলা হয়, জুলাই জাতীয় সনদের খসড়ার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংবিধানের চেয়েও জুলাই সনদকে প্রাধান্য দেওয়া এবং আদালতে সনদ নিয়ে প্রশ্ন না তোলার বিষয়ে একমত দলটি। সে সঙ্গে দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশগুলো সুনির্দিষ্ট করতে কমিশনকে পরামর্শ দিয়েছে জামায়াত।
জামায়াতে ইসলামী গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জুলাই সনদ নিয়ে তাদের মতামত জমা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ঐকমত্য কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা পবন চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, দলটি ছাড়াও খেলাফত মজলিস, এলডিপি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) এবং বাসদ-মার্কসবাদী জুলাই সনদের চূড়ান্ত খসড়ার বিষয়ে মতামত দিয়েছে। এর আগে গত বুধবার বিএনপি, এবি পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এনডিএম, জাতীয় গণফ্রন্ট ও আমজনতার দল মতামত জমা দেয়।
জুলাই সনদের চূড়ান্ত খসড়ায় সনদের পটভূমি, দুই ধাপের সংলাপের মধ্য দিয়ে ঐকমত্য হওয়া ৮৪টি প্রস্তাব এবং আটটি অঙ্গীকারনামা রয়েছে। এসবের ওপর এখন রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত দেওয়ার পর্ব চলছে।
জুলাই সনদের সব বিধান, নীতি ও সিদ্ধান্ত সংবিধানে যুক্ত করার বিষয়ে একমত জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে বিদ্যমান সংবিধান বা অন্য কোনো আইনে ভিন্নতর কিছু থাকলে সে ক্ষেত্রে এই সনদের বিধান, প্রস্তাব ও সুপারিশকে প্রাধান্যের বিষয়ে একমত দলটি। সনদের চূড়ান্ত মীমাংসার এখতিয়ার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ওপর ন্যস্ত থাকার পাশাপাশি আদালতে প্রশ্ন না তোলার বিষয়েও জামায়াতের সমর্থন রয়েছে।
দেশ রূপান্তর
‘প্রস্তুতি স্তুতি চাপ’-এটি দৈনিক দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে ভাষণে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জনগণের প্রত্যাশার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। তার কার্যালয় থেকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ে চিঠিও পাঠিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। এর মধ্য দিয়ে ইসির নির্বাচনী প্রস্তুতি দৃশ্যমান হতে থাকে। ইসি ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র ও সীমানা পুনর্র্নিধারণ-সংক্রান্ত জরুরি, গুরুত্বপূর্ণ কাজ দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ নির্বাচনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও পরামর্শ আদান-প্রদান করছে ইসি।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুহাম্মদ শাহ আলম দেশ রূপান্তরকে বলেন, নির্বাচনের দাবিতে গত এক বছর রাজনৈতিক দলগুলো দাবি করে আসছে। কিন্তু নানা ছলেকলে নির্বাচন পাশ কাটিয়ে চলতে চেয়েছে আন্দোলনে থাকা একটি অংশ। তিনি বলেন, নির্বাচন পাশ কাটিয়ে দেশের সংকট দূর করা অসম্ভব।
সরকারের নির্দেশনা ও ইসির নির্বাচনী তৎপরতার ভেতরে জামায়াতের পিআর পদ্ধতির দাবি ও এনসিপির জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে নির্বাচন নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। তবে যেকোনো মূল্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিএনপির চাপ আগের চেয়ে জোরালো হয়ে উঠেছে। নির্বাচন চেয়ে কূটনৈতিকপাড়ায় দৌড়ঝাঁপ একটু বেড়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তুতি, রাজনৈতিক দলের স্তুতি ও চাপ সমানতালে চলছে। তবে ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে দেশের মানুষের ভেতরে এমন আত্মবিশ্বাস এখনো পোক্ত হয়ে ওঠেনি। আগস্টের পক্ষের শক্তি এনসিপি ও জামায়াতের নির্বাচন নিয়ে বৈরী অবস্থান সাধারণ মানুষকে দোলাচলে রেখেছে।
বাংলাদেশ প্রতিদিন
‘পিআরের বিরুদ্ধে অনড় বিএনপি’-এটি দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রথম পাতার খবর। প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই সনদ সংবিধানের ওপরে রাখার বিষয়ে আপত্তি জানালেও আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান সম্ভব বলে আশাবাদী বিএনপি। তবে নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতির বিরুদ্ধে অনড় অবস্থান দলটির হাইকমান্ডের। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় এখনো পিআর পদ্ধতি উপযোগী নয়।
অন্যদিকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে প্রদত্ত জুলাই সনদের লিখিত খসড়ায় মতামত জমা দিয়েছে দলটি। জুলাই সনদ সংবিধানের ওপরে রাখা বা না রাখা এবং নির্বাচনে পিআর পদ্ধতির বিষয় নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে শিগগিরই আলোচনায় বসবেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। আলোচনার মাধ্যমেই জুলাই সনদ প্রণয়ন, স্বাক্ষর ও বাস্তবায়ন করতে চায় দলটি।
বিএনপির নীতিনির্ধারকদের মতে দেশের জনগণ এ পিআর পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত নয়। ফলে এ অযৌক্তিক পিআর পদ্ধতি কখনোই দেশের সাধারণ মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করবে না। নির্বাচন বিঘ্নিত বা বানচাল করতে সম্পূর্ণ অসদুদ্দেশ্যেই পিআর পদ্ধতি দাবি করা হচ্ছে মনে করছেন তাঁরা। পিআর পদ্ধতি সম্পর্কে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি নিয়ে অনেকেই বিভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। কারণ দেশের জনগণের অধিকার রয়েছে জানার-তারা কাকে ভোট দিচ্ছেন এবং কে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে যাচ্ছেন। কিন্তু প্রস্তাবিত পিআর পদ্ধতিতে কোনো ব্যক্তিকে সরাসরি নির্বাচিত করার সুযোগ না থাকায় জনগণ স্পষ্টভাবে জানতে পারছেন না তারা কাকে সংসদে পাঠাচ্ছেন। তাই জাতীয় সংসদ কিংবা সরকারের প্রতিনিধিত্ব করতে চাইলে রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিকে অবশ্যই জনগণের মুখোমুখি হয়ে তাদের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। জনগণের রায় নিয়ে নির্বাচিত হতে হবে।’
8 সিলেট রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সেক্রেটারি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় ক্লাবের এডভাইজার ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রোটারিয়ান পিপি মাহবুবুল হক চৌধুরীকে সংবর্ধনা
1 আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
5 বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন সিলেট জেলা সংসদের উদ্যোগে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সংবর্ধণা দেয়া হয়েছে। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে নগরীর একটি
6 কুলাউড়ার বরমচাল ইউনিয়নে বিদ্যুতের ১৫ কেভি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। শনিবার ১৩ ডিসেম্বর মোহলাল এলাকার বরমচাল হাঁই স্কুল সংলগ্ন জমির
8 সিসিকে’র ৭নং ওয়ার্ডের বনকলাপাড়া এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলের লক্ষ্য এলাকাবাসীর উদ্দ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
4 সিলেট মোটরসাইকেল পার্টস মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের বাৎসরিক সভা শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর নাইওর পুলস্থ একটি হোটেলের হলরুমে অনুষ্ঠিত
7 সিসিকে’র ৭নং ওয়ার্ডের বনকলাপাড়া এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলের লক্ষ্য এলাকাবাসীর উদ্দ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
8 ঢাকায় প্রকাশ্যে উসমান হাদীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সিলেট জেলা ও মহানগর তাঁতী